সেনাপ্রধানকে ‘গুণ্ডা’ বললেন রাহুল: স্মৃতি

নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট  ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচার। একই সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতাদের আক্রমণ এবং প্রতিআক্রমণ। সেই সঙ্গে নেতাদের বক্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে তরজা।

ভোট ঘোষণার পরের দিনেই কর্মীসভায় গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেছেন রাহুল গান্ধী। সেই নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন বিরোধী বিজেপির নেতারা।

দিল্লিতে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের সম্বোধন করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এয়ারস্ট্রাইকের জবাবের বিষয় নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে নিশানা করতে গিয়ে মুখ ফসকে মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ জি’ বলে সম্বোধন করেন৷ ভোটের মুখে হাতে এমন গরম ইস্যু পেয়ে তার উপযুক্ত ব্যবহার করল বিজেপি৷

এই বিষয়ে স্মৃতি ইরানি বলেছেন, “একজন সন্ত্রাসবাদীকে রাহুল গান্ধী সম্মান দিচ্ছেন। সমগ্র দেশ এটা দেখে স্তম্ভিত। জঙ্গি হানায় শহদ এবং আক্রান্তদের পরিবার জানতে চাইছে কেন উনি একজন জঙ্গিনেতাকে সম্মান দিচ্ছেন?” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “”

বিস্তারিত আসছে…।

সেনাপ্রধানকে ‘গুণ্ডা’ বললেন রাহুল: স্মৃতি

নয়াদিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট  ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচার। একই সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতাদের আক্রমণ এবং প্রতিআক্রমণ। সেই সঙ্গে নেতাদের বক্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে তরজা।

ভোট ঘোষণার পরের দিনেই কর্মীসভায় গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেছেন রাহুল গান্ধী। সেই নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন বিরোধী বিজেপির নেতারা।

দিল্লিতে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের সম্বোধন করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এয়ারস্ট্রাইকের জবাবের বিষয় নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে নিশানা করতে গিয়ে মুখ ফসকে মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ জি’ বলে সম্বোধন করেন৷ ভোটের মুখে হাতে এমন গরম ইস্যু পেয়ে তার উপযুক্ত ব্যবহার করল বিজেপি৷

এই বিষয়ে স্মৃতি ইরানি বলেছেন, “একজন সন্ত্রাসবাদীকে রাহুল গান্ধী সম্মান দিচ্ছেন। সমগ্র দেশ এটা দেখে স্তম্ভিত। জঙ্গি হানায় শহদ এবং আক্রান্তদের পরিবার জানতে চাইছে কেন উনি একজন জঙ্গিনেতাকে সম্মান দিচ্ছেন?” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “”

বিস্তারিত আসছে…।

ফের আন্দোলনে আইসিডিএস কর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পে আই.সি.ডি.এস কর্মী নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দাবীতে ফের আন্দোলন শুরু করলেন বাঁকুড়ার সারেঙ্গা ব্লক এলাকার চাকরী প্রার্থীরা। গত ৪ঠা মার্চ বিডিও অফিসের করিডোরে অবস্থান বিক্ষোভের পর সোমবার একই জায়গায় ‘এক ঘন্টার প্রতিকী অনশন’ শুরু করলেন তারা।

”আমরা নারী, আমরা পারি, আমরা লড়ি, আমরা গড়ি, আমাদের হাতেই অঙ্গনওয়াড়ি” ছাড়াও ‘অনশন মানে বুকের ভিতর, জেগে ওঠা আগুন, অনশনে তাই জেগেছি আমরা, আপনারাও এবার জাগুন” লেখা পোষ্টার, প্ল্যাকার্ড সহ অনশনে বসেছেন চাকরীপ্রার্থীরা।

আন্দোলনরত চাকরী প্রার্থীদের দাবি, বিগত ২০০৯ সালে এই চাকরীর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তারা আবেদন করেন। ২০১১ সালে লিখিত পরীক্ষা হয়। ঠিক তার পরের বছর ২০১২ সালে মৌখিক পরীক্ষার জন্য চিঠি পাঠানো হলেও কোন অজ্ঞাত কারণে তা বন্ধ রাখা হয়।

