দেশে তৈরি AK 203 হামলা চালাতে প্রস্তুত : নির্মলা সীতারমণ

নয়াদিল্লি: দেশের সেনাবাহিনীর হাতে উঠতে চলেছে অত্যাধুনিক AK 203 রাইফেল৷ উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে তৈরি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির এই রাইফেল নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ৷

শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন এটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ইনসাস রাইফেল, যা সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবে৷ সেনার দক্ষতাকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুলতে ইন্ধন যোগাবে৷ এই রাইফেলের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন তিনি৷ তাঁর মতে এই AK-203 রাইফেলটি কালাশনিকভ সিরিজের রাইফেলের আধুনিক সংস্করণ৷

– Advertisement –

অত্যাধুনিক এই রাইফেলের প্রযুক্তি পেতে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার চুক্তিও হয়েছে৷ চুক্তি অনুসারে ভারতে প্রায় ৭ লক্ষ ৫০ হাজার রাইফেল তৈরি হবে। এবং এই রাইফেল তৈরি হচ্ছে আমেঠিতে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর আগে জানান, AK-203 আমেঠির নতুন পরিচয় তৈরি করবে৷ AK-203 রাইফেল তৈরি হওয়ার পর AK সিরিজের বিগত মডেলের রাইফেলগুলি সেনার কাছ থেকে নিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সেই পুরোন মডেলের রাইফেল পাবেন আধা সেনা জওয়ানরা৷

AK 203 রাইফেলটি সম্পর্কে বলা হয়েছে এর থেকে মিনিটে ৬০০ রাউন্ড গুলি চলবে৷ অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ১০টি গুলি চলবে। এই রাইফেলের বাট ভাঁজ করে বা লম্বা করে রাখা যায়। এমনকী এই রাইফেলে টেলিস্কোপ যুক্ত করার প্রযুক্তি সংযোজন করা হয়েছে৷ এক একটি রাইফেলের ওজন কমিয়ে করা হয়েছে ৩.৮৫ কেজি। ৩০০ মিটার পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম এই AK 203৷

উল্লেখ্য ভারত সরকার AK 103 রাইফেল নেওয়ার পরিকল্পনা করছিল৷ তবে তার জায়গায় এবার AK 203 নেওয়ার বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কথা বয়ে গিয়েছে৷ এই বিষয়ে আমেঠিতে সভা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান৷ আমেঠিতে এই রাইফেল তৈরি করা হবে বলেও জানানো হয়৷

এই সভায় রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,” কিছু মানুষ শুধু মেড ইন জয়পুর, মেড এন ইন্দোরের কথা বলে৷ তবে আমনরা মেড ইন আমেঠিকে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি৷”

কালভারির পর নৌসেনার শক্তিবৃদ্ধিতে ভারতে আসছে INS Khanderi

নয়াদিল্লি: ভারতের নৌসেনার শক্তিবৃদ্ধি করতে এবার যুক্ত হতে চলেছে নয়া সাবমেরিন, আইএনএস খান্দেরি৷ আগামী এপ্রিলেই এটি নৌসেনায় আসবে বলে জানা গিয়েছে৷ এটি নৌ সেনার দ্বিতীয় স্করপিন শ্রেণির সাবমেরিন৷টর্পেডো এবং অ্যান্টি-শিপ মিসাইল ব্যবহার করে হামলা চালাতে সক্ষম এই সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজটি।

ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বেশ কয়েকটি স্করপেন ক্লাস সাবমেরিন তৈরি করেছে ভারত। এবার দ্বিতীয় স্করপেন ক্লাসের এই সাবমেরিন আইএনএস খান্দেরি নৌসেনার হাতে আসতে চলেছে। এর আগে, দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকেই ভারতীয় নৌসেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে নৌবাহিনী দেশের নিরাপত্তার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবে। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার জন্য সমুদ্রে মোতায়েন করা হয়েছে স্করপিন ক্লাস সাবমেরিন আই এন এস কালভারি। এবার সমুদ্রসীমাকে কয়েকগুণ বেশি শক্তিশালী করতে জোর দেওয়া হচ্ছে সাবমেরিনগুলির ওপর৷

