ফোসকা সারানোর সহজ উপায়

দেখতে দেখতে পুজো চলে এলো৷ শপিং তো শুরু হয়ে গিয়েছে সকলের৷ জামা, জুতো সময় নিয়ে ভির ঠেলে কিনছেন৷ কিন্তু সেই ভির ঠেলে পুজোয় ঠাকুর দেখতে যাওয়ার সময় নাজেহাল অবস্থা হয়৷ তার ওপর নতুন জুতো হলে তো আরোই সমস্যার ব্যাপার৷ পুজোর মধ্যে পায়ে ফোসকা পরে যায়৷ পুজো বাকি দিনগুলো আর ঠিক করে ঘোরা যায় না৷

ফোসকা পরলে দগদগে ঘা হয়ে যায়৷ আর তাতে সেই জায়গাটা জ্বলতে থাকে৷ এই জ্বালা দূর করতে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন৷ জেল না থাকলে অ্যালোভেরা পাতা নিয়ে সরাসরি ঘষতে পারেন৷ এতেও অনেকটা জ্বালার হাত থেকে মুক্তি পাবেন৷ জেলটা শুকিয়ে গেলে ইষদোষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷

নতুন জুতো পরার আগে পায়ে ভালো করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন৷ এতে আপনার পা স্লিপারি হয়ে যাবে ঠিকই কিন্তু ফোসকা আর পরবে না৷ আর ফোস্কা পরে গেলে তেল লাগিয়ে তারপরই জুতো পরুন৷ তাতেও ফোসকা সেরে যাবে৷

চালের গুড়ো দিয়ে ফোসকার দাগ তোলা যায়৷ দুই চামচ চালের গুড়োর সঙ্গে অল্প জল মিশিয়ে মিশ্রণটি ফোসকায় লাগান৷ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে গরম জলে ধুয়ে ফেলুন৷ কয়েক সপ্তাহ পরই আপনি ফল পাবেন৷

ফোসকা পরা জায়গাটায় বারবার মধু লাগিয়ে ঘষতে থাকুন৷ খুব দ্রুত ফোসকা শুকিয়ে যাবে৷

এক চামচ কর্পূরের সঙ্গে খানিকটা নারকেল তেল মিশিয়ে আপনার পায়ের ফোসকায় লাগিয়ে দিন৷ প্রতিদিন এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করুন৷ এতে আপনার ফোসকা সারবে৷ জ্বালাও করবে না৷

Advertisement

ওয়ার্ন্ড ফার্স্ট এড ডে উপলক্ষে একগুচ্ছ পরামর্শ চিকিৎসকদের

নয়াদিল্লি: লাগাম ছাড়া গাড়ি চালানো, আর তার জেরেই পথ দুর্ঘটনা৷ এরকম খবর প্রায়শই উঠে আসে সংবাদ শিরোনামে৷

তথ্য জানাচ্ছে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে রোড অ্যাক্সিডেন্টের পরিমান তুলনামূলক বেশি৷ গবেষণা জানাচ্ছে, ২০১৭ সালে ভারতে প্রতি দশ মিনিটে তিন জন পথ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন৷ আর এখান থেকেই উঠে আসে লাইফ সেভিং টেকনিকসের বিষয়টি৷

প্রত্যেক বছরই সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় শনিবার পালিত হয় ওয়ার্ন্ড ফার্স্ট এড ডে৷ চলতি বছরে দিনটিকে পালন করা হয়েছে ৮ সেপ্টেম্বর৷যদিও, দিনটি পালনের মূল লক্ষ্য থাকছে ফার্স্ট এড ট্রেনিংকে প্রচার করা৷ হঠাৎ পথ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে কী করবেন? অনেকেই হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন৷ কিন্তু, ঠিক কী করা উচিত সেই সময়ে, জেনে নিন উপায়গুলি৷

১) পথ দুর্ঘটনায় কেউ আহত হলে প্রথমে কোন ক্ষতস্থান রয়েছে কিনা পরীক্ষা করুন৷যদি, ক্ষতস্থান থাকে তৎক্ষণাত সেটিকে কাপড় অথবা হাতের তালু দিয়ে চেপে ধরে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করুন৷ যদি, আঘাত গুরুতর হয় তবে সঙ্গে সঙ্গে মেডিকাল হেল্প নিন৷