– Advertisement –

আরও পড়ুন : হলে পরীক্ষা দিচ্ছে কনে, বিয়েবাড়িতে অপেক্ষায় বরযাত্রী

পরে ২০১৫ সালে মৌখিক পরীক্ষা হয়। কিন্তু তার পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও কোন ফল প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু বর্তমানে নতুন করে সারেঙ্গা ব্লক এলাকায় ঐ প্রকল্পে আই.সি.ডি.এস কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় পুরাণো পরীক্ষার ফলপ্রকাশ না করে কি করে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে এদিন সরমা ত্রিপাঠী বলেন, ২০১১ সালে লিখিত পরীক্ষার পর সফল পরীক্ষার্থীদের ২০১৫ সালে মৌখিক পরীক্ষা হয়। তার পর দীর্ঘদিন কেটে গেলেও ঐ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বার বার সারেঙ্গা বিডিও-র কাছে এলেও তিনি কোন আশাব্যাঞ্জক কথা শোনাননি। উল্টে তিনি পরীক্ষার্থীদের ‘আইনী পথে’ যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে তিনি দাবী করেন।

এবিষয়ে জানতে সারেঙ্গার বিডিও সংলাপ ব্যানার্জ্জীকে টেলিফোন করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমার করার কিছুই নেই। পুরো বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্ত্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ‘আইনী লড়াই’য়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভুল খবর’। এই ধরণের পরামর্শ তিনি কোন দিন আন্দোলনকারী চাকরী প্রার্থীদের দেননি বলে দাবী করেন।

পুলিশ সুপারের গাড়িচালকের দাদাগিরি, মারধর আইনজীবীকে

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ক্ষমতার দম্ভ? কী বলবেন একে? পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষের গাড়ির চালকের হাতে প্রহৃত মালদহ জেলা আদালতের এক আইনজীবি। পুলিশ সুপারকে দফতরে নামিয়ে গাড়ি পার্কিং করার সময় গাড়ির চালকের সাথে এক আইনজীবির বচসা হয়।

এরপর গাড়ির চালক আইনজীবিকে রীতিমত মারধর করেন বলে অভিযোগ। এরপরই মালদহ আদালতের আইনজীবিরা পুলিশ সুপারের গাড়ি চালকের দাদাগিরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় ওঠেন। শুরু হয় বিক্ষোভ আন্দোলন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদহ আদালত চত্বর।

আরও পড়ুন : হলে পরীক্ষা দিচ্ছে কনে, বিয়েবাড়িতে অপেক্ষায় বরযাত্রী

– Advertisement –

জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর বেলা পুলিশ সুপারের গাড়ি চালক পুলিশ সুপারকে নামিয়ে গাড়ি পার্ক করছিলেন। সেই সময় পেছন পার্থসারথি রায় নামে মালদহ আদালতের মুহুরী দাঁড়িয়ে ছিলেন। গাড়ির চালককে দেখে গাড়ি ঘোরানোর কথা বলতে মারমুখী হয়ে ওঠে ওই চালক। সেখানে উপস্থিত এক আইনজীবী সুদীপ্ত গাঙ্গুলী ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বলতে গেলে তাকে মারধর করা হয় ও হাত মুচকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে অন্যান্য আইনজীবীরা ছুটে আসে। এরপরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷

আহত আইনজীবী সুদীপ্ত গাঙ্গুলি বলেন, আদালত চত্বরে গোলমালের ঘটনা চলছিল। সেই সময় ঘটনা দেখতে পেয়ে আমি কাছে গেলে আমাকে ধাক্কাধাক্কি করে পুলিশ সুপারের গাড়ি চালক। এরপরে আমাকে ধাক্কা দিয়ে হাত মচকে দেওয়া হয়। এতে আমার বাম হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। ঘটনায় ইংলিশ বাজার থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে গালিগালাজ করা হয়। এরপর বাধ্য হয় অভিযোগ নিতে। পুলিশের উর্দিতে এই ধরনের হেনস্থা ভাবাই যায় না। আমরা চাই এর সঠিক তদন্ত হোক।

মালদহ বার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী দেব কিশোর মজুমদার বলেন,আমরা সব সমস্ত অভিযোগ জেলা জজ কে জানিয়েছি তিনি আমাদেরকে ২৪ ঘন্টা সময় চেয়েছে এর মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ বলেন,অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। চালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে।

