বিশিষ্ট সাংবাদিক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে স্মরণ বাঁকুড়ায়

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ব্রিটিশের বিরুদ্ধে তাঁর কলম ছিল অক্লান্ত। বাংলায় প্রবাসী, ইংরেজীতে মডার্ণ রিভিউ আর হিন্দিতে বিশাল ভারত সম্পাদনা করেছেন তিনি। তিনি আর কেউ নন বাঁকুড়ার ভূমিপুত্র বিশ্ব বরেণ্য সাংবাদিক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়।

রবিবার বাঁকুড়া জেলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সহযোগীতায় বঙ্গ বিদ্যালয়ে রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের ৭৫ তম প্রয়াণ বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কথা গুলি বলেন এশিয়াটিক সোসাইটির বরিষ্ঠতালিকাভূক্তিকারী ডঃ জগৎপতি সরকার।

– Advertisement –

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় তাঁর কলমকে হাতিয়ার করে আজীবন মানব সেবায় কাজ করে গিয়েছেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ সহ সেই সময়কার বিশিষ্ট জনদের অত্যন্ত কাছের মানুষ ছিলেন। তাঁর কলম এতোটাই শক্তিশালী ছিল যে ভগিনী নিবেদিতা এক সময় বলেছিলেন, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় যদি স্বৈরাচারী ইংরেজদের চাপে পত্রিকা চালাতে না পারেন তবে তিনি নিজে পত্রিকা চালানোর দায়িত্ব তুলে নেবেন।

মৃত্যুর ৭৫ বছর পরেও রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ও তাঁকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গবেষণা হচ্ছে বলে মুখ্য আলোচক ডঃ জগৎপতি সরকার বলেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারীক অরুণাভ মিত্র জেলা প্রেস ক্লাবের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম দিবস যাতে সরকারীভাবে পালন করা যায় সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করবেন।

জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ ভট্টাচার্য্য তাঁর স্বাগত ভাষণে বলেন, বিশ্ববরেণ্য সাংবাদিক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের উত্তরসূরী হিসেবে আমরা গর্ববোধ করি। প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতিবছর আমরা রামানন্দ জন্মদিবস পালন করি। এবছর এই মহান মানুষটির মৃত্যুর ৭৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যেই এবছর বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম দিবস ২৯ মে দিনটিকে সরকারীভাবে ‘সাংবাদিক দিবস’ হিসেবে পালনের দাবীতে তারা অনড় থাকছেন।

এদিন এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামাপদ চৌধুরী ও প্রবীণ চিত্র সাংবাদিক অজিত মিশ্রকে সম্বর্ধনা জানানো হয়। একই সঙ্গে গান ও কবিতা ও আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ববরেণ্য সাংবাদিক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে এদিন স্মরণ করা হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে ডঃ জগৎপতি সরকার, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারীক অরুণাভ মিত্র, আয়োজক প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ ভট্টাচার্য্য, সভাপতি সুনীল কুমার দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

ডুমিনির মাইলস্টোন, সিরিজে এগল প্রোটিয়ারা

কিম্বারলি: সফরকারী জিম্বাবোয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা৷ টসে জিতে প্রোটিয়া অধিনায়ক জেপি ডুমিনি প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান হ্যামিল্টন মাসাকাদজাদের৷ প্রত্যাশিতভাবেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবোয়ে৷ ৩৪.১ ওভারে মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা৷

আরও পড়ুন: রবিবার থেকে চালু ডাকওয়ার্থ-লুইসের নতুন নিয়ম

জিম্বাবোয়ের ঝুলিয়ে দেওয়া ছোট লক্ষ্য সামনে নিয়ে পাল্টা ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসলেও হেনরিচ ক্লাসেন দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন৷ ডুমিনিরা শেষমেশ ফিনিশিং টাচ দিতে কোনও ভুল করেননি৷ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৬.১ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১১৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়৷