– Advertisement –

প্রসঙ্গত, পুলওয়ামাতে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার পর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাক অধিকৃত বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা৷ বহু জঙ্গি নিকেশ হয় বলেও খবর পাওয়া যায়৷ এরপরই ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কখনও পাক বিমান এফ-১৬, কখনওবার পাক ড্রোন প্রবেশের চেষ্টা করে, যদিও সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়ে যায় শত্রুপক্ষের ছক৷ বায়ুসেনা গুঁড়িয়ে দেয় পাক বিমান, পাক ড্রোন৷ স্থল এবং আকাশের সঙ্গে সঙ্গে জলপথেও শত্রুপক্ষ হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে৷

গত মঙ্গলবার ভারতের নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লান্বা সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, জলপথকে হাতিয়ার করে হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা, আর এজন্য তাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে ভারতও যে প্রস্তুত সে কথা আগেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিন সেনাপ্রধান৷ তাই সেক্ষেত্রেও যাতে যোগ্য জবাব দেওয়া যায় সেই পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে৷

কালভারির পর নৌসেনার শক্তিবৃদ্ধিতে ভারতে আসছে INS Khanderi

নয়াদিল্লি: ভারতের নৌসেনার শক্তিবৃদ্ধি করতে এবার যুক্ত হতে চলেছে নয়া সাবমেরিন, আইএনএস খান্দেরি৷ আগামী এপ্রিলেই এটি নৌসেনায় আসবে বলে জানা গিয়েছে৷ এটি নৌ সেনার দ্বিতীয় স্করপিন শ্রেণির সাবমেরিন৷টর্পেডো এবং অ্যান্টি-শিপ মিসাইল ব্যবহার করে হামলা চালাতে সক্ষম এই সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজটি।

ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বেশ কয়েকটি স্করপেন ক্লাস সাবমেরিন তৈরি করেছে ভারত। এবার দ্বিতীয় স্করপেন ক্লাসের এই সাবমেরিন আইএনএস খান্দেরি নৌসেনার হাতে আসতে চলেছে। এর আগে, দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকেই ভারতীয় নৌসেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে নৌবাহিনী দেশের নিরাপত্তার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবে। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার জন্য সমুদ্রে মোতায়েন করা হয়েছে স্করপিন ক্লাস সাবমেরিন আই এন এস কালভারি। এবার সমুদ্রসীমাকে কয়েকগুণ বেশি শক্তিশালী করতে জোর দেওয়া হচ্ছে সাবমেরিনগুলির ওপর৷

– Advertisement –

প্রসঙ্গত, পুলওয়ামাতে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার পর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাক অধিকৃত বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা৷ বহু জঙ্গি নিকেশ হয় বলেও খবর পাওয়া যায়৷ এরপরই ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কখনও পাক বিমান এফ-১৬, কখনওবার পাক ড্রোন প্রবেশের চেষ্টা করে, যদিও সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়ে যায় শত্রুপক্ষের ছক৷ বায়ুসেনা গুঁড়িয়ে দেয় পাক বিমান, পাক ড্রোন৷ স্থল এবং আকাশের সঙ্গে সঙ্গে জলপথেও শত্রুপক্ষ হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে৷

গত মঙ্গলবার ভারতের নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লান্বা সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, জলপথকে হাতিয়ার করে হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা, আর এজন্য তাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে ভারতও যে প্রস্তুত সে কথা আগেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিন সেনাপ্রধান৷ তাই সেক্ষেত্রেও যাতে যোগ্য জবাব দেওয়া যায় সেই পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে৷

দেশের নিরাপত্তায় সমুদ্রে নামল নৌসেনার আইএনএস কালভারি

শ্রীনগর: গত এক সপ্তাহে সীমান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে কোনও সম্ভাবনাই আর উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অভিনন্দন ভারতে ফিরে আসার পর উত্তেজনা কিছুটা স্তিমিত হলেও নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না ভারত।

দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকেই ভারতীয় নৌসেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে নৌবাহিনী দেশের নিরাপত্তার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবে। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার জন্য সমুদ্রে মোতায়েন করা হয়েছে স্করপিন ক্লাস সাবমেরিন আই এন এস কালভারি।