জলপাইগুড়ির নতুন সার্কিট বেঞ্চে শুরু মামলার নথিভুক্তিকরণ

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি : সার্কিট বেঞ্চে প্রথম দিনের কাজ হল সূচি মেনেই। এদিন থেকেই শুরু হয়েছে মামলা নথিভুক্তকরনের কাজ। এদিন নির্ধারিত সময়েই আদালতে আসেন প্রধান বিচারপতি সহ অন্যান্য বিচারপতিরা। এরপরে আইনজীবীদের সাথে কথা বলেন প্রধান বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার।

হাইকোর্টের কাজকর্ম তাদের বিস্তারিতভাবে বলেন প্রধান বিচারপতি। এদিন সার্কিট বেঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। তিনি জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ স্থাপনের জন্য প্রধান বিচারপতি সহ অন্যান্য বিচারপতিদের ধন্যবাদ জানান।

– Advertisement –

এই অনুষ্ঠান শেষে প্রধান বিচারপতি বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। এদিন মোট ২২টি মামলা ফাইলিং হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ সরকারি আইনজীবী সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েকদিন এই ফাইলিংয়ের কাজ চলবে। এরপর থেকেই শুরু হয়ে যাবে সওয়াল জবাবের কাজ।

এদিকে, সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনে খুশির হাওয়া জলপাইগুড়িতে। এদিন আবিরে, রঙে বিজয় উৎসব পালন করল জলপাইগুড়ি জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস দফতরের সামনে আবির নিয়ে হোলিতে মেতে ওঠেন যুব তৃণমূল কর্মীরা৷

সাধারণ নাগরিকদেরও রঙের উৎসবে সামিল করেন তারা। এবিষয়ে জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘ দশকের আন্দোলনের সাফল্যেই এই বিজয় উৎসব।

বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু বিএসএফ কর্মীর

স্টাফ রিপোর্টার, হাবড়া: দাদার বিয়ে খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশে পরে থাকা গাছের গুড়িতে ধাক্কা এক বাইক আরোহীর। মৃত্যু এক বিএসএফ কর্মীর। সোমবার দুপুরের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণা জেলার গাইঘাটা থানার জলেশ্বর মোড় এলাকার।

পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত যুবকের নাম শুভ্রজিৎ দাস (২২)। বাড়ি আমডাঙ্গা থানার আদহাটা এলাকায় পেশায় বিএসএফ কর্মী। ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় লোকজন হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করে।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে শুভ্রজ্যোতি দাস গত মাসের চব্বিশ তারিখ বাড়িতে আসে দাদার বিয়ে উপলক্ষে। চাঁদপারা রামচন্দ্রপুর সিঞ্জন এলাকায় দাদা তরুন দাসের বৌভাত খেয়ে সোমবার সকালে বাড়ি গিয়েছিল৷ ফের দাদার বাড়িতে যাবার সময় জলেশ্বর মন্দির এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ভোটের দিন ঘোষণা, প্রচারে পথে তৃণমূল

স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনার। তাই দেরি না করে প্রচারে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। এখনও অনেক দল প্রার্থী ঘোষণা করেনি। কিন্তু দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে তমলুক হসপিটাল মোড়ের কাছে দেওয়াল লিখন শুরু করলেন তমলুক যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ও তমলুক পুরসভার কাউন্সিলর চঞ্চল খাড়া। এদিন চঞ্চল বাবু বেশ কিছু কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দেওয়াল লিখন শুরু করে দেন। তবে কোনও প্রার্থীর নাম এখনও লেখা হয়নি৷ প্রার্থীর নাম ছাড়াই দেওয়াল লেখা হবে বলে জানান কাউন্সিলর৷

গত ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শুভেন্দু অধিকারী৷ সিপিএমের ইব্রাহিম আলী, বিজেপি অম্বুজ মহান্তি এই আসন থেকেই লড়েন৷ তমলুক লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী প্রায় দু লক্ষ ভোটে জয়লাভ করেছিলেন।

– Advertisement –

নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা থেকে ২০১৬ সালে বিধানসভায় প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারির নাম ঘোষণা করা হয়৷ সেই মোতাবেক তমলুক লোকসভা কেন্দ্র ছেড়ে নন্দীগ্রামে বিধানসভায় প্রার্থী হন শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দুর আসনে তমলুক লোকসভার কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন শুভেন্দু অধিকারী ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। প্রায় সাড়ে তিন লক্ষের বেশি ভোটে জয় লাভ করেন দিব্যেন্দু৷ তাই তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে মমতা ব্যানার্জি যাকেই প্রার্থী করুন না কেন এবারও রেকর্ড ভোটে জয়লাভ করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী-এমনই মনে করেন চঞ্চল বাবু।

