বাংলাদেশে মাদক পাচারের অভিযোগে দশ বছরের কারাদণ্ড অভিযুক্তের

স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: এক পাচারকারীকে দশ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বহরমপুর আদালত৷ জলঙ্গী থেকে হেরোইন ও সোনার চেন পাচার করার অপরাধে আদালত এই রায় ঘোষণা করে৷

আইনজীবী জানান, ১৭ই ডিসেম্বর ২০১২ সালে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জলঙ্গী থানার পুলিশ চরভদ্রা এলাকা থেকে অভিযুক্ত ওই মহিলা জৈগোন বেওয়াকে গ্রেফতার করে৷ তার বাড়ি জলঙ্গী থানার দক্ষিণ ঘোষপাড়া গ্রামে৷ তার কাছ থেকে ৫২০ গ্রাম হিরোইন, ৩৫০টি সোনার চেন ও ২০০টি আংটি উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন : অফিস ফেরত তরুনীকে রাস্তা থেকে তুলে নির্জন জঙ্গলে ধর্ষণের চেষ্টা

– Advertisement –

সে পুলিশের জেরার মুখে স্বীকার করে নেয় ওই জিনিসগুলি বাংলাদেশে পাচার করার জন্য সে দাঁড়িয়ে ছিল৷ সেই সময় বিষয়টি বিএসএফের জওয়ানের নজরে আসে৷ তারপরই চরভদ্রা থেকে জৈগোন বেওয়াকে আটক করে বিএসএফ জওয়ানরা৷ পরে তারা জলঙ্গী থানার পুলিশ হাতে তুলে দেয়৷ জলঙ্গী থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷

বৃহস্পতিবার বহরমপুর আদালতের বিচারক করিম চৌধুরী দশ বছরের কারাদণ্ড একলক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও দুই বছর জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়৷

‘বোঝা গেল আর যাই হোক বাংলাদেশ অগণতান্ত্রিক দেশ’

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  বুকার জয়ী অরুন্ধতি রায়ের বক্তৃতা আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷ ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা লেখিকার৷ কিন্তু ঢাকা মহানগর পুলিশ সেই অনুষ্ঠানের অনুমতি বাতিল করেছে৷

এই ঘটনার জেরে শুরু হয়েছে বিতর্ক৷ বাংলাদেশের সামাজিক মাধ্যমে ছড়াতে শুরু করেছে প্রতিবাদ৷ উদ্যোক্তা ছবিমেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে- অরুন্ধতি রায়ের সঙ্গে বিতর্কিত চিত্রগ্রাহক শহিদুল আলমের আলোচনা অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷

লেখিকা অরুন্ধতি রায়ের ‘Walking with the Comrades’ বইয়ের বাংলা অনুবাদক সুমন গোস্বামী www.kolkata24x7.com-কে বলেন, অরুন্ধতি রায় সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছেন। তিনি আন্তর্জাতিকতাবাদে বিশ্বাসী। সারা পৃথিবীতে এমনটা হয়৷ যারা ক্ষমতায় থাকে তাঁরা মানুষের ওপর অত্যাচার করে, ক্ষমতা প্রদর্শন করে। সেই ক্ষমতা প্রদর্শনকে যে বা যারা চ্যালেঞ্জ করেন, তাঁদেরকেই এভাবে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলে । এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে আবারও বোঝা গেল আর যাই হোক বাংলাদেশ অগণতান্ত্রিক দেশ।

তিনি আরও বলেন, ভারতের মৌলবাদীদের ওপর যেমন অরুন্ধতি রায় সরব হন। তেমনই বাংলাদেশের মৌলবাদের ওপরেও তিনি সরব হন। আবারও প্রমাণিত হল মৌলবাদ বিভিন্ন দেশে আসলে একই। ভারতে যার নাম হিন্দু। বাংলাদেশে তারই নাম ইসলাম। গণতন্ত্রকে অস্বীকার করা, সত্যি কথাকে অস্বীকার করা আর মানুষের স্বাধীনতাকে দমিয়ে রাখাই তাঁদের লক্ষ। এটাই চিরকালীন সত্য।

