পুলিশ সুপারের গাড়িচালকের দাদাগিরি, মারধর আইনজীবীকে

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ক্ষমতার দম্ভ? কী বলবেন একে? পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষের গাড়ির চালকের হাতে প্রহৃত মালদহ জেলা আদালতের এক আইনজীবি। পুলিশ সুপারকে দফতরে নামিয়ে গাড়ি পার্কিং করার সময় গাড়ির চালকের সাথে এক আইনজীবির বচসা হয়।

এরপর গাড়ির চালক আইনজীবিকে রীতিমত মারধর করেন বলে অভিযোগ। এরপরই মালদহ আদালতের আইনজীবিরা পুলিশ সুপারের গাড়ি চালকের দাদাগিরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় ওঠেন। শুরু হয় বিক্ষোভ আন্দোলন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদহ আদালত চত্বর।

আরও পড়ুন : হলে পরীক্ষা দিচ্ছে কনে, বিয়েবাড়িতে অপেক্ষায় বরযাত্রী

– Advertisement –

জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর বেলা পুলিশ সুপারের গাড়ি চালক পুলিশ সুপারকে নামিয়ে গাড়ি পার্ক করছিলেন। সেই সময় পেছন পার্থসারথি রায় নামে মালদহ আদালতের মুহুরী দাঁড়িয়ে ছিলেন। গাড়ির চালককে দেখে গাড়ি ঘোরানোর কথা বলতে মারমুখী হয়ে ওঠে ওই চালক। সেখানে উপস্থিত এক আইনজীবী সুদীপ্ত গাঙ্গুলী ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বলতে গেলে তাকে মারধর করা হয় ও হাত মুচকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে অন্যান্য আইনজীবীরা ছুটে আসে। এরপরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷

আহত আইনজীবী সুদীপ্ত গাঙ্গুলি বলেন, আদালত চত্বরে গোলমালের ঘটনা চলছিল। সেই সময় ঘটনা দেখতে পেয়ে আমি কাছে গেলে আমাকে ধাক্কাধাক্কি করে পুলিশ সুপারের গাড়ি চালক। এরপরে আমাকে ধাক্কা দিয়ে হাত মচকে দেওয়া হয়। এতে আমার বাম হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। ঘটনায় ইংলিশ বাজার থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে গালিগালাজ করা হয়। এরপর বাধ্য হয় অভিযোগ নিতে। পুলিশের উর্দিতে এই ধরনের হেনস্থা ভাবাই যায় না। আমরা চাই এর সঠিক তদন্ত হোক।

মালদহ বার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী দেব কিশোর মজুমদার বলেন,আমরা সব সমস্ত অভিযোগ জেলা জজ কে জানিয়েছি তিনি আমাদেরকে ২৪ ঘন্টা সময় চেয়েছে এর মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ বলেন,অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। চালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.