২) আহত ব্যাক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করুন৷ যদি অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তাহলে ব্যাক্তিকে চিত করে শুইয়ে দিন৷ অনেকসময় গলায় কোন কিছু আটকে গেলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়৷ সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে গলায় আটকে থাকা জিনিসটিকে সরিয়ে দিন৷ প্রাথমিকভাবে এইভাবেই চেষ্টা করুন৷ অথবা সাহায্য নিতে পারেন মাউথ টু মাউথ শ্বাস দেওয়ার প্রক্রিয়ার৷

৩) বেশীরভাগ সময়ই অ্যাক্সিডেন্ট হলে আহত ব্যাক্তির হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে৷ সেক্ষেত্রে, মানুষটিকে গরম রাখার চেষ্টা করুন৷ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা আঘাতের কারণে এই ধরণের লক্ষণ দেখা গিয়ে থাকে৷ তাই, হাতের সামনে টি-শার্ট, জ্যাকেট থাকলে সেটিকে ব্যবহার করুন৷

৪) পথ দুর্ঘটনার ঠিক পরেই কোন ব্যাক্তিকে খাওনোর চেষ্টা করবেন না৷ এতে হিতের বিপরীত ফলাফল হতে পারে৷ এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷

Advertisement

ত্বকের সমস্যায় হাজির চারটি ঘরোয়া পদ্ধতি

ত্বকের জ্বেল্লা বাড়াতে চান? দামী ক্রিম, লোশন কিনেও লাভ হচ্ছে না? ঘরোয়া পদ্ধতিতেই বাড়িয়ে তুলুন ত্বকের উজ্জ্বলতা৷ এক মাস পরই পুজো, ভাবছেন এত কম সময় সবকিছু হবে কী করে?

আর ঘরোয়া পদ্ধতি মানে সময় সাপেক্ষ৷ তবে তা একবারেই নয়৷ খুব কম সময়ের মধ্যেই ত্বকের সমস্ত সমস্যার সমাধান করবে এই হোমমেড রেমেডিসগুলি৷ ত্বকের জ্বেল্লার পাশাপাশি তৈলাক্ত ত্বক, ব্ল্যাকহেডস, ব্রুণের সমস্যা সবকিছুর উপায় রয়েছে৷

অয়লি স্কিন অর্থাৎ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বারতি আরও সমস্যা দেখা দেয় ত্বকে৷ তেলভাবের জন্য পিম্পল, কালচে দাগ, অ্যাকনে কত কী না হয়৷ তাই সবার আগে দরকার তৈলাক্ততা দূর করা৷ হলুদ থেত করে তাতে খানিকটা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে দিন৷ রোজ ব্যবহার করুন৷ মাস্কটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ কয়েক সপ্তাহে আপনি ফল পাবেন৷

মুখে ব্ল্যাকহেডস থাকলে দেখতে তো খারাপ লাগে আর আপনার কনফিডেন্সও হারিয়ে যায়৷ ব্ল্যাকহেডসের সমস্যায় অনেকেই চারকোল মাস্ক লাগান৷ এতে ভেতর থেকে ব্ল্যাকহেডস এবং ওয়াইটহেডস বের করে দেয় ঠিকই তবে কেমিকালের জন্য আপনার ত্বকে অল্প হলেও ক্ষতি করে৷ তাই ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন৷ ত্বকের যে যে জায়গায় ব্ল্যাক হেডস হয় সেখানে মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন৷ ৪০ মিনিট পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷

ত্বকের জ্বেল্লা ফিরিয়ে আনতে দুধ ব্যবহার করতে পারেন৷ এতে আপনার স্কিনকে নরম হবে৷ দুধের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে থকথকে পেস্ট বানান৷ সারারাত মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখলে ভালো তাছাড়া আপনার সুবিধা মতোও লাগাতে পারেন৷

ত্বকে ব্রুণের সমস্যা কমাতে দারচিনি খুব উপকারি৷ দারচিনি গুঁড়ো করে নিয়ে লাগিয়ে ফেলুন৷ কয়েক ঘন্টা লাগাবার পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ সপ্তাহে তিনবার করলেই যথেষ্ট৷ এতেই উপকার পাবেন আপনি৷ তবে এই পদ্ধতিতে ব্রুণ দূর করার আগে অবশ্যই ত্বকের ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নেবেন৷

