‘জম্মু কাশ্মীরে গণতন্ত্র চান না ফারুক আবদুল্লা’

শ্রীনগর: জম্মু কাশ্মীরের পঞ্চায়েত ভোটে ন্যাশনাল কনফারেন্স বা এনসি-র অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করল বিজেপি৷ রবিবার দলের সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব বলেন সস্তার রাজনীতি করছেন এনসির সভাপতি ফারুক আবদুল্লা৷

তিনি বলেন ভোট নিয়েও রাজনীতি করছে ফারুক আবদুল্লার দল৷ নিজের রাজ্যের মানুষ যাতে গণতান্ত্রিক উপায়ে নিজেদের প্রতিনিধি বেছে নিতে পারেন, সেই রাস্তায় হাঁটতে চাইছে না ন্যাশনাল কনফারেন্স৷ ফারুক আবদুল্লার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করে এদিন রাম মাধব বলেন এই কাশ্মীরি নেতা চান না তাঁরই রাজ্যের মানুষ নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুক৷

রাম মাধবের মতে যেখানে মোদী সরকার গোটা দেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে, সেখানে ফারুক আবদুল্লার মতো কিছু নেতা সেই উদ্যোগকে বানচাল করার চেষ্টায় রয়েছেন৷ বিজেপি চায় সুষ্ঠু ভাবে উপত্যকার মানুষ এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নিন৷ কিন্তু বিরোধীরা তা হতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন বিজেপির এই সাধারণ সম্পাদক৷

প্রসঙ্গত, প্রশাসনের তরফ থেকে আগে জানানো হয়েছিল, চলতি বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে জম্মু ও কাশ্মীরে অন্যদিকে অক্টোবর মাসে পৌরসভাগুলিতে নির্বাচন হবে উপত্যকায়।

এই নির্বাচনের পাশাপাশি, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ও লোকসভা নির্বাচনও বয়কট করার হুমকি দিয়েছেন ফারুক আবদুল্লা৷ সংবিধানের ৩৫-এ ধারা নিয়ে নিজেদের অবস্থান যতদিন না কেন্দ্র স্পষ্ট করবে, ততদিন এই নির্বাচন বয়কট চালাবে ন্যাশনাল কনফারেন্স বলে জানানো হয়েছে৷

ফারুক আবদুল্লা আগে জানান এই ধারাকে রক্ষা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত ভোট বয়কট করা হবে৷ জম্মু ও কাশ্মীরের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩৫-এ ধারা রক্ষার্থে যথাযথ ব্যবস্থা প্রশাসনকে নিতে হবে। এই ধারার ওপর কোনও রকমের আঘাত হানা হলে তা রাজ্য এবং দেশের জন্য নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করবে৷ তাই দলের মূল কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়ে ছিলেন তিনি৷

ফারুকের অভিযোগ ৩৫-এ ধারাকে শেষ করে দেওয়ার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সেই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে প্রশাসন তাড়াহুড়ো করে রাজ্যের পৌরসভা এবং পঞ্চায়েত নির্বাচন আয়োজন করছে।

Advertisement

ফোসকা সারানোর সহজ উপায়

দেখতে দেখতে পুজো চলে এলো৷ শপিং তো শুরু হয়ে গিয়েছে সকলের৷ জামা, জুতো সময় নিয়ে ভির ঠেলে কিনছেন৷ কিন্তু সেই ভির ঠেলে পুজোয় ঠাকুর দেখতে যাওয়ার সময় নাজেহাল অবস্থা হয়৷ তার ওপর নতুন জুতো হলে তো আরোই সমস্যার ব্যাপার৷ পুজোর মধ্যে পায়ে ফোসকা পরে যায়৷ পুজো বাকি দিনগুলো আর ঠিক করে ঘোরা যায় না৷

ফোসকা পরলে দগদগে ঘা হয়ে যায়৷ আর তাতে সেই জায়গাটা জ্বলতে থাকে৷ এই জ্বালা দূর করতে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন৷ জেল না থাকলে অ্যালোভেরা পাতা নিয়ে সরাসরি ঘষতে পারেন৷ এতেও অনেকটা জ্বালার হাত থেকে মুক্তি পাবেন৷ জেলটা শুকিয়ে গেলে ইষদোষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷

নতুন জুতো পরার আগে পায়ে ভালো করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন৷ এতে আপনার পা স্লিপারি হয়ে যাবে ঠিকই কিন্তু ফোসকা আর পরবে না৷ আর ফোস্কা পরে গেলে তেল লাগিয়ে তারপরই জুতো পরুন৷ তাতেও ফোসকা সেরে যাবে৷

চালের গুড়ো দিয়ে ফোসকার দাগ তোলা যায়৷ দুই চামচ চালের গুড়োর সঙ্গে অল্প জল মিশিয়ে মিশ্রণটি ফোসকায় লাগান৷ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে গরম জলে ধুয়ে ফেলুন৷ কয়েক সপ্তাহ পরই আপনি ফল পাবেন৷

ফোসকা পরা জায়গাটায় বারবার মধু লাগিয়ে ঘষতে থাকুন৷ খুব দ্রুত ফোসকা শুকিয়ে যাবে৷

এক চামচ কর্পূরের সঙ্গে খানিকটা নারকেল তেল মিশিয়ে আপনার পায়ের ফোসকায় লাগিয়ে দিন৷ প্রতিদিন এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করুন৷ এতে আপনার ফোসকা সারবে৷ জ্বালাও করবে না৷

Advertisement

মোদী সরকারে প্রকল্পের জেরে জোয়ার আসছে বীমা শিল্পে

নয়াদিল্লি: খুব শীঘ্রই জোয়ার আসতে চলেছে ভারতের বীমা শিল্পে। সৌজন্যে মোদী সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। এমনই তথ্য উঠে এসেছে বণিকসভা অ্যাসোচেমের করা সমীক্ষায়।

সমাজের বড় অংশের মানুষকে স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনতে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে ১০ কোটি গরিব পরিবারকে স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনতে চায় কেন্দ্র। প্রতিটি পরিবারকে সর্বাধিক পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বীমার সুযোগ দেওয়া হবে এক্ষেত্রে।

অ্যাসোচেমের দাবি, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিমা ক্ষেত্রেই শুধু সুদিন আসবে এমন নয়। বিপুল হারে বাড়ছে কর্মসংস্থানের সুযোগ। হাসপাতালগুলিও তাদের ব্যবসা অনেকটাই বাড়াতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ভারত সরকার ১২ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পটি কতটা ফলপ্রসূ হতে পারে সেই বিষয়ে সমীক্ষা করিয়েছিল অ্যাসোচেম। প্রসিদ্ধ মার্কেট রিসার্চ সংস্থার করা সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে ভারতের বীমা শিল্পে যুগান্ত আসতে চলেছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে বীমার বাজারের ব্যবসার অংক পৌঁছে যাবে ২৮ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৯ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা। যা সম্ভব হবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের দৌলতেই।

২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংস্থাটি সমীক্ষা করে। সেই সমীক্ষায় উঠে এসেছে ২০০১ সাল থেকে পরবর্তী ১৬ বছরে দেশে বীমার আওতায় এক শতাংশ মানুষও আসেনি। বেসরকারি সংস্থার হাতে বিমার দায়িত্ব ছাড়লেও আহামরি কিছুই হয়নি। কিন্তু সেই খরা খুব দ্রুত কাটতে চলেছে বলে মনে করছে অ্যাসোচেম।

Advertisement

সায়ন্তিকার সানডে সারপ্রাইজ

কলকাতা: রবিবার মানেই ছুটির দিন৷ ছুটির দিনে মনের আনন্দে যেখানে খুশি ঘুরে বেরানো, হই হুল্লোড়৷ আপনার কাছে সানডে ফান মানে এইসবই তো? কিন্তু অভিনেত্রী সায়ন্তিকার কাছে রবিবার দিনটা কাটানোর অন্য পন্থা রয়েছে৷ ফিটনেস ফ্রিক সায়ন্তিকা ছুটির দিনেও অধিকাংশ সময়টা জিমে কিংবা বাড়িতে ওয়ার্ক আউট করে কাটান৷ হাতে বক্সিং গ্লাভস পরে ওয়ার্ক আউট করছেন তিনি৷ তবে একটু মজার আন্দাজে৷ টিকটকে ভিডিও বানিয়ে ছবিটি আপলোড করেছেন সায়ন্তিকা৷