সেনা অফিসাররা জানাচ্ছেন এখনও সীমান্তের আশেপাশে পাকিস্তানের আনাগোনা জারি আছে। তাই যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি আছে সেনাবাহিনী। শুধু কাশ্মীর নয়, গুজরাত কিংবা পাকিস্তানের সীমান্তেও আটক করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীকে। যে কোনও সময় জঙ্গি হামলা অথবা সীমান্ত পর করে পাক হানার সম্ভাবনা এখনও অটুট।

– Advertisement –

ভারতের তিন সেনাপ্রধান আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য তাঁরা প্রস্তুত৷ সীমান্ত এলাকাগুলিতে সতর্কতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে৷ শনিবার পুঞ্চ এবং রাজৌরিতে ৪০০ অতিরিক্ত বাংকার মোতায়েনের সম্মতি দেয় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন৷ গত পাঁচ দিন ধরে এই দুই এলাকাকে টার্গেট করে শেলিং করেই চলেছে পাক সেনা৷ তাই বাড়তি সতর্ক ভারতীয় সেনা-জওয়ানরা৷

ভারতের Spice বোমায় কি অবস্থা বালাকোটের? দেখুন স্যাটেলাইট ইমেজ

নয়াদিল্লি: বালকোটে এয়ার স্ট্রাইক হয়েছিল ঠিক ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে। বিভিন্ন সূত্রে ৩০০ জঙ্গির মৃত্যুর দাবি করা হয়। সেই বিষয়ে ওঠে বহু প্রশ্ন। এখনও বিরোধীদের আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে সরকার। কোনও সংখ্যা প্রকাশ না করলেও এয়ার স্ট্রাইকের প্রমাণ দিয়েছে বায়ুসেনা। সূত্রের খবর সরকারের হাতে সেই প্রমাণ তুলে দিয়েছে এয়ার ফোর্স।

তবে প্রাক্তন সেনা অফিসারের প্রকাশ করা কিছু স্যাটেলাইট ইমেজে এয়ার স্ট্রাইকের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা বোঝা না গেলেও ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে বেশ কিছু মাদ্রাসার ছাদে পড়েছিল বোমা। The Print পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেই ছবি।

একটি ইমেজে দেখা যাচ্ছে, একটি ছাদে চারটি কালো দাগ। অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল বিনায়ক ভাট লিখেছেন, এই দাগগুলি দেখে অনুমান করা হচ্ছে, ভারতের হাতে থাকা স্মার্ট বোমা জঙ্গিঘাঁটির ছাদে কয়েকটা ফুটো করেছিল, যা পরে সারিয়ে দিয়েছে তারা। ছবিতে তেমন ধ্বংসের ছবি দেখা না গেলেও, বোমা হামলা যে হয়েছে তা ছবি থেকে স্পষ্ট।

– Advertisement –

স্ট্রাইকের আগে ও পরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে কয়েকটি তাঁবু উধাও হয়েছে। 17m x 6m আকারের দুটি তাঁবু ছিল। ৪ মার্চে তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সেসব তাঁবু নেই। এগুলি এয়ার ফোর্সের বোমায় নিশ্চিহ্ন হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। স্ট্রাইকের ঠিক পাঁচদিন বাদে ছবিগুলি তোলা হয়েছে।

প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে মেন বিল্ডিং-এর মাথায় চারটি কালো দাগ। এয়ার ফোর্স বলছে, ইজরায়েলের স্পাই্স-২০০০ বোমা ফেলা হয়েছে। প্রাক্তন এই অফিসারের মতে, এমন বোমা ফেলা হয়েছিল যা ছাদে চারটি ফুটো করে ভিতরে গিয়ে ফেটেছে। ক্ষতিটা ভিতরে হয়েছে। যদিও স্পাই্স-২০০০ বোমা ফেললে ছাদ উড়ে যাওয়ার কথা। তাই অনুমান করা হচ্ছে একানে অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী বোমা ফেলা হয়েছিল।

ছবিগুলি থেকে আরও অনুমান করা হচ্ছে যে বোমার সঙ্গে ‘fuel air explosive’ ব্যবহার করেছিল বায়ুসেনা।