গত জাতীয় নির্বাচনের কিছু আগে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে অচল হয়েছিল বাংলাদেশ৷ টানা অচলাবস্থায় সরকার অস্বস্তিতে পড়ে৷ অভিযোগ, আন্দোলনের এক পর্যায়ে সোশ্যাল সাইটে উত্তেজনাকর মন্তব্য করেছিলেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম৷ এর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করে শেখ হাসিনার সরকার৷ বিতর্ক চরম আকার নেয়৷ বাংলাদেশ সরকারের উপরে আন্তর্জাতিক চাপ আসতে থাকে৷তখন শহিদুল আলমের সমর্থনে খোলা চিঠি লিখে প্রতিবাদ করেছিলেন অরুন্ধতি রায় সহ বিশ্বজুড়ে একাধিক বুদ্ধিজীবী৷

মনে করা হচ্ছে অরুন্ধতি রায়ের এই অবস্থানের কারণেই তাঁর আলোচনা অনুষ্ঠান বাতিল করেছে ঢাকা পুলিশ৷ এদিকে অনড় উদ্যোক্তারা৷ ফলে বিতর্ক বাড়ছেই৷

——- —-

সীমান্তে উত্তেজনার মাঝেই যুদ্ধ মহড়া শুরু করল ভারত-বাংলাদেশ

নয়াদিল্লি ও ঢাকা: ভারত-পাক সীমান্তে উত্তেজনা চরমে। দু’দিন আগেই দুই দেশ একে অপরের বিমানকে তাড়া করে সীমান্তের আকাশে। এর মধ্যেই ভারত ও বাংলাদেশের শুরু হচ্ছে বিশেষ যুদ্ধ মহড়া।

শনিবার টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের দু’সপ্তাহের যৌথ সামরিক মহড়া। মহড়ায় অংশ নিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৭০ সদস্যের একটি দল ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিশেষ একটি বিমানে শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাবে। ভারতীয় দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, ‘সম্প্রীতি-৮’ নামের এই মহড়ায় এবার সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ দমন অভিযানে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় প্রাধান্য পাবে।

‘সম্প্রীতি’ নামে দুই দেশের যৌথ মহড়া ২০১১ সালে প্রথমবার মতো ভারতের অসমে অনুষ্ঠিত হয়। তারপর থেকে দুই দেশই পর্যায়ক্রমে নিজেদের দেশে যৌথ এই অনুশীলন আয়োজন করছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ধরনের যৌথ মহড়া দুই দেশের জোরালো প্রতিরক্ষা সহায়তাকে প্রতিফলিত করে। যৌথ মহড়া শেষে আগামী ১৬ মার্চ বাংলাদেশ ত্যাগ করবে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

এছাড়া, বৃহস্পতিবারই শেষ হল তিনদিনের বিশেষ মহড়া। আত্মবিশ্বাস গঠনের জন্যই ময়নামতী মৈত্রী এক্সারসাইজে যোগ দিল বিএসএফ ও বিজিবি জওয়ানরা।

দুই দেশের বন্ধুত্বপূণফ সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই মহড়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন বিএসএফের ডেপুটি ইন্সপেক্ট জেনারেল সিএল বেলওয়া। বিএসএফের শ্রীমন্তপুর বর্ডার আউটপোস্টে হয় সেই মহড়া। বাংলাদেশের এক পর্বতমালার নামেই মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছিল। মূল চোরাকারবার ঠেকাতেই এই মহড়া হয়।

——- —-

টের পেলেন? বড়সড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা

ঢাকা:  ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আজ মঙ্গলবার ঢাকা এবং তার আশেপাশের এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। যদিও কম্পনের মাত্রা কম থাকায় সেই অর্থে ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। যদিও ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রীতিমত সেখানে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

