দিল্লিতে মুকুল-কৈলাসের সঙ্গে বৈঠক দীপার

নয়াদিল্লি: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ রঙিন হচ্ছে রাজনীতির রঙ্গমঞ্চ। ভোটের মুখে দলবদল যেন সেই বিষয়টিকে আরও রঙিন করে তুলেছে।

সোমবার রাতের দিকে দিল্লিতে এক টেবিলে বৈঠকে বসেছেন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাশমুন্সি এবং বিজেপি নেতা মুকুল রায়। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পর্যবেক্ষক অরভিন্দ মেননের বাড়িতে চলছে এই বৈঠক। রাজ্যের অপর এক পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন। এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

গত তিন দিন ধরে দীপা দাশমুন্সির বিজেপি যোগ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যার মূল কারণ হচ্ছে রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোট। বাম-কংগ্রেসের আসন সমঝোতার জট আটকে ছিল মুর্শিদাবাদ-রায়গঞ্জে। শুক্রবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের চাপ বাড়িয়ে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদে মহম্মদ সেলিম ও বদরুদ্দোজা খানের নাম ঘোষণা করে দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। এঁরা দু’জনেই গতবারের জয়ী সাংসদ।

২০১৪ সালে রায়গঞ্জ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন দীপা দাশমুন্সি। নিজের খাসতালুক থেকেই ফের লড়াই করতে চান ‘প্রিয়পত্নী’। যদিও তাঁর এই দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। বৃহত্তর স্বার্থে বামেদের জন্য রায়গঞ্জ আসন ছেড়ে দিয়ে দীপা দাশমুন্সিকে রাজ্যসভায় পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়ে নেত্রী দীপার সঙ্গে খোদ সভাপতি রাহুল গান্ধী কথা বলেছেন বলে খবর।

যদিও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন দীপা দাশমুন্সি। তিনি রায়গঞ্জ থেকেই লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করতে চান। বাম-কংগ্রেস জোট চূড়ান্ত হতেই শনিবার তিনি মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে শোনা গিয়েছিল। যদিও সেই বিষয়টিকে সম্পূর্ণ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছিল দীপা দাশমুন্সির অনুগামীরা। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁরা প্রচার শুরু করে দিয়েছিলেন। রবিবার পর্যন্ত তাঁদের দাবি ছিল, “প্রিয় রঞ্জন দাশমুন্সির স্ত্রী কোনোভাবেই কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাবেন না।”

দিন দুই পরে অবশ্য সেই সকল কংগ্রেস নেতাকর্মীদের গলার স্বর একটুই অন্যরকম। সোমবার দিল্লিতে অরভিন্দ মেনন, মুকুল রায় এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের সঙ্গে দীপা দাশমুন্সির বৈঠকের বিষয়ে তাঁরা সকলেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন। দীপা দাশমুন্সি কী কংগ্রেসেই থাকছেন? এই বিষয়ে কোনও জোরাল জবাব আর পাওয়া যাচ্ছে না। ২৪ ঘণ্টা আগেও খুব জোর গলায় এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছিলেন তাঁরা। যা থেকে জোরাল হচ্ছে কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেত্রী দীপা দাশমুন্সির বিজেপি যোগের সম্ভাবনা।

সেনাপ্রধানকে ‘গুণ্ডা’ বললেন রাহুল: স্মৃতি

নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট  ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচার। একই সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতাদের আক্রমণ এবং প্রতিআক্রমণ। সেই সঙ্গে নেতাদের বক্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে তরজা।

ভোট ঘোষণার পরের দিনেই কর্মীসভায় গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেছেন রাহুল গান্ধী। সেই নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন বিরোধী বিজেপির নেতারা।

দিল্লিতে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের সম্বোধন করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এয়ারস্ট্রাইকের জবাবের বিষয় নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে নিশানা করতে গিয়ে মুখ ফসকে মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ জি’ বলে সম্বোধন করেন৷ ভোটের মুখে হাতে এমন গরম ইস্যু পেয়ে তার উপযুক্ত ব্যবহার করল বিজেপি৷

এই বিষয়ে স্মৃতি ইরানি বলেছেন, “একজন সন্ত্রাসবাদীকে রাহুল গান্ধী সম্মান দিচ্ছেন। সমগ্র দেশ এটা দেখে স্তম্ভিত। জঙ্গি হানায় শহদ এবং আক্রান্তদের পরিবার জানতে চাইছে কেন উনি একজন জঙ্গিনেতাকে সম্মান দিচ্ছেন?” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “”