তৃতীয় ছবিতে দেখা যাচ্ছে পাহাড়ের গায়ে পুড়ে যাওয়ার দাগ। যেগুলি বোমার দাগ নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। হতে পারে, বায়ুসেনার ছোঁড়া বিস্ফোরক ওয়াহেড, যেগুলি পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছিল।

অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল বিনায়ক ভাট সেনাবাহিনীর একজন স্যাটেলাইট ইমেজ বিশেষজ্ঞ। তিনি The Print পত্রিকার হাতে এই তথ্য তুলে দিয়েছেন। ইমেজগুলি তিনিই বিশ্লেষণ করেছেন।

এবার সুখোই বিমানে মোতায়েন করা হবে ইজরায়েলের Spice বোমা

নয়াদিল্লি: ঠিক এক সপ্তাহ আগেই পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে যুদ্ধবিমান থেকে বোমা বর্ষণ করে এসেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সূত্রের খবর, বায়ুসেনার মিরাজ বিমানে ছিল ইজরায়েলের Spice-2000 বোমা। সেই বোমাই ফেলা হয় বালাকোটের জঙ্গিঘাঁটিতে। এবার অত্যাধুনিক এই বোমা ব্যবহার করা হবে সুখোই বিমানে।

সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, বর্তমানে কেবলমাত্র মিরাজ বিমানেই ওই ইজরায়েলি বোমা মোতায়েন করা আছে। তবে আগামিদিনে বায়ুসেনাকে আরও বেশি শক্তিশালী করার জন্য Su-30 বিমানে মোতায়েন করা হবে ওই বোমা। সম্প্রতি গগনশক্তি মহড়ায় এই সুখোই বিমানে এই বোমা ব্যবহার করে সাফল্যও পেয়েছে বায়ুসেনা।

সরকারের একটি সূত্র বলছে, বছর কয়েক আগে ইজরায়েল থেকে অন্তত ২০০টি বোমা আমদানি করেছিল ভারত। ইতিমধ্যেই সুখোই থেকে এই বোমা ব্যবহার করেও দেখা হয়েছে। আরও কয়েকবার ট্রায়াল দেওয়ার পর সুখোইতে এও বোমা রাখা হবে। এই বোমার মাধ্যমে স্যাটেলাইট ছবি থেকে টার্গেট ঠিক করে সেখানে আগাত করতে পারে।

বর্তমানে ভারতের কাছে সুখোইয়ের তিনটি স্কোয়াড্রন রয়েছে। এবছরের শেষে আরও ২০টি এয়ারক্রাফট যোগ দেওয়ার কথা।

——- —-

F-16 কে টক্কর দেওয়ার মহড়া মমতার বাংলা থেকেই পেয়েছে MiG-21

কলকাতা: বাংলার আকাশে F-16 কখনও উড়তে দেখেছেন? মেদিনীপুরের বাসিন্দারা অবশ্যই দেখেছেন৷ একটু মনে করে দেখুন৷ মনে পড়ে যাবে৷ শুধু F-16 -ই নয় MiG-21 কেও F-16 এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উড়তে দেখেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর, বিশেষকে খড়গপুর এলাকার মানুষ৷

ফি-বছর বায়ুসেনার খড়গপুরের কলাইকুণ্ডা বিমানঘাঁটিতে উড়তে দেখা যায় F-16 এবং MiG-21 কে ৷ এমনকি অবাক করে দেওয়া তথ্য এই যে, একসঙ্গেই যুদ্ধাভ্যাস করে এই দুই যুদ্ধবিমান৷ অনেকেই অবাক হবেন পাকিস্তান বায়ুসেনার সেরা অস্ত্র F-16 যুদ্ধবিমান ভারতীয় সিগের সঙ্গে কেন যুদ্ধাভ্যাস করবে?