প্রসঙ্গত, টলিউডের আগামী থ্রিলার ছবি ‘বাঘ বন্দি খেলা’র প্রথম পর্বের শ্যুটিং ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ছবিতে রয়েছেন সায়ন্তিকা৷ ‘বাঘ বন্দি খেলা’তে একই ফ্রেমে তিন জনপ্রিয় তারকা। কাকে ছেড়ে কাকে দেখবে দর্শক? বহুদিন পর টলিপাড়ায় আসতে চলেছে স্টার স্টাডেড মুভি। তিন সময়ের তিন অভিনেতা প্রসেনজিত্‍, জিত্‍ এবং সোহমকে একই ছবিতে পেতে চলেছে সিনেপ্রেমীরা। এ ছবির পরিচালকও একজন নন। তিনজনের পরিচালনায় তৈরি হচ্ছে এই ছবি। রাজা চন্দ, সুজিত মণ্ডল এবং হরনাথ চক্রবর্তী। ছবিতে তিনজন নায়ক থাকলেও তাঁরা একসঙ্গে স্ক্রিন স্পেস শেয়ার করবেন না বলেই জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন- রোম্যান্সে মজে ‘ভিলেন’, দেখুন তাঁর প্রেমিকাকে

তিনটি গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ছবি, আর সেই তিনটি গল্পের শিরোনাম নিয়েই ঠিক করা হয়েছে ছবির টাইটেল। প্রথম গল্পের নাম ‘বাঘ’। দ্বিতীয় গল্পের নাম ‘বন্দি’। এবং শেষ গল্পটি হল ‘খেলা’। তিনটি আলাদা গল্পকে পরিচালনা করবেন তিনজন পরিচালক। প্রথম গল্প ‘বাঘ’র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজা চন্দ। সেই গল্পের নায়ক নায়িকা হলেন জিত্‍ এবং সায়ন্তিকা। দু’জনের গল্প দিয়েই শুরু হবে সিনেমার প্রথম পর্ব। তাঁদের পর্বটি শেষ হবে একটি বিয়ের আসরে। সেখান থেকে শুরু হবে নতুন একটি গল্পের। অর্থাত্‍ ‘বন্দি’র। সোহম এবং শ্রাবন্তীর কেন্দ্র করে এগোবে এই কাহিনি। এই গল্পের পরিচালক সুজিত মণ্ডল।

বিয়ের আসরের দৃশ্য থেকে শুরু হবে সোহম এবং শ্রাবন্তীর গল্প। যেখানে অথিতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তাঁরা। বিয়েবাড়িতে ছবি তোলাটা সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু এই সাধারণ ঘটনাই বিপদ হয়ে দাঁড়াবে তাঁদের জীবনে। ভুলবশত এমন কিছু ছবি সোহম এবং শ্রাবন্তী তুলে ফেলে যার কারণে এই জুটিকে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সেই বিপদ এমন চেহারা নেয় যে তাঁরা কলকাতা ছেড়ে বারাণসীতে গিয়ে গা ঢাকা দেয়। এই প্লটটিতে অভিনয় করেছেন ভরত কল। তিনি ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করবেন বলে জানা গিয়েছে। এবং একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে বিশ্বনাথ বসুকে।

‘বন্দি’ গল্পটি শেষ হবে একটি আদালতের দৃশ্য দিয়ে। যেখান থেকে শুরু হবে শেষ গল্প ‘খেলা’। আদালতের দৃশ্য থেকেই প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাবে একজন আইনজীবীর চরিত্রে। প্রসেনজিত্‍ ছাড়াও এই গল্পের অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন অঞ্জনা বসু, ঋত্বিকা সেন, অয়ন ভট্টাচার্য, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, রাজেশ শর্মার মতো অভিনেতারা। এই গল্পের পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন হরনাথ চক্রবর্তী।

Advertisement

ওয়ার্ন্ড ফার্স্ট এড ডে উপলক্ষে একগুচ্ছ পরামর্শ চিকিৎসকদের

নয়াদিল্লি: লাগাম ছাড়া গাড়ি চালানো, আর তার জেরেই পথ দুর্ঘটনা৷ এরকম খবর প্রায়শই উঠে আসে সংবাদ শিরোনামে৷