Advertisement

নেলপলিশ মুছে ফেলুন রিমোভার ছাডা়ই

মেয়েদের সাজগোজের একটি বড়ো অংশ হল নেলপলিশ৷ এমন কোনও মহিলা নেই যে নেলপলিশ পছন্দ করেন না৷ লাল থেকে নীল কালো সবই মেয়েদের ফেভারিট রঙের লিস্টে৷ দোকানে দোকানে নেলপলিশ দেখলেই দাঁড়িয়ে যায় মেয়েরা৷ একের পর এক শেডস দেখতে শুরু করলে দোকান থেকে নড়াই মুশকিল৷ কিন্তু অনেকের পক্ষেই ঘন ঘন নেলপলিশ চেঞ্জ করা হয় না৷ কাজের ব্যস্ততার মাঝে বারবার তুলোয় রিমোভার লাগিয়ে পুরনো রঙ তুলে নতুন নেলপলিশ পড়া বেশ ঝক্কির৷ অন্যদিকে রিমোভার শেষ হয়ে গেলেও আর কিছু করার থাকে না৷

রিমোভার শেষ হয়ে গেলে যে আপনি নেলপলিশ তুলতে পারবেন না এমনটা নয়৷ নানা রকমের উপায় আছে নেলপলিশ তোলার৷

নখের ওপর সরাসরি ডিওডরেন্ট স্প্রে করে দিন৷ তারপর তুলো দিয়ে ঘষে তুলে নিন৷ একবারে রিমোভারের মতোই উঠে গিয়েছে৷ একবার স্প্রে করে না উঠলে দ্বিতীয় বার করতে পারেন৷ কিন্তু ডিওড্রেন্ট শুকনোর আগেই তুলে ফেলুন৷

ডিওড্রেন্টের মতই অন্যান্য পারফিউমও ব্যবহার করতে পারেন ডিওড্রেন্টের বদলে৷ তবে পারফিউমটা তুলোয় ঢেলে নিয়ে তবে ব্যবহার করুন৷

নেলপলিশ তুলতে টুথপেস্টও খুব কার্যকরী৷ মিন্ট দেওয়া টুথপেস্ট ব্যবহার করলে আরও ভালো৷ পুরনো একটি টুথব্রাশে অল্প টুথপেস্ট নিয়ে নখের উপর ঘষতে থাকুন৷ দেখবেন একেবারে নেলপলিশ উঠে গিয়েছে৷ তারপর নখটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন জল দিয়ে৷

হ্যান্ড স্যানিটাইজারও রিমোভারের ভালো কাজ করে৷ অথবা যেকোনও লিকুইড স্যানিটাইজার৷ এমনকি রিমোভারের চেয়ে দ্রুত কাজ করবে৷

হার্ডস্প্রে অথবা হেয়ারস্প্রেও নেলপলিশ তোলার কাজে ব্যবহার করতে পারেন৷ ডিওড্রেন্টের মতোই নখে স্প্রে করে ঘষে ফেলুন৷ পাতলা কাপড় বা তুলো কিংবা টিস্যু দিয়ে তুলে ফেলুন৷

Advertisement

লিভ-ইন সম্পর্কে মহিলারা কি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন?

বিশেষ প্রতিবেদন: খুব স্বাস্থ্যকর, সহজ -সরল লিভ ইন রিলেশনসিপ৷ দায়বদ্ধতা এখানে বলপূর্বক নয় বরং মন থেকেই৷ মনের আনন্দে ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে যখন ইচ্ছে, যতখুশি একই কুটীরে বাস৷ তাই ঝগড়া-ভালোবাসায় লিভ ইন সুপারহিট৷ তাও খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন অনিচ্ছাকৃতই ওঠে৷ আর তা হল- কতটা খুশি সেই মহিলা সঙ্গী? কোথাও কি দিনের শেষে একটা নিরাপত্তাহীনতা ভাবায় না? উত্তর খুজলাম আমরা৷

মনোবিদদের অনেকেই মনে করছেন চাকুরিরতা মহিলারা লিভ ইনে সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী৷ তাঁরা লিভ ইন সম্পর্কের নিরাপত্তা নিয়ে খুব বেশি ভাবিত নন৷ কারণ অবচেতনে কোথাও তিনি জানেন, আর্থিক নিরাপত্তা তাঁর হাতেই৷ মনোবিদ অনিন্দিতা রায়চৌধুরী জানাচ্ছেন, মেয়েদের নিরাপত্তাহীনতায় থাকতে সমাজই শেখায়৷ তাই চাকুরিরতা মহিলারাই লিভ ইনে বেশি সাবলীল৷