– Advertisement –

জিম্বাবোয়ে শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে৷ ক্যাপ্টেন মাসাকাদজা ওপেন করতে নেমে একপ্রান্ত আঁকড়ে ৫২ বলে ২৫ রান করেন৷ অপর প্রান্ত দিয়ে পর পর সাজঘরে ফেরেন সলোমন মায়ার (০), ক্রেগ এরভাইন (৭), ব্রেন্ডন টেলর (৯),সিয়ান উইলিয়ামসরা (৪)৷

আরও পড়ুন: এশিয়া কাপে দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে ব়্যাংকিংয়ে এগোলেন শিখর-রোহিত

পিটার মুর তেরোর গেড়োয় আটকে যান৷ চিগুম্বুরা দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করে আউট হন৷ ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ক্রিজ ছাড়ার আগে ১৫ রান করেন৷ এছাড়া মাভুতা ৫ ও জার্ভিস ৮ রান করেন৷ প্রোটিয়াদের হয়ে ১৯ রানে ৩টি উইকেট নেন লুঙ্গি এনগিদি৷ দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন রাবাদা, ফেলুকাওয়ো ও ইমরান তাহির৷ একটি উইকেট মাল্ডারের৷দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ওপেন করতে নেমে এলগার ২ রানে আউট হন৷ ৫ রান করে ক্রিজ ছাড়েন রীজা হেনড্রিক্স৷ মার্করাম ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷ জোনকার ৬ রানের বেশি সংগ্রহ করতে পারেননি৷ ক্লাসেন আউট হন ৪৪ বলে ৪৪ রান করে৷ ডুমিনি ১৬ ও মাল্ডার ব্যক্তিগত ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন৷আরও পড়ুন: দলে ফিরলেন বিরাট, বাদ পড়লেন ধাওয়ান

এই ম্যাচেই নতুন মাইলস্টোন টকপে যান ডুমিনি৷ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি ৫ হাজারি ক্লাবের নবতম সদস্য হন৷ চাতারা ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা দু’টি করে উইকেট দখল করেন৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন লুঙ্গি এনগিদি৷

Advertisement

রাজনাথের সঙ্গে বৈঠকে মোদীকে বার্তা দিতে পারেন মমতা

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: জাতীয় নিরাপত্তা এবং সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। আজ, সোমবার নবান্নে পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার মোদি এবং ওডিশার প্রতিনিধির।

ইষ্টার্ন জোনাল কাউন্সিলের বৈঠকে চার রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা,বন্যা নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন জলাধার সংস্কার ও আর্থিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠকের দিকে নজর থাকবে সমস্ত রাজনৈতিক মহলের। এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার ফাঁকে রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একান্ত বৈঠকে বসতে পারেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছে।

– Advertisement –

গত ৭ ডিসেম্বর নবান্নে এ রকমই একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠক শেষ হওয়ার পরে রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে আলাদা কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রায় মিনিট পনেরো একান্ত বৈঠক হয় দুজনের মধ্যে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছিল, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে রাজনাথ সিংকে একটি স্মারকলিপি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷এ বারও যদি মমতা-রাজনাথ আলাদা করে মুখোমুখি হন, তা হলে কথা হতে পারে অনেক বিষয় নিয়েই।

ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, দুজনের কথা হতে পারে প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক বিষয়ে। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বা মোদী সরকারের সঙ্গে মমতা সরকারের সঙ্ঘাত এই মুহূর্তে যে পর্যায়ে, তাতে প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক স্তরে নানা সমস্যার আবহ রয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

খোলামেলা আলোচনা ছাড়া সেই সব জটিলতা কাটানো কঠিন বলেই তাঁদের মত। রাজনাথ সিংহের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো৷ রাজনৈতিক মহল মনে করছে, রাজনাথের সঙ্গে মমতা আলাদা কথা বলার সুযোগ পেলে তাঁর মাধ্যমে কোনও বার্তা নরেন্দ্র মোদীকে তিনি অবশ্যই দেবেন৷