তথ্য জানাচ্ছে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে রোড অ্যাক্সিডেন্টের পরিমান তুলনামূলক বেশি৷ গবেষণা জানাচ্ছে, ২০১৭ সালে ভারতে প্রতি দশ মিনিটে তিন জন পথ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন৷ আর এখান থেকেই উঠে আসে লাইফ সেভিং টেকনিকসের বিষয়টি৷

প্রত্যেক বছরই সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় শনিবার পালিত হয় ওয়ার্ন্ড ফার্স্ট এড ডে৷ চলতি বছরে দিনটিকে পালন করা হয়েছে ৮ সেপ্টেম্বর৷যদিও, দিনটি পালনের মূল লক্ষ্য থাকছে ফার্স্ট এড ট্রেনিংকে প্রচার করা৷ হঠাৎ পথ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে কী করবেন? অনেকেই হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন৷ কিন্তু, ঠিক কী করা উচিত সেই সময়ে, জেনে নিন উপায়গুলি৷

১) পথ দুর্ঘটনায় কেউ আহত হলে প্রথমে কোন ক্ষতস্থান রয়েছে কিনা পরীক্ষা করুন৷যদি, ক্ষতস্থান থাকে তৎক্ষণাত সেটিকে কাপড় অথবা হাতের তালু দিয়ে চেপে ধরে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করুন৷ যদি, আঘাত গুরুতর হয় তবে সঙ্গে সঙ্গে মেডিকাল হেল্প নিন৷

২) আহত ব্যাক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করুন৷ যদি অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তাহলে ব্যাক্তিকে চিত করে শুইয়ে দিন৷ অনেকসময় গলায় কোন কিছু আটকে গেলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়৷ সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে গলায় আটকে থাকা জিনিসটিকে সরিয়ে দিন৷ প্রাথমিকভাবে এইভাবেই চেষ্টা করুন৷ অথবা সাহায্য নিতে পারেন মাউথ টু মাউথ শ্বাস দেওয়ার প্রক্রিয়ার৷

৩) বেশীরভাগ সময়ই অ্যাক্সিডেন্ট হলে আহত ব্যাক্তির হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে৷ সেক্ষেত্রে, মানুষটিকে গরম রাখার চেষ্টা করুন৷ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা আঘাতের কারণে এই ধরণের লক্ষণ দেখা গিয়ে থাকে৷ তাই, হাতের সামনে টি-শার্ট, জ্যাকেট থাকলে সেটিকে ব্যবহার করুন৷

৪) পথ দুর্ঘটনার ঠিক পরেই কোন ব্যাক্তিকে খাওনোর চেষ্টা করবেন না৷ এতে হিতের বিপরীত ফলাফল হতে পারে৷ এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷

Advertisement

রোম্যান্সে মজে ‘ভিলেন’, দেখুন তাঁর প্রেমিকাকে

কলকাতা: রোম্যান্সে মজেছেন টলিপাড়ার হট ভিলেন৷ মুক্তি পেয়েছে ‘ভিলেন’ ছবির নতুন গান ‘শুধু তুই’৷ রোম্যান্সে ভরপুর ট্র্যাকটিতে কোনও ভিলেনগিরি নয়৷ প্রেমিকার জন্য অফিসে খাবার পাঠানো থেকে শুরু করে তাকে স্কুটি চালানো শেখাচ্ছেন অঙ্কুশ৷ নায়িকা মিমি এবং অঙ্কুশের রসায়নে নেটিজেন বেশ খুশি৷ বহুদিন পর তাঁদের একসঙ্গে দেখতে পেল দর্শক৷

অঙ্কুশের লুকে অসংখ্য মেয়েরা তো ঘায়েল হয়েইছে সঙ্গে ‘ভিলেন’ ছবি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে দর্শকমহলে৷ হিরো-হিরোইন প্রেম, নায়কের ধুন্ধুমার অ্যাকশন দৃশ্য, ড্রামায় ভরপুর কমার্শিয়াল বাংলা ছবি৷ অবশেষে খলনায়কের সঙ্গে লড়ে সত্যের জয়, সততার জয়৷ এই হল গতানুগতিক ছবির কাহিনি৷

তবে আর নয়, টলিপাড়ায় এন্ট্রি নিয়ে নিয়েছেন ‘ভিলেন’৷ যাঁর সতর্কাবার্তায় বহুদিন ধরেই ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছিল সোশ্যাল মিডিয়ার আনাচে কানাচে৷ কী সেই বার্তা? আর হিরোদের হিরোগিরি নয়, এবার ভিলেনের ভিলেনগিরিতে কাঁপবে গোটা বাংলা৷ সেই প্রতিশ্রুতিকে বজায় রেখে দিন কতক আগে মুক্তি পেয়েছে ‘ভিলেন’ ছবির ফার্স্ট লুক৷