মাঝপথে পুরুষ সঙ্গী কোনও কারণে সরে গেলে সেই ধাক্কা নিতে তারা অনেকটাই প্রস্তুত৷ আবার মনোবিদ অনুত্তমা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টিকে ছেলে-মেয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না৷ সবকিছু জেনেই একটা লিভ ইন রিলেশন হয়৷ নিজস্ব রসায়নেই গড়ে ওঠে সহবাসের ভীত৷ সেথানে নিরাপত্তাহীনতার কোনও প্রশ্নই নেই৷ বরং ভালোবাসা এখানে অনেক বেশি উদার৷ বিয়ে করেও অনেক মহিলা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেই তিনি মনে করেন৷ তাঁর মতে, লিভ-ইন রসায়নে ছেলে -মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে বেশি ভাবেনই না৷

– Advertisement –

অবশ্য শুধু মহিলা নন, পুরুষরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন বলে মনে করেন মুম্বইয়ে কর্মরত রুদ্রনীল সেনগুপ্ত৷ দীর্ঘ লিভ ইন সম্পর্ক হঠাৎ ভাঙলে পুরুষরাও মারাত্মক মানসিক নিরাপত্তায় ভোগেন বলে মনে করেন রুদ্রনীল৷ তাই শুধু মহিলারাই প্রভাবিত হচ্ছে বলা ভুল৷ ভারতীয় সমাজে এখনও লিভ ইন সম্পর্কে ভুরু কোচাকানো চলছে৷ সবকিছু উপেক্ষা করে ছেলে-মেয়ে দুজনেই লিভ ইন সম্পর্কে আবদ্ধ হচ্ছেন৷ যতটা ঝুঁকি মহিলা নিচ্ছেন ততটাই সেই পুরুষ নিচ্ছেন৷

তাই নিরাপত্তাহীনতা বিষয়টিকে ভিন্ন না করে সাম্যতা দিতে আগ্রহী রুদ্রনীল৷ কিন্তু যদি লিভ ইন সম্পর্কে থাকার সময়ই গর্ভবতী হন সেই মহিলা? তাহলেও কী সেই সাম্যতা বজায় থাকে? শিক্ষিকা শাশ্বতী দত্ত রায় জানাচ্ছেন, লিভ ইন সম্পর্কে থাকা বেশিরভাগ মহিলা গর্ভবতী হলে তারা সাহসের সঙ্গে সমাজের মুখোমুখি হতে পারেন না৷ মনে মনে তাঁরা মধ্যবিত্ত সমাজের অলিখিত কিছু নিয়মকে মেনে চলেন৷ জন্ম নেওয়া সন্তানের বাবা যদি হঠাৎ চলে যান?

যদি অন্য কোনও মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক থাকে? এরকম নানা ভাবনা ভাবায় সেই মহিলাকে৷ তাই লিভ-ইন সম্পর্কে সেই সাহস প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি৷ যখন সমাজের সমস্ত নিয়মের মুখে চড় কষিয়ে ছেলে মেয়ে লিভ ইন সম্পর্কে যাচ্ছেন,তখন সেই সাহস ধরে রাখাও একান্ত প্রয়োজন৷ কারণ,‘শিশুর পিতা শিশুর অন্তরে’-উক্তি মাত্র৷ পিতৃপরিচয় হীন সন্তানকে বড় করার সাহস থাকলেই লিভ-ইনে যাক মহিলারা বলে মত শাশ্বতী দত্ত রায়ের৷

নিরাপত্তাহীনতা একটি মানসিক রোগ বলেও মনে করছেন অনেকে৷ লিভ-ইন সম্পর্ককে স্বাভাবিক ভাবে নেওয়া হোক৷ অযথা জটিল করার প্রয়োজন নেই বলেই মত তরুণ প্রজন্মের একাংশের৷
তাই, খোলামেলা অকপট সম্পর্কে আনুন সুস্থ মানসিকতা, নিরাপত্তাহীনতা নয়৷

Advertisement

মহিলাদের নির্জন দ্বীপে একা ঘুরুন নির্ভয়ে

পর্ণা সেনগুপ্ত: হারিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও মানা নেই৷ কিছু দায়বদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু তা তো কখনই প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায় না৷ মেয়েদের একা ঘোরার ক্ষেত্রে এখন বাধা কাটছে৷ যাবতীয় ভয় কাটিয়ে এখন একাই ঘুরতে যাচ্ছেন মেয়েরা৷