স্থানীয় আবহাওয়া অধি দফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিট এ ভূমিকাম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া দফতরের সিসমিক সেন্টার থেকে ৩৭ কিলোমিটার উত্তরপূর্ব দিকে গাজীপুরের কাছে। এই ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএস এর ডেটাবেইজেও এই ভূকম্পনের খবর আসেনি।

——- —-

বিমান হাইজ্যাকে খেলনার পিস্তল ব্যবহার করেছিল সন্দেহভাজন

ঢাকা : বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা ব্যক্তির কাছে ছিল খেলনা পিস্তল। তার গায়ে কোনও বিস্ফোরক ছিল না বলে সোমবার জানাল পুলিশ৷ চিটাগঙের দক্ষিণপূর্বের পুলিশ আধিকারিক কুসুম দেওয়াঁ সংবাদমাধ্য়ম কে জানান সন্দেহভাজনের কাছে খেলনার পিস্তল ছিল৷

তিনি জানিয়েছন তদন্তে জানা গিয়েছে এই সন্দেহভাজন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল৷ তার সঙ্গে তার স্ত্রীয়ের সম্পর্ক ভাল ছিল না বলেও জানা গিয়েছে৷ এমনকি এই ঘটনা ঘটানোর আগে এই ব্যাক্তি স্ত্রীয়ের সঙ্গে বচসা করে আসে বলে পুলিশ কর্তারা জানিয়েছে৷ তবে এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্তা৷

রবিবার বাংলাদেশ দুবাইগামী এয়ারলায়েন্সের একটি বিমানের ককপিটে ঢোকার চেষ্টা করে এক ব্যাক্তি৷ শুধু তাই নয় এই সন্দেহ ভাজন বন্দুক বের করে বিমান উড়িয়ে দেওয়ার হিমকি দিয়েছিল বলে অভিযোগ৷ ঘটনার জেরে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়৷ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে এি বিমানটি দুবাই যাচ্ছিল বলে জানা যায়৷ তদন্তকারিরা জানিয়েছেন পাইলট কে এই সন্দেহভাজন জানিয়েছেন স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা চলছে তার এবং সে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে চায়৷ নিরাপত্তা রক্ষীরা এই ব্যাক্তি কে গুলি করে৷ ঘটনায় তার মৃত্যু হয়৷

তবে পরে এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ কর্তারা জানতে পারেন বিমান অপহরনের হুমকি দেওয়ার জন্য যে পিস্তলটি ব্যবগহার করছেল সেটি খেলনার ছিল৷ তবে এই ঘটনার জেরে বিমানে যাত্রীদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠছে৷

——- —-

বাংলাদেশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, বাড়তি সতর্কতা ভারতের

ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হঠাৎ একটি বিমান ছিনতাইয়ের খবর আসে৷ বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে দুবাইগামী বিমানটি উড়ানের পরই জরুরী অবতরণ করে৷ এরপরই জানা যায় বিমানটি হাইজ্যাক করার চেষ্টা করা হয়েছে৷

পুলওয়ামার জঙ্গী হামলার পর ভারতে বিমান ছিনতাইয়ের হুমিক এসেছিল৷ যার ফলে শনিবারিই দেশের সমস্ত বিমানবন্দরে বাড়তি সর্তকতা জারি করা হয়েছে৷ এরকম অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে বিমান ছিনতাই করে ভারতে জঙ্গি হামলার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না ওয়াকিবহাল মহল৷ স্বাভাবিকভাবেই দেশের সীমান্ত বরাবর বাড়তি সর্তকার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ৷

সেপ্টেম্বর ১১, ২০০১ মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদা কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে পরপর তিনটি সন্ত্রাসী হামলা চালায়। যদিও আলকায়দার প্ল্যান ছিল মোট চারটি আক্রমণের৷ একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়৷ ১১ই সেপ্টেম্বর ২০০১, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নর্থ টাওয়ার দিয়ে শুরু করে সাউথ টাওয়ার এবং পেন্টাগন হাউসে বিমান নিয়ে হামলা চালিয়েছিল আলকায়দা জঙ্গীরা৷