বিস্তারিত আসছে…।

সেনাপ্রধানকে ‘গুণ্ডা’ বললেন রাহুল: স্মৃতি

নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট  ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচার। একই সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতাদের আক্রমণ এবং প্রতিআক্রমণ। সেই সঙ্গে নেতাদের বক্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে তরজা।

ভোট ঘোষণার পরের দিনেই কর্মীসভায় গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেছেন রাহুল গান্ধী। সেই নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন বিরোধী বিজেপির নেতারা।

দিল্লিতে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের সম্বোধন করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এয়ারস্ট্রাইকের জবাবের বিষয় নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে নিশানা করতে গিয়ে মুখ ফসকে মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ জি’ বলে সম্বোধন করেন৷ ভোটের মুখে হাতে এমন গরম ইস্যু পেয়ে তার উপযুক্ত ব্যবহার করল বিজেপি৷

এই বিষয়ে স্মৃতি ইরানি বলেছেন, “একজন সন্ত্রাসবাদীকে রাহুল গান্ধী সম্মান দিচ্ছেন। সমগ্র দেশ এটা দেখে স্তম্ভিত। জঙ্গি হানায় শহদ এবং আক্রান্তদের পরিবার জানতে চাইছে কেন উনি একজন জঙ্গিনেতাকে সম্মান দিচ্ছেন?” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “”

বিস্তারিত আসছে…।

ফের আন্দোলনে আইসিডিএস কর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পে আই.সি.ডি.এস কর্মী নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দাবীতে ফের আন্দোলন শুরু করলেন বাঁকুড়ার সারেঙ্গা ব্লক এলাকার চাকরী প্রার্থীরা। গত ৪ঠা মার্চ বিডিও অফিসের করিডোরে অবস্থান বিক্ষোভের পর সোমবার একই জায়গায় ‘এক ঘন্টার প্রতিকী অনশন’ শুরু করলেন তারা।

”আমরা নারী, আমরা পারি, আমরা লড়ি, আমরা গড়ি, আমাদের হাতেই অঙ্গনওয়াড়ি” ছাড়াও ‘অনশন মানে বুকের ভিতর, জেগে ওঠা আগুন, অনশনে তাই জেগেছি আমরা, আপনারাও এবার জাগুন” লেখা পোষ্টার, প্ল্যাকার্ড সহ অনশনে বসেছেন চাকরীপ্রার্থীরা।

আন্দোলনরত চাকরী প্রার্থীদের দাবি, বিগত ২০০৯ সালে এই চাকরীর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তারা আবেদন করেন। ২০১১ সালে লিখিত পরীক্ষা হয়। ঠিক তার পরের বছর ২০১২ সালে মৌখিক পরীক্ষার জন্য চিঠি পাঠানো হলেও কোন অজ্ঞাত কারণে তা বন্ধ রাখা হয়।

– Advertisement –

আরও পড়ুন : হলে পরীক্ষা দিচ্ছে কনে, বিয়েবাড়িতে অপেক্ষায় বরযাত্রী

পরে ২০১৫ সালে মৌখিক পরীক্ষা হয়। কিন্তু তার পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও কোন ফল প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু বর্তমানে নতুন করে সারেঙ্গা ব্লক এলাকায় ঐ প্রকল্পে আই.সি.ডি.এস কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় পুরাণো পরীক্ষার ফলপ্রকাশ না করে কি করে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে এদিন সরমা ত্রিপাঠী বলেন, ২০১১ সালে লিখিত পরীক্ষার পর সফল পরীক্ষার্থীদের ২০১৫ সালে মৌখিক পরীক্ষা হয়। তার পর দীর্ঘদিন কেটে গেলেও ঐ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বার বার সারেঙ্গা বিডিও-র কাছে এলেও তিনি কোন আশাব্যাঞ্জক কথা শোনাননি। উল্টে তিনি পরীক্ষার্থীদের ‘আইনী পথে’ যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে তিনি দাবী করেন।

এবিষয়ে জানতে সারেঙ্গার বিডিও সংলাপ ব্যানার্জ্জীকে টেলিফোন করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমার করার কিছুই নেই। পুরো বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্ত্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ‘আইনী লড়াই’য়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভুল খবর’। এই ধরণের পরামর্শ তিনি কোন দিন আন্দোলনকারী চাকরী প্রার্থীদের দেননি বলে দাবী করেন।