পারিবারিক বাধা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ক্রমশ কাটিয়ে উঠছেন তারা৷ কমবয়সি হোন বা বয়স্ক, বিবাহিতা হোন বা অবিবাহিতা, ভ্রমণপিপাসু অনেক মেয়েই এখন চান ঘুরতে গেলে শুধু মহিলাদের গ্রুপে যেতে, নয়তো একা যেতে৷

একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে সারা দেশের প্রায় ৪২ শতাংশ মহিলা এখন চান শুধু মহিলাদের দলে ঘুরতে যেতে। অন্য দিকে একা একাই ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ২৭ শতাংশ মহিলা।

– Advertisement –

মোট ৩০০ জন মহিলাকে নিয়ে করা এই সমীক্ষায় ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সি মহিলা এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সি মহিলারাই মূলত এই মত পোষণ করেছেন। সমীক্ষা বলছে বেড়াতে গেলে পুরুষরা চান সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিতে কিন্তু মহিলারা নিজের মতো করে মাতামাতি করতে চান৷ যত জন মহিলা উত্তর দিয়েছেন তার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ জানিয়েছেন, তাঁরা মহিলাদের দলেই ঘুরতে যান, আর ১৩ শতাংশ জানিয়েছেন তাঁরা একা একা ঘুরতে গেছেন। তবে যা পরিস্থিতি মহিলাদের একা ঘোরা কোনওভাবেই নিরাপদ বলে মনে করছেন না সমীক্ষকরা৷

নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শুধুমাত্র মহিলাদের বিলাসী অবসর যাপনের জন্য ফিনল্যান্ড উপকুলে তৈরি হয়েছে এক নতুন দ্বীপ। ফিনল্যান্ড সাগরে এই কৃত্রিম দ্বীপ ‘সুপারশি আইল্যান্ড’-এ কোনও পুরুষের প্রবেশাধিকার নেই।

এর কারগর এক মার্কিনী৷ ক্রিস্টিনা রথ নামের ওই মার্কিনীর এই পর্যটন প্রকল্প শুধুমাত্র মহিলাদের অবসর যাপনের জন্য। ভ্রমণে বেড়িয়ে নিজেকে ভুলে পুরুষ সঙ্গীর প্রতি মনোযোগ ব্যয় করেন অধিকাংশ মহিলা৷ তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই এই বিষয়টির প্রতি মনোযোগী হন ক্রিস্টিনা, এর পরেই মাথায় আসে কেবলমাত্র মহিলাদের জন্য পর্যটন রিসোর্ট তৈরির অভিনব আইডিয়া।

ক্রিস্টিনা বলেন, ছেলেদের প্রতি তার কোনো বিদ্বেষ নেই। তিনি ছেলে মেয়ে সবার সাথেই ছুটি কাটাতে ভালবাসেন৷ তবে শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য একটি ভ্রমণের ঠিকানা থাকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি৷ যেখানে সংসার-অফিসের যাবতীয় টেনশনমুক্ত হয়ে সতেজ হওয়া যাবে৷

তাই যেসব মহিলা একা ঘুরতে ভালবাসেন, পকেট বুঝে ঘুরে আসুন শুধুমাত্র ফিনল্যান্ড সাগরের উপরে গড়ে ওঠা এই দ্বীপটি থেকে৷ সুপারশি আইল্যান্ড রিসোর্টে থাকছে ১০টি গেস্ট কেবিন, একটি স্পা এবং বিবিধ অ্যাডভেঞ্চারের খোরাক। সেই সঙ্গে প্রতিদিন নানান ফিটনেস ও রান্নার কোর্স করার ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া রয়েছে যোগা ও মেডিটেশনের ক্লাস।
তাই দেরি কেন? সঙ্গে জুটিয়ে নিন গোটা চার-পাঁচেক বান্ধবী৷ আর ডানা মেলে উড়ে যান ফিনল্যান্ডের আকাশে৷

Advertisement

ঘামের গন্ধে মাতাল হয় বিষধর কালাচ!