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সিঙ্গাপুর বিমান বাহিনীর F-16 যুদ্ধবিমান ভারতের MiG-21বিমানের সঙ্গে যুদ্ধাভ্যাস করে কলাইকুণ্ডা বিমানঘাঁটিতে৷ কারণটা স্বাভাবিক৷ সিঙ্গাপুরের মাটিতে F-16 বিমানের যুদ্ধাভ্যাস করার জায়গা নেই৷ সেক্ষেত্রে ভারতীয় বিমানবাহিনীর সঙ্গে তাদের যুদ্ধাভ্যাস সুবিধাজনক৷

এক্ষেত্রে, ভারতেো স্বার্থ রয়েছে৷ শত্রুপক্ষের সেরা বিমানের সঙ্গে যুদ্ধাভ্যাস করার সোনার সূযোগ রয়েছে এই জায়গায়৷ তার উপর, F-16 চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান৷ কলাইকুণ্ডা বিমানঘাঁটিতে যে দুই স্কোয়াড্রন MiG-21 থাকে সেই বিমানগুলিকেই F-16 এর সঙ্গে যুদ্ধাভ্যাস করতে পাঠানো হয়৷

ভারতের এয়ার সার্জিকাল স্ট্রাইকে কতজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে – সেই প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই তথ্যটি যেমন সত্য, তেমনই সত্য কথা – মমতা রাজ্যেই F-16 এবং MiG-21 একসঙ্গে যুদ্ধাভ্যাস করে এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলটদের কাছে F-16 কোনও নতুন বিমান নয়৷

এই কারণেই MiG-21 দিয়ে খুব সহজেই F-16 -কে খতম করতে পেরেছে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান চালকরা৷ অভিনন্দনও বর্তমানও MiG-21 এর মত তৃতীয় প্রজন্মের বিমান নিয়েই F-16 কে তাড়া করে ভারত ছাড়া করেছিলেন৷ F-16 -কে পাত্তাও দেননা ভারতীয় যুদ্ধ বিমানচালকরা৷ কারণ F-16 হল পরিচিত শত্রু৷ সে কী করতে পারে তা জানা আছে MiG-21 এরও৷

——- —-

ভারতীয় সেনার হাতে আসছে সাড়ে সাত লক্ষ AK-203

নয়াদিল্লি: ভারতীয় সেনার হাতে এবার একে-৪৭ এর বদলে আসছে একে -২০৩। তুলে দেওয়া হবে অ্যাসল্ট রাইফেল। পিএমও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীকে এই খবর জানায়। এএনআই এর খবর অনুযায়ী ভারত সরকার রুশ কোম্পনির সঙ্গে মিলে যৌথভাবে একে ৪৭-এর আধুনিক ভার্সান একে -২০৩ তৈরি করবে৷

জানা যাচ্ছে, প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ একে-২০৩ রাইফেল তৈরি করা হবে৷ এই রাইফেল রাশিয়ার কোম্পানির সঙ্গে ভারতের সঙ্গে মিলে অর্ডিন্যান্স কারখানাতে তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে৷ ভারতীয় সেনার কাছে এবার এই রাইফেল থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া বয়েছে বলে সূত্রের খবর৷

এর আগে ভারত সরকার একে-১০৩ রাইফেল নেওয়ার পরিকল্পনা করছিল৷ তবে তার জায়গায় এবার একে ২০৩ নেওয়ার বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কথা বয়ে গিয়েছ৷ এই বিষয়ে রবিবার আমেঠিতে সভা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান৷ আমেঠিতে এই রাইফেল তৈরি করা হবে বলেও জানানো হয়৷ এই সভায় রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,” কিছু মানুষ শুধু মেড ইন জয়পুর, মেড এন ইন্দোরের কথা বলে৷ তবে আমনরা মেড ইন আমেঠি কে সাকার করার চেষ্টা করছি৷”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান আমেঠিতে অত্যাধুনিক রাইফেল একে-২০৩ তৈরি করা হবে৷ এই রাইফেলের সাহায্যে ভারতীয় সেনা কে আরও মজবুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও সভায় জানান তিনি৷ এই অত্যধুনিক রাইফেল একে-৪৭ আমেঠির নতুন পরিচয় তৈরি করবে৷

——- —-

প্রস্তুত ভারতীয় সেনা, অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল নিয়ে চলছে মহড়া

নয়াদিল্লি: একদিকে যেখানে ভারত-পাক সম্পর্কে চলছে টানাপোড়েন, অন্যদিকে সেখানেই যে কোনওরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে নয়াদিল্লি৷ শনিবার ভারতীয় সেনাবাহিনী অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল(ATGW) মহড়ায় নামে৷ সেনার ইস্টার্ন কমান্ড লাইভ ফায়ার ট্রেনিং এক্সারসাইজ করে৷ সশস্ত্র সামরিক যানকে গুঁড়িয়ে দিতেই তৈরি ATGW.

সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও নতুন নতুন সামরিক যন্ত্র যুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ এর মধ্যে অন্যতম M777 howitzers এবং K-9 Vajra. রয়েছে Surface Mine Clearing System (SMCS).
প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় শহিদ হন ৪০ সিআরপিএফ জওয়ান৷ এর দায় স্বীকার করে জইশ জঙ্গি সংগঠন৷ ১২ দিনের মাথায় পাক অধিকৃত বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করে যার জবাব দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা৷ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বহু জইশ জঙ্গি ঘাঁটি৷

তবে এখানেই শেষ নয়৷ গতগত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ভারতের আকাশসীমান লঙ্ঘন করে ঢুকে পড়ে পাক বিমান৷ এই পাক বিমানকে তাড়া করতে গিয়ে অধিকৃত কাশ্মীরের মাটিতে পড়ে ভারতের মিগ বিমান। পাক সেনা বন্দি করে ভারতের উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে। তারপর ৫৫ ঘণ্টা চরম উৎকন্ঠায় কাটে ভারতের। অবশেষে শুক্রবার দেশে ফেরেন তিনি।

কিন্তু দুই দেশের সম্পর্কের চরম অবনতি যে খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হবে না এমনটাই মনে করছে অনেকে৷ সেখানে ভারত শত্রুপক্ষকে জবাব দিতে প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে৷ ভারতের তিন সেনা প্রধান আগেই জানিয়েছিলেন যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত৷ পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রী দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ২৭০০ কোটির নয়া সামরিক উপকরণে ক্রয়েও অনুমতি দিয়েছেন৷ আর এমতাবস্থায় শনিবার অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল মহড়ায় নামে ভারতীয় সেনা৷

——- —-

সীমান্তে অশান্তির জেরে Z plus নিরাপত্তা দেওয়া হল নেভি ও এয়ার ফোর্স চিফকে

নয়াদিল্লি: ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা গত কয়েকদিনে চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। শুক্রবার ভারতীয় পাইলট অভিনন্দন মুক্তি পেলেও সীমান্তে অশান্তি এখনও জারি। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হল বায়ুসেনা ও নৌসেনা প্রধানের।

এখন থেকে ভারতের বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীর প্রধান পাবেন জেড-প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা। তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা বাড়তেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেনাপ্রধান আগে থেকেই এই নিরাপত্তা পান।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে বায়ুসেনা প্রধান এয়ার মার্শাল বিএস ধানোয়া ও চিফ অফ নেভাল স্টাফ অ্যাডমিরাল সুনীল লান্বার নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়। সরকারি এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বায়ুসেনা প্রধান ও নৌবাহিনীর প্রধানকে জেড প্লাস নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

জেড প্লাস সিকিউরিটির সঙ্গে বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীর প্রধানের সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কমান্ডোদের নিরাপত্তাও বহাল থাকবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে কেন্দ্র ও রাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলির পেরিফেরিয়াল নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করবে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় নারকীয় জঙ্গি হামলায় ৪০ জওয়ানের মৃত্যুর পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

পুলওয়ামার হামলার পর থেকেই শুরু হয় উত্তেজনা। বায়ুসেনা সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালাতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে ঢুকে বালাকোটে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রশিক্ষণ শিবিরে এয়ার স্ট্রাইক করে। এর পরের দিন পাকিস্তানও এফ ১৬ সহ ২৪ টি যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু ভারতীয় বাহিনীর তাড়া খেয়ে বিমানগুলি ফিরে যায়। এরমধ্যে একটি এফ ১৬ বিমান ধ্বংস করে দেয় ভারতীয় বাহিনী।

——- —-