মুখে নৃশংসতার ছাপ, তীক্ষ্ণ দুই চোখে নেই কোনো ভয়, মৃত্যুকে জয় করার ক্ষমতা রাখে সে৷ ‘ভিলেন’৷ যেই অভিনেতা অঙ্কুশকে দর্শক এতদিন দেখে এসেছে, তা যেন আপাদমস্তক পাল্টে গিয়েছে৷ এ কেমন অঙ্কুশ! পোস্টারে তাঁর হাবভাব বলে দিচ্ছে এক নিমেষে সব শেষ করে দেবে সে৷

কিন্তু অফিশিয়াল পোস্টারে রয়েছে ইন্টারেস্টিং একটা দিক৷ অঙ্কুশের ঘৃণা, হিংসা ভরা চোখে কোথাও যেন রয়েছে চাপা দুঃখ৷ দু’চোখের আড়ালে রয়েছে না বলা অনেক কথা৷ এমন কোনও কারণ যা তাঁকে ভিলেন হতে বাধ্য করেছে৷ কী সেই কারণ? জানা যাবে পুজোর মরশুমে৷ ‘হইচই’র মজা, ‘রাজা’ এবং ‘শাহজাহান’র রাজত্ব, কিশোরময় ‘কিশোর’র মাঝে ‘ভিলেন’ ও নাম লেখালেন পুজো রিলিজের তালিকায়৷

অঙ্কুশ ছাড়াও পোস্টারের আরেক চমক মিমি চক্রবর্তী৷ ভিলেনের সঙ্গেই তাল মিলিয়ে লড়াই করবেন তিনি৷ তাই কি? নাকি ভিলেনের প্রেমের জালেই জড়িয়ে ফেলবেন নিজেকে?

ফার্স্ট লুকে এমন অগণিত প্রশ্ন মাথাচারা দিয়ে উঠছে ভক্তদের মনে৷ পোস্টার মুক্তি পাওয়ার দশ মিনিটের মধ্যে অংসখ্য রিট্যুইট হয়ে গিয়েছে৷ একটা বাজও ক্রিয়েট করে ফেলেছে ‘ভিলেন’৷ একের পর এক অনুরাগীদের প্রশংসায় ভরছে কমেন্টবক্স৷ কমেন্ট সেকশনে একটা স্লোগানও শুরু হয়ে গিয়েছে ফ্যানেদের মধ্যে৷ ‘এবার পুজোয় চলবে কী? ‘ভিলেন’ ছাড়া আবার কী?’ ছবিটি পুজোয় কোন দিন মুক্তি পাবে সে বিষয় এখনও কোনও মন্তব্য করেননি পরিচালক বাবা যাদব৷

[embedded content]

Advertisement

ত্বকের সমস্যায় হাজির চারটি ঘরোয়া পদ্ধতি

ত্বকের জ্বেল্লা বাড়াতে চান? দামী ক্রিম, লোশন কিনেও লাভ হচ্ছে না? ঘরোয়া পদ্ধতিতেই বাড়িয়ে তুলুন ত্বকের উজ্জ্বলতা৷ এক মাস পরই পুজো, ভাবছেন এত কম সময় সবকিছু হবে কী করে?

আর ঘরোয়া পদ্ধতি মানে সময় সাপেক্ষ৷ তবে তা একবারেই নয়৷ খুব কম সময়ের মধ্যেই ত্বকের সমস্ত সমস্যার সমাধান করবে এই হোমমেড রেমেডিসগুলি৷ ত্বকের জ্বেল্লার পাশাপাশি তৈলাক্ত ত্বক, ব্ল্যাকহেডস, ব্রুণের সমস্যা সবকিছুর উপায় রয়েছে৷

অয়লি স্কিন অর্থাৎ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বারতি আরও সমস্যা দেখা দেয় ত্বকে৷ তেলভাবের জন্য পিম্পল, কালচে দাগ, অ্যাকনে কত কী না হয়৷ তাই সবার আগে দরকার তৈলাক্ততা দূর করা৷ হলুদ থেত করে তাতে খানিকটা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে দিন৷ রোজ ব্যবহার করুন৷ মাস্কটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ কয়েক সপ্তাহে আপনি ফল পাবেন৷