এবং এই চারটি প্লেনই তারা হাইজ্যাক করেছিল আমেরিকা থেকেই৷ ওই আক্রমনের ২,৯৯৭ জন নিহত এবং ৬,০০০ এর অধিক মানুষ আহত হয়৷ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি সম্পদ৷ স্বভাবতই প্রতিবেশি বাংলাদেশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার খবরে ভারতে বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন অনুভব করছেন ওয়াকিবহাল মহল৷

পুলওয়ামাতে জঙ্গী হামলার পরও দেশের অন্যান্য জায়গাতে আবারও হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছে একাধিক জঙ্গী সংগঠন৷ একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুসার গতবছর ডিসেম্বর পাকিস্তান থেকে ২১জনের একটি জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গী দল কাশ্মীরে প্রবেশ করেছে যার মধ্যে তিনজন আত্মঘাতী জঙ্গীও রয়েছ৷ কাশ্মীর ভ্যালিতে একটি এবং দেশের অন্য জায়গাতে আরও দুটি হামলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের৷

——- —-

বিমান ছিনতাইকারীকে খতম করে বাংলাদেশ কমান্ডোরা

ঢাকা:  ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের বিজি ১৪৭ ফ্লাইট ছিনতাইকারী মাহদিকে খতম করল বাংলাদেশ কমান্ডোরা। নিজের স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলার দাবি জানিয়ে ছিলেন মাহদি। শুধু তাই নয়, এজন্যেই বিমান ছিনতাইয়ের উদ্যোগ নেয় মাহদি। এমনটাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যানতে পেরেছে বলে জানা গিয়েছে।

আজ রবিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে আইএসপির জানায়, অভিযানের পর ছিনতাইকারীকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

যদিও সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, প্রথমে ছিনতাইকারী অভিযানে আহত হয়েছে। পরবর্তীতে বাহিরে মারা যায়। এতে বলা হয়, বিমানে ক্রুসহ ১৪৮ জন যাত্রী ছিল। তারা সবাই নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন।

এর আগে ৮টা দিকে সিভিল অ্যাভিয়েশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ৭টা ১৭ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করে। এটি শেষ হয় ৭টা ২৫ মিনিটে। এ সময় ছিনতাইকারীকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, আটক আহত ছিনতাইকারী সুস্থ হলে তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে।
তবে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিমানটির সব যাত্রী ও ক্রু সুস্থ রয়েছে।

——- —-

নায়িকার প্রেমে হাবুডুবু খেয়েই বিমান ছিনতাই করার চেষ্টা করে সাগর?

ঢাকাঃ  বড়সড় নাশকতা এড়াল বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সঙ্কটের অবসান ঘটল। যে ব্যক্তি বাংলাদেশের বিমানটিকে আটকে রেখে ছিলেন, কমান্ডো অভিযানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে আটক করা হয়েছে। আজ রবিবার সন্ধ্যায় দুই ঘণ্টার নাটকীয়তার পর ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে খবর নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান।

ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে বাংলাদেশ পুলিশ-প্রশাসন। অভিযুক্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, প্রেমে ধোঁকা খেয়েই এভাবে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে ওই অভিযুক্ত।

বাংলাদেশ-প্রতিদিনে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, চট্টগ্রামে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী ঢালিউডের এক নায়িকার ব্যর্থ প্রেমিক। ওই যুবকের নাম সাগর।

রবিবার বিকালে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১৪৭ নং ফ্লাইটটি দুবাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানে সাগর অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছে বুঝতে পেরে যাত্রীরা পাইলটকে অবহিত করলে তিনি দ্রুত বিমানটি অবতরণ করেন।

অন্যদিকে, ঘটনার পর পুরো বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের আকাশেও বিশেষ সুরক্ষা বলয় তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ এয়ারফোর্সকে তৈরি রাখা হয়েছে। বিশেষ করে এই ঘটনার পরেই এয়ারফোর্সের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ঢাকার আকাশে চক্কর কাটছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী কোনও বিপদের কথা ভেবেই বাংলাদেশ প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

——- —-

পরবর্তী আশঙ্কার কথা ভেবেই বাংলাদেশের আকাশে উড়ছে যুদ্ধবিমান?