পুলিশ সুপারের গাড়িচালকের দাদাগিরি, মারধর আইনজীবীকে

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ক্ষমতার দম্ভ? কী বলবেন একে? পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষের গাড়ির চালকের হাতে প্রহৃত মালদহ জেলা আদালতের এক আইনজীবি। পুলিশ সুপারকে দফতরে নামিয়ে গাড়ি পার্কিং করার সময় গাড়ির চালকের সাথে এক আইনজীবির বচসা হয়।

এরপর গাড়ির চালক আইনজীবিকে রীতিমত মারধর করেন বলে অভিযোগ। এরপরই মালদহ আদালতের আইনজীবিরা পুলিশ সুপারের গাড়ি চালকের দাদাগিরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় ওঠেন। শুরু হয় বিক্ষোভ আন্দোলন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদহ আদালত চত্বর।

আরও পড়ুন : হলে পরীক্ষা দিচ্ছে কনে, বিয়েবাড়িতে অপেক্ষায় বরযাত্রী

– Advertisement –

জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর বেলা পুলিশ সুপারের গাড়ি চালক পুলিশ সুপারকে নামিয়ে গাড়ি পার্ক করছিলেন। সেই সময় পেছন পার্থসারথি রায় নামে মালদহ আদালতের মুহুরী দাঁড়িয়ে ছিলেন। গাড়ির চালককে দেখে গাড়ি ঘোরানোর কথা বলতে মারমুখী হয়ে ওঠে ওই চালক। সেখানে উপস্থিত এক আইনজীবী সুদীপ্ত গাঙ্গুলী ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বলতে গেলে তাকে মারধর করা হয় ও হাত মুচকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে অন্যান্য আইনজীবীরা ছুটে আসে। এরপরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷

আহত আইনজীবী সুদীপ্ত গাঙ্গুলি বলেন, আদালত চত্বরে গোলমালের ঘটনা চলছিল। সেই সময় ঘটনা দেখতে পেয়ে আমি কাছে গেলে আমাকে ধাক্কাধাক্কি করে পুলিশ সুপারের গাড়ি চালক। এরপরে আমাকে ধাক্কা দিয়ে হাত মচকে দেওয়া হয়। এতে আমার বাম হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। ঘটনায় ইংলিশ বাজার থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে গালিগালাজ করা হয়। এরপর বাধ্য হয় অভিযোগ নিতে। পুলিশের উর্দিতে এই ধরনের হেনস্থা ভাবাই যায় না। আমরা চাই এর সঠিক তদন্ত হোক।

মালদহ বার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী দেব কিশোর মজুমদার বলেন,আমরা সব সমস্ত অভিযোগ জেলা জজ কে জানিয়েছি তিনি আমাদেরকে ২৪ ঘন্টা সময় চেয়েছে এর মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ বলেন,অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। চালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে।

‘অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ ছবির বিরোধে শপিং মল ভাঙচুরকারীর বিজেপিতে যোগ

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কংগ্রেস নেতা রাকেশ সিং সোমবার দিল্লিতে বিজেপিতে যোগদান করেছেন৷ দক্ষিণ কলকাতার এই নেতা কিছুদিন আগে পার্ক সার্কাসের একটি মল ভাঙচুড় কাণ্ডে অভিযুক্ত ছিলেন৷ ‘অ্যাক্সিডেন্ডাল প্রাইম মিনিস্টার’সিনেমাটির প্রদর্শন বন্ধ রাখার জন্য রাকেশ এবং অন্যান্য কংগ্রেসী নেতারাও ওই মলে গিয়েছিলেন৷ তাদের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ ছিল, প্রতিবাদ কর্মসূচি চালাতে গিয়ে তাঁরা মল ভাঙচূর করেন৷ এরপর পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশকে৷

আরও পড়ুন : রাজ্যে অশান্তি বাঁধাতেই সাত দফা ভোটের ব্যবস্থা বিজেপির: মমতা

বিজেপি সূত্রে খবর, রাকেশের অভিযোগ কংগ্রেস দল তাঁর পাশে থাকেনি৷ সেই কারণেই লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ কলকাতার এই নেতা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন৷ বিজেপিকে সাফ জানিয়েছেন, প্রদেশ কংগ্রেসের প্রতি তিনি বিতশ্রদ্ধ৷ তাকে বিপদে ফেলে পালিয়েছে কংগ্রেস৷ সেক্ষেত্রে বিজেপি কর্মী হিসেবে তিনি একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করতে চান৷ অন্যদিকে, সোমবারই বিজেপিতে যোগদান করেছে – প্রাক্তন এআইসিসি সদস্য দেবযানী দাশগুপ্ত এবং তৃণমূলের লিগাল সেলের প্রাক্তন সদস্য দেবযানী দাশগুপ্ত৷