মুখে ব্ল্যাকহেডস থাকলে দেখতে তো খারাপ লাগে আর আপনার কনফিডেন্সও হারিয়ে যায়৷ ব্ল্যাকহেডসের সমস্যায় অনেকেই চারকোল মাস্ক লাগান৷ এতে ভেতর থেকে ব্ল্যাকহেডস এবং ওয়াইটহেডস বের করে দেয় ঠিকই তবে কেমিকালের জন্য আপনার ত্বকে অল্প হলেও ক্ষতি করে৷ তাই ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন৷ ত্বকের যে যে জায়গায় ব্ল্যাক হেডস হয় সেখানে মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন৷ ৪০ মিনিট পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷

ত্বকের জ্বেল্লা ফিরিয়ে আনতে দুধ ব্যবহার করতে পারেন৷ এতে আপনার স্কিনকে নরম হবে৷ দুধের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে থকথকে পেস্ট বানান৷ সারারাত মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখলে ভালো তাছাড়া আপনার সুবিধা মতোও লাগাতে পারেন৷

ত্বকে ব্রুণের সমস্যা কমাতে দারচিনি খুব উপকারি৷ দারচিনি গুঁড়ো করে নিয়ে লাগিয়ে ফেলুন৷ কয়েক ঘন্টা লাগাবার পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ সপ্তাহে তিনবার করলেই যথেষ্ট৷ এতেই উপকার পাবেন আপনি৷ তবে এই পদ্ধতিতে ব্রুণ দূর করার আগে অবশ্যই ত্বকের ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নেবেন৷

Advertisement

বেহাল সেতু মেরামতের দাবিতে পথ অবরোধ বিজেপির

স্টাফ রিপোর্টার, চুঁচুড়া: সমগ্র রাজ্যের বেহাল সেতু মেরামতের দাবিতে আন্দোলনে নামল ভারতীয় জনতা পার্টি। অবিলম্বে রাজ্যের সকল সেতুতে সব ধরণের যান চলাচলের উপযুক্ত করে তোলার দাবিতে পথ অবরোধ করল হুগলী জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

গ্ণজ্ঞা নদীর উপরে অবস্থিত ঈশ্বর গুপ্ত সেতু নদীয়া জেলা এবং হুগলী জেলার সংযোগকারী সেতু। দক্ষিণেশ্বর এবং বালির মাঝামাঝি বিবেকানন্দ সেতুর উত্তরে প্রায় ৬০ দূরে অবস্থিত এই সেতু সড়ক পরিবহণের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই এই সেতুর অবস্থা খুবই শোচনীয়।

বেহাল ঈশ্বর গুপ্ত সেতু

২০১৬ সালে যানবাহনের চাপে বসে যায় এই সেতুর দু’টি পিলার। এরপরে সম্পূর্ণভাবে ওই সেতু দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছিল প্রশাসন। মাস ছয়েক পর খুলে দেওয়া হলেও চাপানো হয়েছি একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা। ভারি যান বিশেষ করে পণ্যবাহী যান চলাচল সম্পূর্ণভাবেই নিষিদ্ধ। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নিয়মিত ভারি যান চলাচল করে ঈশ্বর গুপ্ত সেতুর উপর দিয়ে। রাতের অন্ধকারে পুলিশের মদতেই চলে এই অপকর্ম।

আরও পড়ুন- ‘বিজেপি সরকার দেশটাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে’

এরই প্রতিবাদে রবিবার ওই সেতু সংলগ্ন রাস্তা অবরোধ করে বিজেপি। যার নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হুগলী জেলা বিজেপির নেতা নিমাই দত্ত, রাজ্য নেত্রী বৈশাখী মণ্ডল এবং অন্যান্য নেতা কর্মী। সুরেশ সাউ বলেন, “এই সেতুর অবস্থা ভালো নয়। বিষয়টি সম্পর্কে সকলেই অবগত। সরকারি নির্দেশিকা উড়িয়ে রাতের অন্ধকারে এই সেতুর উপর দিয়ে ভারি গাড়ি যাতায়াত করে। সম্পূর্ণটাই চলে পুলিশের একাংশের মদতে।”