Advertisement

অঙ্কিতদের সঙ্গে প্রস্তুিত ম্যাচে নজর কাড়লেন আবেশ

ভদোদরা: ব্যাট হাতে বড় রানের ইনিংস খেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল, শ্রেয়স আইয়ার, আঙ্কিত বাউনিরা৷ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে বোর্ড সভাপতি একাদশের হয়ে বল হাতে নজর কাড়েন আবেশ খান৷

আরও পড়ুন: যুব এশিয়া কাপে দুরন্ত জয় ভারতের

ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে দু’দিনের অনুশীলন ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইন্ডিয়ান বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশ৷ অঙ্কিত বাউনির শতরান এবং মায়াঙ্ক ও শ্রেয়সের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে তারা ৬ উইকেটে ৩৬০ রান তুলে ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে৷

– Advertisement –

ওপেন করতে নেমে পৃথ্বী শ (৮) ব্যর্থ হলেও মায়াঙ্ক আগরওয়াল বড় রানের ইনিংস খেলেন৷ অল্পের জন্য ব্যক্তিগত শতরান হাতছাড়া করেন তিনি৷ ১১১ বলে ৯০ রান করার পথে মায়াঙ্ক ১৪টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন৷ সদ্য টেস্ট অভিষেক করা হনুমা বিহারী মাত্র ৩ রান করে আউট হন৷

আরও পড়ুন: টিকিট বিতর্কে সরতে পারে বিরাটদের ম্যাচ

দলনায়ক করুণ নায়ার সেট হয়ে উইকেট দিয়ে আসেন৷ তিনি প্যাভিলিয়নে ফেরেন ২৯ রান করে৷ শ্রেয়স আইয়ার ৬৪ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন৷ তিনি তিনটি চার ও পাঁচটি ছক্কা মারেন৷ অঙ্কিত নটআউট থাকেন ১১৬ রান করে৷ ১৯১ বলের ধৈর্য্যশীল ইনিংসে তিনি ১৫টি চার মারেন৷ দেবেন্দ্র বিশু ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে তিনটি উইকেট নেন৷জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে ৩৬৬ রান তুলে ইনিংস ডিক্লেয়ার করলে ম্যাচ ড্র ঘোষিত হয়৷ সুনীল অ্যাম্ব্রিস ৯৮ বলে ১১৪ রান করে অপরিজত থাকেন৷ তিনি ১৭টি চার ও ৫টি ছক্কা মারেন৷ স্বাভাবিকভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের দলে ঢোকার যোগ্য দাবি জানিয়ে রাখলেন তিনি৷ শেন ডওরিচ ৬৯ বলে ৬৫ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলেন৷

আরও পড়ুন: দলে ফিরলেন বিরাট, বাদ পড়লেন ধাওয়ান

এছাড়া ক্রেগ ব্রাথওয়েট ৫২, কিয়েরন পাওয়েল ৪৪, সাই হোপ ৩৬ ও হ্যামিল্টন ২৩ রান করে আউট হন৷ আবেশ খান ৬০ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট নেন৷ ১২৬ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন সৌরভ কুমার৷ একটি উইকেট জলজ সাক্সেনার৷ ৯ ওভার হাত ঘুরিয়ে তিনটি মেডেনসহ ৩১ রান খরচ করলেও কোনও উইকেট পাননি ইশান পোড়েল৷

Advertisement

রাজ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ বিজেপির

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দাড়িভিটে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্ত, আসরাউদ্দিনকে গ্রেফতার, রাজ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মতো ৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে রবিবার রাজভবনে(কলকাতা) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপি রাজ্য শীর্ষনেতারা।

আরও পড়ুন- বাংলা দখলের লক্ষ্যে বাঙালি হলেন রাজনাথ

রাজভবনে গিয়ে রাহুল সিনহা, সায়ন্তন বসুরা রাজনাথ সিংহের কাছে একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন। যেখানে রাজ্য বিজেপির পক্ষে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে।