শঙ্কর দাস, বালুরঘাট: সারাদিন কাজের পর যখন আপনি ক্লান্ত ঠিক তখনই মনে আসে আরামের ঘুমের কথা৷ কিন্তু সাবধান! এই আরামের ঘুম যেন চিরতরে আপনার জীবন কেড়ে না নেয় সেদিকে নজর রাখবেন৷ অনেকেই হয়তো জানেন না ক্লান্ত শরীরের ত্বক নিঃসৃত ঘামের গন্ধে নেশাতুর কালাচ সাপ৷ আপনার অজান্তেই সেই গন্ধ নিতে হাজির হবে আপনার বিছানায়৷

তাই, আরাম ঘুমের জন্য বিছানায় যাওয়ার আগে সাবধান। পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের কাছে এই ঘামের গন্ধ অসহ্য হলেও তা অন্য কাউকে যোগাচ্ছে নেশা। তাই অবশ্যই ঘুমিয়ে পড়ার আগে ভাল করে দেখে নিন বিছানা৷ মশারির ভেতর ভাল করে দেখুন কালাচ সাপ নেই তো। আর যদি ভাল করে না দেখেই গা এলালেন আপনার সাধের বিছানায়, আর সেখানেই ঘাপটি মেরে রয়েছেন তিনি৷ তবে যে কোনও সময় কালাচের কামড়ে মৃত্যু হতে পারে আপনার। কেও টেরও পাবে না৷ কারণ আদতে ভীষণ শান্ত স্বভাবের এই কালাচ৷ যার দংশনে নিমেষে অনিবার্য মৃত্যু।

আরও পড়ুন: বিজেপির ভোট বাড়ার পর নতুন করে কৃষ্ণভক্তি জেগেছে তৃণমূলের: সিপিএম

– Advertisement –

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে কালাচ সাপ উদ্ধারের ঘটনায় এমনই সাবধান বাণী শোনালেন উত্তরবঙ্গের বেলাকোবা রেঞ্জের বনাধিকারীক সঞ্জয় দত্ত। শুক্রবার সকালে রঘুনাথপুর এলাকার ফরেস্ট রোডে মদন চৌধুরীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় একটি কালাচ সাপ। সাপটিকে শোওয়ার ঘরে খাটের নীচে দেখতে পান পরিবারের লোকেরা। ফণাহীন সাপটিকে দেখে সকলে প্রথমাবস্থায় আশ্বস্ত হয়েছিলেন যে সেটির কোনও বিষ নেই। তবে পরে সর্প বিশারদদের কথা শুনে সকলের চক্ষু চড়ক গাছ। পরিবারের লোকেদের রক্ত হিম হয়ে যাওয়ার উপক্রম।

কালাচের উপস্থিতির খবর পেয়ে ফরেস্ট রোডের ওই বাড়িতে পৌঁছে প্রায় সাড়ে তিন ফিট লম্বা সাপটিকে উদ্ধার করেন সাপ প্রেমী মনজিৎ দেব। লোকালয়ে ঘরের ভেতর কালাচ উদ্ধারের ঘটনায় বৈকুণ্ঠপুর বেলাকোবা রেঞ্জের বনাধিকারীক সঞ্জয় দত্ত জানান যে খুবই শান্ত স্বভাবের হলেও সাপটির বিষ খুবই তীব্র। কাউকে কামড়ালে ব্যথা না হওয়ায় প্রথমাবস্থায় কেউ বুঝতেই পারবেন না যে তাঁকে সাপে দংশন করেছে। এমনকি কাটা জায়গা ফুলবেও না। থাকবে না কোনও অনুভূতিও। এই অবস্থায় অনেকের কাছেই সাপের কামড়ের ব্যাপারটি প্রথমে অজানাই থেকে যায়।

আরও পড়ুন: স্কুলে-কলেজে গীতা পাঠ করানোয় কোনও দোষ নেই: মন্ত্রী

তবে ধীরে ধীরে বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় গলা ও পেটের ব্যথা এমনকি অস্বস্তি বোধের মত লক্ষণগুলিও। সময়ে চিকিৎসার সুযোগ না হলে যার পরবর্তী পর্যায় মৃত্যু। কালাচকে কেউ কেউ ইন্ডিয়াম ক্রেট, কেউ আবার ব্ল্যাক ক্রেট এমনকি ঘামচিতি নামেও ডাকেন। মানুষের গায়ের ঘামের গন্ধ এদের খুবই প্রিয়।

ঘামের গন্ধের টানে এরা মাঠ ছেড়ে মানুষের শোওয়ার ঘরে রীতিমতো বিছানায় উঠে লুকিয়ে পড়ে। ঘুমের ঘোরে গায়ে হাত পা পড়লে তখনই কামড় বসিয়ে পালিয়ে যায়। পাশাপাশি বনাধিকারীক এ কথাও জানিয়েছেন যে, কোনও কিছুর কামড়ের ঘটনা ঘটুক না কেন। অহেতুক ভীত হওয়া নয়। ঠাণ্ডা মাথায় এক মুহূর্তও দেরি না করে সোজা হাসপাতালে চলে যাওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: ‘Villain’-এর মুখোমুখি আরও এক ‘ভিলেন’

[embedded content]

Advertisement

এই বদ অভ্যেসটি আপনার আছে নাকি?