শনিবারেই রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর নবান্ন থেকে সেতুর উপর দিয়ে গাড়ি চলাচল সম্পর্কে নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে রাজ্যের বহু সেতুর উপর দিয়ে ভারি যান চলাচলের বিষয়ে জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেছেন, “এখন প্রশ্ন হচ্ছে ওই গাড়ি গুলো তাহলে কোন রাস্তা দিয়ে যাবে? অনেক গাড়িতে অন্য রাজ্য থেকে সব্জি আসে। ঘুরপথে গন্তব্যে পৌঁছালে বাড়বে পরিবহন খরচ। সেই চাপটা সাধারণ মানুষের উপরেই পড়বে।” সেতু সম্পর্কে রাজ্য সরকার উপযুক্ত নীতি নির্ধারণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন গেরুয়া নেতা সুরেশ।

আরও পড়ুন- বীর যোদ্ধার স্মরণসভায় জঙ্গি হানায় মৃত সাত

বিজেপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভের হেরে এদিন সকালে ১১টা থেকে প্রায় আধ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ঈশ্বর গুপ্ত সেতুর উপরে যান চলাচল। ছুটির দিন হলেও সংলগ্ন রাস্তায় আটকে যায় অনেক গাড়ি। সৃষ্টি হয় ব্যাপক যানজট। পড়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে উঠে যায় অবরোধ।

ইশ্বর গুপ্ত সেতুর বেহাল দশা সম্পর্কে অবগত রয়েছেন প্রশাসনের কর্তারা। বেহাল সেতুর পাশেই অন্য একটি সেতুর অনুমোদন মিলেছে এবং খুব শীঘ্রই সেই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মহকুমা শাসক ইউনিস ইসমাইল।

Advertisement

বেহাল রাস্তা, এলাকায় ঢুকছে না অ্যাম্বুলেন্স

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: দীর্ঘদিন থেকেই বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে রাস্তা৷ তবে সংস্কারের কোনও উচ্চবাচ্য নেই৷ প্রশাসনিক ভাবে ঘোষণা করা হলেও তা বলাই সার৷ স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক সদিচ্ছার অভাবেই গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়নি। ফলত, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বাঁকুড়ার বিক্রমপুর ও জামবনী এলাকার বাসিন্দারা৷

প্রসঙ্গত, বাঁকুড়ার সিমলাপালের বিক্রমপুর মোড় থেকে জামবনী পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে এলাকার প্রায় ৫০-৬০ টি গ্রামের মানুষ চরম সমস্যায় পড়ছেন। তবে বর্তমানে এই রাস্তা বেহাল হওয়ার কারণে প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিক্রেতাদের৷ জেলার সবজী ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সিমলাপালের এই এলাকায় উৎপাদিত সবজী ঝাড়খণ্ডের টাটায় সরাসরি রপ্তানি হয়। কিন্তু শুধুমাত্র এই যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণেই বাইরে থেকে আসা সবজী পরিবহণকারী লরিগুলি এলাকায় আসতে চাইছে না বলে অভিযোগ৷

আরও পড়ুন: মরা তোর্সার উপর এই সেতুর হাল দেখুন

ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার চাষিরা। একই সঙ্গে এখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ও কলেজ যাওয়ার অন্যতম প্রধান এই রাস্তা। সিমলাপাল ব্লক এলাকার সঙ্গে পাশের জেলা মেদিনীপুর ও কলকাতার যোগাযোগের অন্যতম পথ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এই রাস্তাটি। পিডব্লুডি কর্তৃপক্ষের তরফে রাস্তা সংস্কারের ঘোষণাসূচক বোর্ড টাঙানো ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলেও অভিযোগ।

এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা পেশায় কৃষক অমিয় সংপতি বলেন, ‘‘কি দরকার আর এই সংস্কার করে। রাস্তার মাঝে মাঝে যা গর্ত তৈরি হয়েছে। আর তাতে যা জল আছে প্রশাসনের তরফে মাছ চাষ করা হোক। এতে সরকারের কিছু বাড়তি আয়ের সংস্থান হবে। রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে কোনও গাড়িই এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে চাইছে না। উৎপাদিত দ্রব্য যেমন বাজারজাত করা যাচ্ছে না, তেমনি চাষের কাজের জন্য কোনও গাড়িও গ্রামে আসতে চাইছে না৷