– Advertisement –

সোমবার সারাদিন ধরেই বিজেপি বিভিন্ন নেতার যোগদান পর্ব নিয়ে জল্পনা বেড়েছে৷ শোনা যাচ্ছে চলতি সপ্তাহেই বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন কিছু তৃণমূল নেতা৷

জলপাইগুড়ির নতুন সার্কিট বেঞ্চে শুরু মামলার নথিভুক্তিকরণ

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি : সার্কিট বেঞ্চে প্রথম দিনের কাজ হল সূচি মেনেই। এদিন থেকেই শুরু হয়েছে মামলা নথিভুক্তকরনের কাজ। এদিন নির্ধারিত সময়েই আদালতে আসেন প্রধান বিচারপতি সহ অন্যান্য বিচারপতিরা। এরপরে আইনজীবীদের সাথে কথা বলেন প্রধান বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার।

হাইকোর্টের কাজকর্ম তাদের বিস্তারিতভাবে বলেন প্রধান বিচারপতি। এদিন সার্কিট বেঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। তিনি জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ স্থাপনের জন্য প্রধান বিচারপতি সহ অন্যান্য বিচারপতিদের ধন্যবাদ জানান।

– Advertisement –

এই অনুষ্ঠান শেষে প্রধান বিচারপতি বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। এদিন মোট ২২টি মামলা ফাইলিং হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ সরকারি আইনজীবী সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েকদিন এই ফাইলিংয়ের কাজ চলবে। এরপর থেকেই শুরু হয়ে যাবে সওয়াল জবাবের কাজ।

এদিকে, সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনে খুশির হাওয়া জলপাইগুড়িতে। এদিন আবিরে, রঙে বিজয় উৎসব পালন করল জলপাইগুড়ি জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস দফতরের সামনে আবির নিয়ে হোলিতে মেতে ওঠেন যুব তৃণমূল কর্মীরা৷

সাধারণ নাগরিকদেরও রঙের উৎসবে সামিল করেন তারা। এবিষয়ে জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘ দশকের আন্দোলনের সাফল্যেই এই বিজয় উৎসব।

রাজ্যে অশান্তি বাঁধাতেই সাত দফা ভোটের ব্যবস্থা বিজেপির: মমতা

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যে সাত দফার নির্বাচনের ঘোষণা হতেই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর কড়া মন্তব্য “রাজ্যে অশান্তি বাঁধাতেই এই সাত দফার নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ এজন্য বিজেপি দায়ি৷ বিজেপি চাইছে ভোটের সময় রাজ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোক”

তবে এরই পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন ‘একই জায়গায় দুদিনে ভোটের তারিখ ফেলা হয়েছে৷ কি যুক্তি রয়েছে এই ধরণের ঘোষণায়? তবে আমি খুশি, আমাদের খাটনি আর দায়িত্ব কমল৷ বিজেপির অশান্তি বাঁধানোর পরিকল্পনা সফল হবে না৷ রাজ্যের ৪২টি আসনের সবকটিই পাবে তৃণমূল কংগ্রেস’৷

আরও পড়ুন : জেনে নিন VVIP প্রার্থীদের আসনে কবে হবে নির্বাচন

– Advertisement –

গোটা দেশের অন্য রাজ্যগুলিতেই তৃণমূল প্রচার চালাবে বলে এদিন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি আরও বলেন কিছু সাংবাদিকের থেকে তিনি খবর পেয়েছেন এপ্রিল মাসে আরও একটি স্ট্রাইক হতে চলেছে৷ ঠিক কি ধরণের স্ট্রাইক হবে এটি জানা যায়নি৷ তবে মমতা বলেন বিজেপির এরকম পরিকল্পনার কথা জানতে পেরেছেন তিনি৷

রাজনৈতিক দিক থেকে এই সাত দফা ভোট নিয়ে তৃণমূল উদ্বিগ্ন নয় বলেও জানান মমতা৷ তবে ভোটারদের অসুবিধার কথা ভাবছেন তাঁরা৷ তিনি জানান ভোটারদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রাখা উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের৷ গোটা এপ্রিল-মে মাস জুড়ে বেশ গরম থাকবে৷ সেই আবহাওয়ায় কষ্ট পাবেন তাঁরা৷