ঢাকাঃ  বড়সড় নাশকতা এড়াল বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সঙ্কটের অবসান ঘটল। যে ব্যক্তি বাংলাদেশের বিমানটিকে আটকে রেখে ছিলেন, কমান্ডো অভিযানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে আটক করা হয়েছে। আজ রবিবার সন্ধ্যায় দুই ঘণ্টার নাটকীয়তার পর ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে খবর নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান।

ঘটনার পর পুরো বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের আকাশেও বিশেষ সুরক্ষা বলয় তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ এয়ারফোর্সকে তৈরি রাখা হয়েছে। বিশেষ করে এই ঘটনার পরেই এয়ারফোর্সের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ঢাকার আকাশে চক্কর কাটছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী কোনও বিপদের কথা ভেবেই বাংলাদেশ প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, এদিন বিকেলে ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের একটি বিমান দুস্কৃতিরা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে বলে খবর আসে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। যদিও পরিস্থিতি বেগতিক দেকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের জরুরি অবতরণ করা হয়। ঘটনার খবর পেয়েই শাহ আমানত বিমানবন্দরের রানওয়ে ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জানা যায়, বিমানের বিজি-১৪৭ নম্বর ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওড়ার কিছুক্ষণ পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এরপরই দ্রুত ফ্লাইটের সব যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। বিমানটি রানওয়েতে অবস্থান করে এবং মুহূর্তে সেটি ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

শুধু তাই নয়, বিমানে থাকা বন্দিদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের কমান্ডোরা। সেই সময় জানা যায়, বিমানের মধ্যে থাকা ক্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে চায়। কিন্তু কি কথা সে বলতে চায় সে বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করে না। ফলে যে করেই হোক ওই দুস্কৃতীকে হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করেন বাহিনী। অবশেষে বাংলাদেশের পাতা ফাঁদে পড়ে যায় ওই দুষ্কৃতি। প্রাণে না মারলেও তাকে আহত করে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় ওই দুষ্কৃতিকে।

——- —-

সঙ্কটের অবসান: অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরল বাংলাদেশ কমান্ডো

ঢাকাঃ  বড়সড় নাশকতা এড়াল বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সঙ্কটের অবসান ঘটল। যে ব্যক্তি বাংলাদেশের বিমানটিকে আটকে রেখে ছিলেন, কমান্ডো অভিযানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে আটক করা হয়েছে। আজ রবিবার সন্ধ্যায় দুই ঘণ্টার নাটকীয়তার পর ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে খবর নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান।

ঘটনার পর পুরো বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিন বিকেলে ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের একটি বিমান দুস্কৃতিরা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে বলে খবর আসে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। যদিও পরিস্থিতি বেগতিক দেকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের জরুরি অবতরণ করা হয়। ঘটনার খবর পেয়েই শাহ আমানত বিমানবন্দরের রানওয়ে ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জানা যায়, বিমানের বিজি-১৪৭ নম্বর ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওড়ার কিছুক্ষণ পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এরপরই দ্রুত ফ্লাইটের সব যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। বিমানটি রানওয়েতে অবস্থান করে এবং মুহূর্তে সেটি ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

শুধু তাই নয়, বিমানে থাকা বন্দিদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের কমান্ডোরা। সেই সময় জানা যায়, বিমানের মধ্যে থাকা ক্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে চায়। কিন্তু কি কথা সে বলতে চায় সে বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করে না। ফলে যে করেই হোক ওই দুস্কৃতীকে হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করেন বাহিনী। অবশেষে বাংলাদেশের পাতা ফাঁদে পড়ে যায় ওই দুষ্কৃতি। প্রাণে না মারলেও তাকে আহত করে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় ওই দুষ্কৃতিকে।

——- —-