কথায় আছে, জলই জীবন৷ কিন্তু, দাঁড়িয়ে জল খাওয়া নাকি অস্বাস্থ্যকর৷ এমনটাই জানাচ্ছে আর্যুবেদ৷ তথ্য (আর্যুবেদিক) জানাচ্ছে, দাঁড়িয়ে জল খেলে তা সরাসরি পাকস্থলীতে চলে যায়৷

ফলে, প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি শোষিত হয় না৷ সরাসরি পাকস্থলীতে জল গেলে তা পারিপ্বার্শিক অর্গ্যানগুলিকেও ক্ষতিগ্রস্থ করে থাকে৷ এছাড়া, ঠান্ডা পানীয় পাকস্থলীর উপর বাজে প্রভাব ফেলে থাকে৷

আরও পড়ুন: প্রতিবাদী মহিলাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার দুষ্কৃতীদের

– Advertisement –

শুধুমাত্র পাকস্থলী নয়, দাঁড়িয়ে জল খাওয়ার অভ্যেস ক্ষতি করতে পারে কিডনিরও৷ জলের হাই প্রেসারের কারণেই জল ফিলটার না হয়েই সরাসরি পাকস্থলীতে পৌঁছয়৷ ফলে, যাবতীয় দূষিত পদার্থ জমা হয় ব্লাডারে৷ যার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে কিডনি৷ শুধু তাই নয়, হতে পারে আথ্রাইটিস এবং জয়েন্টের সমস্যাও৷ জলের ফ্লো এতটাই বেশি থাকে যা কারণ হতে পারে হার্ট এবং ফুসফুস জনিত রোগেরও৷

আরও পড়ুন: কীভাবে কমাবেন কাজের চাপ? জানুন সহজ উপায়

বিভিন্ন সময়ে খাবার ধীরে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা৷ যেটি খাবার হজমের প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে৷ একইভাবে জলীয় পদার্থ বা জল ধীরে খাওয়া প্রয়োজন৷ ফলে, জলের মধ্যে থাকা প্রয়োজনীয় উপাদানগুলিকে শোষণের উপযুক্ত সুযোগ পাবে হিউম্যান বডি৷ তাই, সময় থাকতে সর্তক হন৷ মেনে চলুন একটি স্বাস্থ্যকর এবং সঠিক জীবনশৈলী৷

আরও পড়ুন: সুখবর! জিও গ্রাহকরা পাবেন এই অ্যাপ দুটি

Advertisement

কীভাবে কমাবেন কাজের চাপ? জানুন সহজ উপায়

নয়াদিল্লি: কাজের চাপে মৃত্যুর ঘটনা নেহাত কম নয়৷ জাপান সরকারের তথ্য অনুসারে, ২০১৬ সালে কাজের চাপে প্রায় ২০০০ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ এখানেই শেষ নয়৷

সংবাদ মাধ্যমের রির্পোট জানাচ্ছে, বেশ কিছু জাপানি কর্মী প্রতিমাসে ওভার-টাইম ডিউটি করেছেন প্রায় ৮০ ঘন্টার মত৷ যেটি ডেকে এনেছে মারাত্মক সব কঠিন ব্যাধিকে৷ জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চিনে অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু ঘটনা হামেশাই ঘটে থাকে৷

আরও পড়ুন: সুখবর! জিও গ্রাহকরা পাবেন এই অ্যাপ দুটি

– Advertisement –

প্রতিযোগিতার বাজারে কাজের চাপ খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার৷ আর, এই কাজের চাপ থেকেই আসে ক্লান্তি৷ যা বাধ সাধে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়৷ এসবের মাঝেই রয়েছে কিন্তু সমাধান৷ প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গি বদলের, যেটি পরিবর্তন আনবে রোজনামচায়৷