– Advertisement –

রাহুলরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে রাজ্যে ৩০ জনের বেশি বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন। ৩০০০ জন কর্মী আহত। রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ফাঁসানোর জন্য অজস্র মিথ্যে কেস দেওয়া হয়েছে। বিজেপি কর্মীদের একাধিক মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে তাদের বিজেপি ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে।

পাশাপাশি পুরুলিয়ার জয়পুরে এবং উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের দাড়িভিটে পুলিশের গুলিতে ছাত্রমৃত্যু পরিকল্পিত বলে এর সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। সঙ্গেই রাজনাথের কাছে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা এবং রাজ্যে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি করেছেন রাহুলরা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় ইসলামপুরে দেবজিৎ সরকারের গ্রেফতার এবং তার উপর পুলিশের নির্যাতনের ঘটনার কথা বলে ইসলামপুর পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও উত্থাপিত হয়৷

Advertisement

পুজো করা নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে উঠল সর্বমঙ্গলা মন্দিরে

স্টাফ রিপোর্টার, পূর্ব বর্ধমান: পুজো করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ এবার চরমে উঠল৷ বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরের এই ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে জেলাজুড়ে৷ গত ২৯ আগষ্ট পরলোক গমন করেন সর্বমঙ্গলা মন্দিরের প্রাক্তন পুরোহিত ক্ষেত্রনাথ অধিকারী৷ ক্ষেত্রনাথবাবুর তিন ছেলে উত্তরাধিকার সূত্রে এই সর্বমঙ্গলা মন্দিরের পুরোহিত। নিয়মমতো গত ১৯ সেপ্টেম্বর ক্ষেত্রনাথবাবুর দুই ছেলের পুজো করার কথা ছিল৷ সেইমতো তাঁরা মন্দিরে যান৷

অভিযোগ, সেইসময় বহিরাগত বেশ কয়েকজন তাঁদের আটকান৷ কাল অশৌচ চলাকালীন অর্থাৎ ক্ষেত্রনাথবাবুর বাৎসরিক কাজ না হওয়া পর্যন্ত ছেলেদের মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেন৷ পুজো করা যাবে না বলেও নিদান দেন৷ আর তা নিয়ে বাক বিতণ্ডায় জড়ায় দুই পক্ষ৷ ক্ষেত্রনাথবাবুর ছেলে তাপস অধিকারী জানিয়েছেন, এই সময় বহিরাগত শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাঁর দুই দাদাকে মারধর করতে থাকেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে হাজির হলে তাঁকেও মাটিতে ফেলে রড, লাঠি দিয়ে মারা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷

– Advertisement –

এই ঘটনায় চারজনের নামে বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে নানান অজুহাতে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলেও অভিযোগ৷ এরপর তাঁরা গোটা বিষয়টি পুলিশসুপারকে জানান। কিন্তু ঘটনার কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি। এদিকে, রবিবার হিউম্যান রাইটস সিপিডিআর ইণ্ডিয়ার একটি সভায় এই ঘটনা নিয়ে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই সভায় হাজির ছিলেন মন্দিরের অনেক পুরোহিতও।

এদিন সর্বমঙ্গলা মন্দিরের বেশ কিছু পুরোহিত রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মন্দিরের গুটিকয়েক পুরোহিতের সঙ্গে অশুভ আঁতাতের জেরেই বহিরাগতরা বারবার মন্দিরে ঢুকে মন্দিরের পরিবেশকে কলঙ্কিত করছেন। এমনকি ওই পুরোহিতরা অদৃশ্য ক্ষমতাবলে দীর্ঘদিন ধরে পদ আঁকড়েও রয়েছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। সম্প্রতি পুরোহিত কমিটির সভায় ৪৫জন পুরোহিতের মধ্যে ৪৩জন পুরোহিত দুই পুরোহিতকে ট্রাস্ট কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নেন। সেই সিদ্ধান্তের কপি জেলা প্রশাসনের সর্বত্র পাঠানোও হয়৷