আরও পড়ুন : লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভাগ্য এই ছয় রাজ্যের হাতে

এরই সঙ্গে মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তৃণমূল নেত্রী৷ তিনি বলেন মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হবে৷ তার আগে তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক হবে৷ যেখানে প্রার্থী তালিকা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলবে৷

এয়ার ইন্ডিয়াতে শতাধিক ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

শূন্যপদে ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল এয়ার ইন্ডিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস লিমিটেড৷ এয়ারক্রাফট ম্যানটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার(এএমই) পদে শতাধিক ইঞ্জিনিয়ার করা হবে৷ জেনে নিন খুঁটিনাটি তথ্য৷

এআইইএসএল রিক্রুটমেন্ট ২০১৯: পদ
Fresh Vacancies – 141 posts
Carried Forward – 19 posts

যোগ্যতা: আবেদনকারীর নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হওয়া চাই ১০+২৷ প্রতিষ্ঠিত কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করা চাই৷ বিষয় হবে ফিজিক্স, কেমিষ্ট্রি ও অংক৷

– Advertisement –

বয়স: ৫৫ বছর বয়স অবধি এই পদে আবেদন করা যাবে৷ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালের পর ৫৫ বছর অতিক্রম হয়ে গেলে আবেদন করা যাবে না৷

নির্বাচন পদ্ধতি: পার্সোনাল ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে৷ ইন্টারভিউ হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১২টার মধ্যে৷ ইন্টারভিউয়ের তারিখ নিচে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ওই দিনগুলিক মধ্যে ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে হাজির হতে হবে৷ তবে এই ইন্টারভিউ হবে দিল্লির এয়ার ইন্ডিয়ার জেট ইঞ্জিন ওভারহউল কমপ্লেক্স৷ আবেদনকারীর ইন্টারভিউ নেবে হিউমান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট৷

পে স্কেল: চাকরির জন্য নির্বাচিত হলে মাসিক মাইনে হবে ৯৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা৷

কী করে আবেদন করবেন? ১ এপ্রিল থেকে ১২ এপ্রিল নির্ধারিত সময়ে হবে ইন্টারভিউ৷ ঠিক সময়ের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়ার জেট ইঞ্জিন ওভারহউল কমপ্লেক্সে পৌঁছে যেতে হবে৷ সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে আবেদন ফি৷ জেনারেলদের জন্য এই ফি ১০০০ টাকা৷ এসসি/এসটি ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের জন্য ফি ৫০০ টাকা৷ এই টাকাটি ফেরতযোগ্য নয়৷ ইন্টারভিউয়ের সময় ফি জমা দিতে হবে৷ এছাড়া প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যেমন পরীক্ষার রেজাল্ট ইত্যাদির অরিজিনাল কপি নিয়ে যেতে হবে৷

চাকরির মেয়াদ: পাঁচ বছর

কলকাতায় আসছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়ার বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার ‘এয়ার সার্জিকাল স্ট্রাইকে’র পর প্রথমবার কলকাতায় আসছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আগামী ১৭ মার্চ রবিবার কলকাতায় তাঁকে নাগরিক সংবর্ধনা দেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রিসার্চ ফাউন্ডেশন।

বিধাননগরের ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল কমপ্লেক্সে ওইদিন ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এবং পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান’ নিয়ে বক্তব্যও রাখবেন নির্মলা। তবে শুধু নির্মলাই নন, একই মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন বিশিষ্ট সাংবাদিক স্বপন দাসগুপ্তও।

বালাকোটে সার্জিকাল স্ট্রাইকের পর দেশ জুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিরোধীরা দাবি করেছে বিজেপি এই ঘটনার রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করেছে। আবার বিজেপির পাল্টা দাবি, যেসব দল ভারতীয় বায়ুসেনার কৃতিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছে – তারা যেন মেকি দেশভক্তি না দেখায়। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রিসার্চ ফাউন্ডেশনের তরফে অর্নিবাণ লাহিড়ি এবং রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদত সায়ন্তন বসু জানান, অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে৷

– Advertisement –

কলকাতায় এসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কী জবাব দেবেন – তা শোনার অপেক্ষায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব৷ কারণ বালাকোটে এয়ার সার্জিকাল স্ট্রাইকের পর নরেন্দ্র মোদী সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেছেন মমতা৷