আরও পড়ুন: বিবেকানন্দের বিশ্ব জয়ের ১২৫ বছরে শিকাগোতে বার্তা মোদীর

পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা দুর্গা শঙ্কর পাত্র রাস্তার দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘‘এলাকার অন্যতম প্রধান এই রাস্তা৷ দুর্বিষহ অবস্থার ফলে যাতায়াত করাটাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কোনও অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে ভীষণ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’’

সিমলাপাল পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি তথা ওই এলাকারই বাসিন্দা সিপিএম নেতা সুবীর পাত্র বলেন, ‘‘রাস্তা এতটাই বেহাল যে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতে কোনও অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত আসতে চাইছে না। জঙ্গল মহলের এই এলাকার সবচেয়ে কাছে রেলস্টেশন গড়বেতা। মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরের এই রেলস্টেশনে পৌঁছাতে এলাকার মানুষের একমাত্র ভরসা এই রাস্তাটিই।’’

সিমলাপাল ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক এই বিষয়ে বলেন, ‘‘টেণ্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। বর্তমানে ওই রাস্তাটি পিডব্লুডি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন। তাদের তরফে ইতিমধ্যে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’’

আরও পড়ুন: জমা জল মারণ রোগ ছড়াচ্ছে গরুর শরীরে

[embedded content]

Advertisement

কতটা কুঁড়ে আপনি? দেখে নিন WHO-এর রিপোর্ট

জেনেভা: কোন কিছুই ঠিক করে উঠতে ইচ্ছা করে না? মানে মনে হয় একটু যদি গড়িয়ে নেওয়া যেত, কি ভালোই না হত! ঠিক এই রকম মনোভাবের মানুষগুলোই যদি কোনও দেশে বেশি থাকে? তবে তো তা কুঁড়ের রাজত্ব, তাই না? এই রকম দেশের তালিকাই বানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন (হু)৷

তালিকায় সসম্মানে জায়গা করে নিয়েছে ভারতও৷ হুয়ের প্রকাশিত রিপোর্ট দ্যা ল্যান্সেটে কুঁড়ের দেশ হিসেবে সেরার শিরোপা পেয়েছে কুয়েত৷ সেখানে ৬৭ শতাংশ মানুষই কোনও কাজ করতে চান না ৷ এর মধ্যে ছেলেদের সংখ্যাই বেশি৷ আর সবচেয়ে কর্মক্ষম দেশ উগান্ডা৷ সেদেশে ৫.৫ শতাংশ মানুষ কাজ করেন না৷ বাকি সবাই কর্মক্ষম ও কর্মঠ৷

পড়ুন: বসে কাজ করেন? বাড়ছে ঝুঁকি

১৬৮টি দেশের তালিকায় ভারত রয়েছে ১১৭ নম্বরে৷ হিসেব বলছে আমাদের দেশের ৩৪ শতাংশ মানুষ একেবারেই কাজ করতে চান না৷ তবে খুব খারাপ স্থানে যে আমরা নেই, তা রিপোর্টই বলছে৷ অলস দেশ হিসেবে ওপরের দিক থেকে তালিকায় পর পর রয়েছে কুয়েত, আমেরিকান সামোয়া, সৌদি আরব ও ইরাক৷ এই সব দেশের মানুষ খুব কমই সক্রিয় ভাবে কোনও কাজে অংশ নেন৷

হিসেব বলছে ১৬৮টি দেশের মধ্যে ৫৫টি দেশে অর্থাৎ প্রায় ৩২.৭ শতাংশ দেশে এক তৃতীয়াংশ মানুষ কোনও কাজ করেন না৷ ১৬৮টি দেশের নিরিখে ১৫৯টি দেশে মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা কম কাজ করেন, অর্থাৎ ছেলেরা বেশি কুঁড়ে৷ হুয়ের সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতি চারজনের ১জন মানুষ কোনও কাজই করেননা এই সব দেশে৷
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষকরা বলছেন, কুঁড়ে হওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর৷ এমনকী তাঁরা মানসিক রোগের শিকার হতে পারেন৷ হুয়ের দাবি, যাঁরা কুঁড়ে, তাঁরা মূলত এক ধরণের মানসিক রোগে আক্রান্ত৷

Advertisement