কিন্তু তারপরও প্রশাসন কোনও উদ্যোগ না নেওয়ায় এদিন পুরোহিতদের পক্ষ থেকে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়৷ বোঝাই যাচ্ছে, সর্বমঙ্গলা মন্দিরকে ঘিরে রীতিমত বিতর্ক শুরু হয়েছে শহরজুড়ে। অভিযোগ, তাপস অধিকারীদের আটকাতে সম্প্রতি মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পুরোহিতদের কোনও নিকট আত্মীয় মারা গেলে সংশ্লিষ্ট পুরোহিত এক বছর মন্দিরে উঠতে পারবেন না।

যদিও তা নিয়ে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মন্দির সূত্রে খবর, এর আগেও মন্দিরের একাধিক পুরোহিতের নিকট আত্মীয় বিয়োগ হলেও তাঁরা অশৌচ অবস্থাতেই মন্দিরের কাজকর্ম পরিচালনা করেছেন৷ তাপসবাবু এদিন অভিযোগ করেছেন, সর্বমঙ্গলা মন্দিরের সম্পত্তি নয়ছয় করতেই কেউ কেউ এমন কাজ করছেন৷ তিনি তাতে বারবার বাধা দেওয়াতেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি করেন৷ যদিও মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটির সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ জানিয়েছেন, ভক্তরা আপত্তি তোলে অশৌচ অবস্থায় এক বছর মন্দিরে উঠতে পারবে না বলে। তারপরই দু’জন শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতকে ডেকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে কি না তা জানতে চাওয়া হলে বলেন, তিনি সম্প্রতি সম্পাদক পদে এসেছেন৷ তাই আগে কী হয়েছে তা তাঁর জানা নেই। অন্যদিকে, শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনার দিন তাঁরা মন্দিরের বাইরে ছিলেন। ভিতরে কয়েকজন ভক্ত দুই পুরোহিতের মন্দিরে ঢোকার বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলেন। তাঁরা বিষয়টি সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষকে জানালে তিনিই শ্যামাপ্রসাদবাবুদের ভিতরে যেতে বলেন৷ মন্দিরে গিয়ে ভক্তদের দাবি যুক্তিযুক্ত মনে হওয়ায় তাঁরা ভক্তদের পক্ষেই ছিলেন। কিন্তু কাউকেই তাঁরা মারধর করেননি বলে দাবি। উল্টে তাপসবাবুই হেনস্থা করেন বলে তিনি জানিয়েছেন৷

[embedded content]

Advertisement

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু বেঙ্গালুরুর

বেঙ্গালুরু: গতবার অল্পের জন্য আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি বেঙ্গালুরু এফসি’র৷ আই লিগ থেকে সুপার লিগের সংসারে ঢুকেই ফাইনালে উঠলেও অভিষেক মরশুমে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় সুনীল ছেত্রীদের৷ এবার নতুন মরশুমের শুরুতেই ঘরের মাঠে জয় তুলে নিল বিএফসি৷

গতবার ফাইনালে যাদের কাছে হেরে ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল বেঙ্গালুরুর, সেই চেন্নাইয়িন এফসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে এবার আইএসএল অভিযান শুরু করল দ্য ব্লুজরা৷ শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন বিএফসি’র ভেনেজুয়েলান স্ট্রাইকার মিকু৷

সেদিক থেকে দেখলে গতমরশুমের ফাইনালের রি-ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিল গতবারের রানার্সরা৷ উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সেই ম্যাচেও বেঙ্গালুরুর হয়ে গোল পেয়েছিলেন মিকু৷

– Advertisement –

বিস্তারিত আসছে…

Advertisement

বাংলা দখলের লক্ষ্যে বাঙালি হলেন রাজনাথ

সৌমেন শীল, কলকাতা: বাঙালি হয়ে গিয়েছেন বিজেপি নেতা তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেই কারণে নামের শেষের ‘সিং’ বদলে হয়ে গিয়েছে সিংহ। এই বদলটা খুবই দরকার ছিল। বাংলা দখলের লক্ষ্যে এই বদল খুবই প্রয়োজন ছিল।

সোমবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে ভারতীয় জনতা পার্টির ইস্টার্ন জোনাল কাউন্সিলের বৈঠক। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজনাথই ওই বৈঠকের প্রধান ব্যক্তি। লোকসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে এবং সংলগ্ন অন্য রাজ্যগুলিতে সংগঠনের ভিত মজবুত করা এখন বিজেপির মূল লক্ষ্য। আর বাংলার ক্ষমতা দখল তো পদ্ম শিবিরের পাখির চোখ।

– Advertisement –

সেই সভায় যোগ দিতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন রাজনাথ। বিজেপি নেতা এবং কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ। প্রতি মুহূর্ত তাঁরা আপডেট করেন নিজেদের ফেসবুক বা ট্যুইটারে। এই নিয়ে বিরোধী শিবিরের কটাক্ষও শুনতে হয়। আর সেই সোশ্যাল মিডিয়াতেই এক বিপ্লব করে ফেলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কলকাতায় এসে খুব নিয়ম মেনেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সকলকে জানিয়েছেন যে তিনি বাঙালির প্রাণের শহরে পৌঁছে গিয়েছেন। সোমবারের বৈঠকের বিষয়টিও জানিয়েছিলেন। আর এখানেই ছিল চমক। ট্যুইটারে দেখা যাচ্ছে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রোফাইলে তাঁর নাম বাংলায় লেখা। ‘রাজনাথ সিংহ’ নামের পাশে আবার ভেরিফায়েড তকমা দেওয়া নীল টিক চিহ্নটিও রয়েছে।

প্রাথমিক অবস্থায় বাংলায় বাংলা নাম দেখে মনে হতেই পারে কোনও ভুয়ো প্রোফাইল। কারণ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ভুয়ো অনেক প্রোফাইল দেখা যায়। রাজনাথের ক্ষেত্রেও তেমন কিছু হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে পাশের নীল টিক চিহ্ন দেখে অবিশ্বাসের কিছু থাকে না। তখনই বোঝা যায় কলকাতায় এসে নিজেকে বাঙালি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সিং থেকে হয়ে গিয়েছেন সিংহ।

এ হেন বাঙালিয়ানা রাজনাথ কখনও দেখাননি। বাংলায় তাকে কখনও কথা বলতেও শোনা যায়নি। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পাঁচ তারিখে ষষ্ঠদশ লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে কলকাতায় এসেছিলেন রাজনাথ সিং। সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীও ছিলেন। ভাঙা বাংলায় কথা বলে বক্তব্য শুরু করেছিলেন মোদী। রাজনাথ সিং অবশ্য সেই পথে হাঁটেননি। হিন্দিতেই বক্তব্য রেখেছিলেন।

২০১৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি কলকাতার সভায়

সেই ঘটনার পরে পেরিয়ে গিয়েছে আরও প্রায় ৫৬ টি মাস। মাঝে অনেক ঘটে গিয়েছে অনেক কিছু। রাজ্য এবং জাতীয় স্তরের রাজনীতিতেও বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। মাঝের এই সময়ের মধ্যে বাংলায় জমি শক্ত করেছে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড। বাংলার অধিকাংশ লোকসভা আসন দখল করার টার্গেট স্থির করে ফেলেছেন দলের সভাপতি অমিত শাহ। এই মুহূর্তে বাংলা দখল পদ্ম শিবিরের পাখির চোখ। লক্ষ্যভেদ করতে হলে নিজেকেও তো বাঙালি করতে হবে! সেই কারণেই ‘সিং’ থেকে ‘সিংহ’ হয়ে গেলেন রাজনাথ।

রাজনাথ সিং এবং রাজনাথ সিংহ দু’জনেই এক এবং অভিন্ন ব্যক্তি। তবে এই বিষয়ে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনও আদালত থেকে এফিডেফিট করেছেন কিনা তা জানা এখনও জানা যায়নি। আগামী কয়েকদিনে এমন কোনও বিজ্ঞাপন সংবাদপত্রে চোখে পড়লে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