আরও পড়ুন : যে দশটি কারণে ক্ষমতায় ফিরতে পারে বিজেপি

লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে। আর শেষ হাসি কে হাসবে এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২৩শে মে পর্যন্ত। জেলায় পর পর নির্বাচনে শাসকদলের প্রধান বিরোধীদল বিজেপি ভোট বাক্সে তাদের ভোট অনেক গুণ বাড়িয়ে তুলেছে।

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া নির্বাচনগুলিতে একাধিক অভিযোগ তোলা হয় শাসকদলের সরকারের বিরুদ্ধে। ভোটারদের নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগ তোলা হয়। লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানো হবে৷ এখন শেষ হাসি কে হাসে সেটাই দেখার অপেক্ষা৷

শুক্রবার থেকে ফের বৃষ্টি রাজ্যে

কলকাতা: ফের বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যে৷ আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা বাড়বে৷ ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে৷

এরই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা৷ যার জেরে বৃষ্টি হবে৷ ফলে আগামী শুক্রবার থেকেই এই বৃষ্টি শুরু হতে পারে৷ সপ্তাহান্তে তাই বৃষ্টির মুখ দেখতে পারে শহর কলকাতা সহ গোটা রাজ্য৷ আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও বঙ্গোপসাগরে বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়েছে৷

এর জেরে আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে৷ শুক্রবার থেকে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই৷

ভোটযুদ্ধে প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু, হাওড়ায় বৈঠকে জেলাশাসক

হাওড়া: হাওড়ায় রয়েছে দুটি লোকসভা আসন৷ হাওড়া সদর ও উলুবেড়িয়া। এছাড়াও শ্রীরামপুরের দুটি আসনের কিছুটা অংশ রয়েছে হাওড়া জেলার মধ্যে। আসন্ন ভোট নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন হাওড়ার জেলাশাসক।

এদিকে, নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে সোমবার দুপুরেই হাওড়া পুরনিগমের ভিতরে থাকা বিভিন্ন হোর্ডিং খুলে ফেলা হয়েছে। হাওড়া পৌর কর্মচারী সমিতির কার্য্যকরী সভাপতি গুরুচরণ চট্টোপাধ্যায় জানান, নির্বাচনী বিধি লাগু হওয়ায় সব হোর্ডিং এদিন খুলে ফেলা হয়েছে।

অন্যদিকে, রবিবার নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর সোমবার থেকেই দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে হাওড়ায়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দেওয়াল লিখন শুরু করেছে সোমবার থেকেই।

ফাইল ছবি

– Advertisement –

সোমবার জেলাশাসক সাংবাদিক বৈঠক করেন নিউ কালেক্টরেট পথের দাবি হলে। ওই সাংবাদিক বৈঠকে হাওড়ার জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্ত্তী বলেন, ৬মে ভোটের জন্য নোটিফিকেশনের দিন ধার্য্য হয়েছে আগামী ১০ এপ্রিল। আগামী ১৮ এপ্রিল নমিনেশন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর স্ক্রুটিনি হবে ২০ এপ্রিল। নমিনেশন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২২ এপ্রিল।

জেলাশাসক জানান, এবার হাওড়া জেলায় মোট ভোটার ৩৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৭৯ জন। মোট পোলিং স্টেশন ৪ হাজার ৩১৬টি। নির্বাচনী নির্ঘন্ট প্রকাশ হওয়ায় ইতিমধ্যেই লাগু হয়েছে নির্বাচনী বিধি। জেলাশাসক জানিয়েছেন সরকারি অফিস চত্বর সহ পাবলিক প্লেস থেকে হোর্ডিং, ব্যানার সব খোলা হবে।

আরও পড়ুন : প্রার্থী না করে ভোট প্রচারের দায়িত্ব দিয়ে অর্জুনকে ‘কোণঠাসা’ মমতার

জেলাশাসক এদিন জানান, গরম থেকে বাঁচতে ভোটকেন্দ্রে থাকছে অস্থায়ী ছাউনি ও পানীয় জলের ব্যবস্থা। পাশাপাশি শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্যে তৈরি করা হচ্ছে র‍্যাম্প। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে প্রত্যেক ভোটদাতা যাতে ভোট দিতে পারেন সেইজন্য সমস্ত রকমের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