১) গান সবসময়ই ক্লান্তি মুক্তির অন্যতম উপায়৷ গবেষণা জানাচ্ছে, ভাল গান মুড পরিবর্তন করে৷ আর, ভাল মুড মানেই কাজের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব৷ যা সহজ করবে আপনার কাজের সময়কে৷ অনেকেই কাজের ক্ষেত্রে মনোনিবেশ সংক্রান্ত সমস্যায় প্রায়ই ভোগেন৷ সেক্ষেত্রে, এটি হতে পারে একটি সমাধানের রাস্তা৷

আরও পড়ুন: যশোর রোডে গাছ কাটতে মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

২) দৌড়নো, অনেকের কাছে বিষয়টি হাস্যকর৷ কিন্তু, একবার ট্রাই করুন৷ আর ফল পান একেবারে হাতেনাতে৷ দৌড়ের ফলে মানসিকতায় আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন৷ যা অবশ্যই শরীর এবং মনের সঙ্গে যুক্ত৷

৩) একঘেয়েমি ত্যাগ করুন৷ জীবনে যোগ করুন নতুন কিছু৷ প্রয়োজনে সময় কাটান নিজের সঙ্গে, নিজেকে জানুন৷ জীবনধারায় যোগ করুন শরীরচর্চা নিয়মিত শরীরচর্চা আপনাকে হাজারো সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে৷

আরও পড়ুন: ধর্ষণের সুবিচার মেলেনি, ছেলে-সহ অগ্নিদগ্ধ মা

Advertisement

সুখবর! জিও গ্রাহকরা পাবেন এই অ্যাপ দুটি

নয়াদিল্লি: ইতিমধ্যেই মার্কেট দাপিয়ে বেড়াচ্ছে JioPhone এবং JioPhone 2৷ লঞ্চ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই গ্রাহকদের মন জয় করতে সফল হয়েছে ফোনুদুটি৷ যার ফলে সংস্থার মুনাফাও বেড়েছে একলাফে৷ কিন্তু, ফোনদুটিতে একাধিক আধুনিক অ্যাপ থাকাও সত্বেও ছিল না বহুল জনপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ ও ইউটিউব৷

এবার গ্রাহকদের সেই আক্ষেপই পূরণ করতে করছে সংস্থা (জিও)৷ খুব শীঘ্রই ইউজাররা পেতে চলছেন জিও ফোনে অ্যাপদুটির সুবিধা৷

আরও পড়ুন: যশোর রোডে গাছ কাটতে মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

– Advertisement –

বহুদিন আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে তোড়জোড়৷ ১৫ আগস্ট, ২০১৮ থেকে ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপ ও ইউটিউব সুবিধা পাবেন৷ এমনটাই ঘোষণা করেছিল জিও কর্তৃপক্ষ৷ কিন্তু, ঘোষণা করা তারিখ অনুযায়ী জিওফোনে লঞ্চ হয়নি অ্যাপদুটি৷ পিছিয়ে গিয়েছে লঞ্চের তারিখ৷ টেলিকম অ্যানালিস্ট সঞ্জয় বাফনা ট্যুইটে লেখেন, জিওফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইউটিউব নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্ব হয়ত শুরু হয়ে গিয়েছে৷ গ্রাহকরা ইতিমধ্যেই ফোনটিতে (JioPhone) পেয়েছেন ফেসবুকের সুবিধা৷

আরও পড়ুন: ধর্ষণের সুবিচার মেলেনি, ছেলে-সহ অগ্নিদগ্ধ মা

তবে, এই মূহুর্তেই ইউজাররা ফোনে পাবেন না অ্যাপদুটিকে৷ অপেক্ষা করতে আরও কিছুদিন৷ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই গ্রাহকরা সুবিধাটি পাবেন৷ অ্যাপ লঞ্চের সঠিক তারিখ ঘোষণা না হলেও সংস্থা সামনে এনেছে আরও একটি বিষয়৷

আরও একবার আকর্ষণীয় ছাড়ে JioPhone 2 কেনার সুযোগ পাবেন জিও গ্রাহকরা৷ আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে Jio.com, মাইজিও অ্যাপের মাধ্যমে JioPhone 2 অর্ডার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা৷ ফোনটির দাম থাকছে ২,৯৯৯ টাকা৷

আরও পড়ুন: মোমো আতঙ্ক এবার সোনারপুরে

Advertisement