Advertisement

অফিসের আবাসন থেকে পুলিশকর্মীর দেহ উদ্ধার

সিউড়ি: পুলিশকর্মীর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল সিউড়ি পুলিশ আবাসনে৷ মৃতের নাম মহম্মদ ওয়াসিম (৩২)৷ মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের বাসিন্দা ছিলেন ওয়াসিম৷ তিনি রাজ্য পুলিশের স্পেশাল ফোর্সে কর্মরত ছিলেন৷

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ পুলিশ লাইনের আবাসন থেকে ওয়াসিমের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়৷ এটি আত্মহত্যা না এর পিছনে অন্য কোনও ঘটনা রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ তবে প্রাথমিক অনুমান আত্মঘাতী হয়েছেন এই তরুণ পুলিশকর্মী৷

– Advertisement –

নিহত মহম্মদ ওয়াসিমের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়৷ পাশাপাশি মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে৷ যদি এই যুবক আত্মঘাতী হন সেক্ষেত্রে প্রশ্ন কেন এমনটা তিনি করলেন! কাজের জায়গায় কোনওরকম অতিরিক্ত চাপ নাকি ব্যক্তিগত জীবনে কোনও সমস্যা তাঁকে এমন পথে ঠেলে দিল! আর যদি এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণও থেকে থাকে তাও তদন্ত করে দেখবে পুলিশ৷

আরও পড়ুন: গোরক্ষার স্বার্থে পৃথক মন্ত্রক খোলার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

[embedded content]

Advertisement

বিজেপির ‘অপপ্রচার’, ‘কুৎসা’র বিরুদ্ধে বাঁকুড়ায় প্রতিবাদসভা তৃণমূলের

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: কার্যত লোকসভা ভোটের আগাম প্রচার শুরু করে দিল শাসকদল। রবিবার বিজেপির বিরুদ্ধে কুৎসা ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে পথে নামলো তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিক্রমপুরে মিছিল করা হয়। উপস্থিত ছিলেন সোনামুখী পুরসভার চেয়ারম্যান ও জেলা তৃণমূল নেতা সুরজিৎ মুখোপাধ্যায়, সিমলাপাল ব্লক তৃণমূল সভাপতি রামানুজ সিংহ মহাপাত্র, যুব সভাপতি শীতল দে, যুবনেতা রবিদাস চক্রবর্তী প্রমুখ।

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

– Advertisement –

মিছিল শেষে বিক্রমপুর সব্জী মার্কেটে এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা তৃণমূল নেতা সুরজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, একদিকে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার কুৎসা আর অপপ্রচার চালাচ্ছে। অন্যদিকে পেট্রোপণ্য থেকে শুরু করে সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম হু হু করে বাড়ছে৷ বিজেপির সে ব্যাপারে কোনও বক্তব্য নেই৷

তিনি বলেন, কুৎসা আর অপপ্রচার করে মানুষের মন জয় করা যায় না৷ আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে বাংলার মানুষ যোগ্য জবাব দেবেন। এই বাংলায় একটি আসনও বিজেপি জিততে পারবে না দাবি এই তৃণমূল নেতার৷ সিমলাপালের এই বিক্রমপুর গ্রামপঞ্চায়েতটি এই ভোটে হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের৷

দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় পঞ্চায়েত হাতছাড়া নিয়ে দলীয় স্তরে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। তার পরপরই বিক্রমপুরে জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই মিছিল-সভা ব্যাপক তাৎপর্য বহন করছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা৷ আগামী লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহলের এই এলাকা বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রটি নিজেদের দখলে রাখার ক্ষেত্রে অনেকটাই কাজ করবে। সেই হিসেবে এদিন থেকেই আগামী লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিল শাসকদল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷

আরও পড়ুন: ব্যাগ কাঁধে ওঠা যাবে না মেট্রোয়

[embedded content]

Advertisement