হাওড়া জেলায় শারীরিকভাবে অক্ষম ভোটার রয়েছেন ১৩৫৮২জন। মূলত দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, কথা বলা বা শোনার সমস্যা, হাঁটার সমস্যা প্রভৃতি সমস্যা রয়েছে এমন ভোটারদের জন্যে বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এই ভোটারদের ভোটদানে যাতে কোন সমস্যা না হয় সেইজন্যে যেসব ভোটগ্রহন কেন্দ্রে এইসব ভোটাররা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন সেইসব কেন্দ্রে তৈরি করা হচ্ছে র‍্যাম্প।

আরও পড়ুন : লোকসভা ভোটে লড়বেন না এই মহারথীরা

জানানো হয়েছে প্রয়োজনমত স্থায়ী বা অস্থায়ী র‍্যাম্প তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন। প্রয়োজনে হুইলচেয়ার নিয়ে ওই ভোটার ইভিএম পর্যন্ত যেতে পারেন। এছাড়াও দোতলা বা তিনতলায় থাকা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলির ক্ষেত্রে ওই রকমের ভোটারকে যাতে সিঁড়ি ভাঙ্গতে না হয় তার জন্যে বিশেষ চেয়ারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। থাকবেন স্বেচ্ছাসেবকও। যারা ওই চেয়ারে বসিয়ে শারীরিকভাবে অক্ষম ভোটারকে ওপরের তলায় থাকা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছে দেবেন।

প্রত্যেক ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে ভিভিপ্যাট। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে এই নির্বাচনে সি-ভিজিলের ওপরে জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও ভোটারদের নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে থাকছে একটি হেল্পলাইনও। সি-ভিজিল অ্যাপের মাধ্যমেও কোথাও কোন সমস্যা হলে তার ছবি বা ভিডিও তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো যাবে। সেক্ষেত্রে নিজের পরিচয়ও গোপন রাখতে পারবেন অভিযোগকারী।

জেলায় ভোট প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঘুরে দেখল কলকাতা ২৪x৭

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া : মাত্র ২৪ ঘন্টা আগেই লোকসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তার পরে পরেই স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের ভোট প্রচারে নামার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে ফেলেছে। এবারই প্রথম এই রাজ্যে সাত দফায় ভোট হবে।

আগামী ১২ মে বাঁকুড়া জেলার দুই লোকসভা কেন্দ্রের ২৭ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন ঘোষণানুযায়ী এই প্রথম এ রাজ্যে সাত দফা ভোট। এ প্রসঙ্গে কি বলছেন রাজনৈতিক দল গুলির বাঁকুড়া জেলা নেতৃত্ব। তা জানতেই আমরা কথা বলেছিলাম তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস জেলা শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে।

– Advertisement –

বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি জয় চ্যাটার্জ্জী বলেন, ‘সাত দফা হোক বা ৪২ দফা নির্বাচনই হোক। সব দফা নির্বাচনের জন্যই আমরা তৃণমূল কংগ্রেস প্রস্তুত আছি। কারণ আমরা সারা বছর মানুষের সঙ্গে থাকি। এর আগে আমরা পাঁচ দফায় ভোট দেখেছি। যতো দফাতেই ভোট হোক আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানাচ্ছি। বিরোধীরা মাঠে, ময়দানে থাকে না’৷

তাঁর আরও দাবি বিগত নির্বাচনগুলির মতো এই নির্বাচনেও এ রাজ্যের ৪২ আসনেই মমতা ব্যানার্জ্জীকে মানুষ ‘আশীর্বাদ’ করবেন৷ সদ্য তৃণমূল ত্যাগী সাংসদ সৌমিত্র খাঁ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করায় তিনি তাঁকে ‘গদ্দার’ ও ‘মীরজাফর’ আখ্যা দিয়ে বলেন, উনি যদি এবার বিজেপির প্রার্থী হন তাহলে মানুষ তার ‘জামানাত জব্দ’ করে এই গদ্দারির যোগ্য জবাব দেবেন।

অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি ও গত ২০১৪ সালে বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থী ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমরা দেখেছি মানুষ মনোনয়নপত্র পেশ করতেই পারেনি, ভোট দেওয়া তো দূর অস্ত। আর সেখানে বিপুল সংখ্যক তৃণমূল প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভা ভোটকে ‘গণতন্ত্রের উৎসব’ বলেছেন দাবী করে এই বিজেপি নেতা বলেন, সন্ত্রাস ছাড়াই যাতে মানুষ এই উৎসবে যোগ দিতে পারেন, তাই সাতদফায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছে কমিশন।

এই সাত দফার নির্বাচনকে ‘স্বাগত’ জানিয়ে তিনি বলেন, এবার অত্যাধুনিক ব্যবস্থা সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে ভোট হওয়ার কারণে তৃণমূলের পক্ষে ‘সন্ত্রাস করাটা কঠিন হবে’ বলেই তিনি মনে করেন। একই সঙ্গে তিনি জনতাও এবার রুখে দাঁড়াবে। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঐ ভোট তৃণমূল এবার ভুলে যাক। সদ্য দলে যোগ দেওয়া তৃণমূল সাংসদ সৌমিত্র খাঁ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিজেপি গঙ্গা নদীর মতো। যে আসবে সেই পবিত্র হয়ে যাবে। যে আসবে তাকেই দলে ‘স্বাগত’ বলে তিনি জানান।

সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দলের প্রাক্তন বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অমিয় পাত্র ‘পাঁচ দফা কি সাত দফা এটা বড় কথা নয়’ মানুষ নির্ভয়ে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে কিনা প্রশ্ন তুলে বলেন, অতীতে আমাদের পাঁচ দফা ভোটের অভিজ্ঞতা আছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যারাকে রেখে রাজ্যের পুলিশ আর সিভিক ভল্যান্টিয়াররা সেই সময় ‘ভোট করেছে’ বলে তিনি দাবী করেন।

এবারের ভোটেও মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কিনা সেই আশঙ্কা করে অমিয় পাত্র বলেন, বাঁকুড়াতে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে তাদের পরিচালনা করবে এই জেলার পুলিশ। আর জেলা ও রাজ্যের পুলিশ একজনকেই চেনে। তার নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবী করে তিনি বলেন, তার ‘অঙ্গুলি হেলনেই’ যেমন রাজ্য পুলিশ চলবে, তেমনি কেন্দ্রীয় বাহিনীও পরিচালিত হবে বলে তিনি দাবী করেন।

বহুচর্চিত সিপিএম-কংগ্রেস জোট প্রসঙ্গে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অমিয় পাত্রকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাঁকুড়ার দুই আসনেই সিপিএম লড়বে। এখনো পর্যন্ত কংগ্রেস বা অন্য কোন দল এখানে এবিষয়ে দাবী জানায়নি।

কংগ্রেসের বাঁকুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক অরূপ ব্যানার্জ্জী বলেন, আমরা আগে এতো দফায় ভোট দেখিনি। এক দফা, দু’দফার পর পাঁচ দফা দেখলাম। এবারই প্রথম সাত দফা। এই সাত দফা ভোটকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, আগামী দিনে হয়তো দেখবো ৪২ আসনে ৪২ দফা ভোট হবে। এই বিষয়টা সাধারণ মানুষের কাছেও বিরাট প্রশ্ন চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশন একটা ‘রিপোর্টে’র ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উত্তর প্রদেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওখানে অনেক বেশী আসন, তবুও সাত দফাতেও ভোট। এরাজ্যে মাত্র ৪২ আসনে ভোট তবুও সাত দফা। তবে কি ভোটে বিশৃঙ্খলা আঁচ করেই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত মানুষ তা জানতে চাইছে বলে তিনি জানান। মানুষ নির্ভয়ে তার ভোট যাতে দিতে পারে তার ব্যবস্থা করার দাবী জানিয়ে বলেন, গত পঞ্চায়েত ভোটৈর অভিজ্ঞতা এবার যাতে না হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী দেওয়ার পাশাপাশি ভোটের আগে গ্রামে গ্রামে তাদের টহলদারির দাবী জানান তিনি। বাম-কংগ্রেস জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত ‘অফিসিয়ালি’ কোন খবর তাদের কাছে আসেনি।