অবহেলায় কথা সাহিত্যিক, এগিয়ে এলেন ক্লাব সদস্যরা

ঝাড়গ্রাম: নতুন জেলা হওয়ার পর আস্তে আস্তে ভোল বদলাচ্ছে ঝাড়গ্রামের৷ ঢেলে সাজছে ঝাড়গ্রাম শহর৷ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সংস্কারের অভাবে বিবর্ণ চেহারা নিয়েছিল এ শহরে স্থিত শরৎচন্দ্রের আবক্ষ মূর্তিটির৷ এবার তাও পরিষ্কার করা হল৷ অবশ্য এ উদ্যোগ স্থানীয় এক ক্লাব সদস্যদের৷

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

শহরের জুবিলি মার্কেটে ঢোকার মুখের এই মূর্তিটি অনেকে তো মনেই করতে পারেন না৷ একে তো এত দোকান৷ তার উপর মূর্তিটি সেভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করা হয়নি এতদিন৷ দোকানের ভিড়ে একেবারে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল এটি৷

– Advertisement –

এবার কথা সাহিত্যিকের সেই মূর্তিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রং করার ব্যবস্থা করলেন ঝাড়গ্রাম শহরের কদমকানন ইউনাইটেড ক্লাবের সদস্যরা। রবিবার কদমকানন ইউনাইটেড ক্লাবের তরুণ ব্রিগেড কোমর বেঁধে লেগে পড়েন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মূর্তিটিকে একেবারে আগের চেহারায় ফিরিয়ে আনতে৷ মূর্তিটি পরিষ্কার করে তাতে মাল্যদান করে বাংলার কথা সাহিত্যিককে সম্মান জানান ক্লাবের সদস্যরা৷

শুধু কথা সাহিত্যেই নয়, বাঙালি মননে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আজও ভাস্বর৷ তাঁর সৃষ্টি, লেখনির ধার আজও সাহিত্য প্রিয় বাঙালিকে এক অন্য তৃপ্তিধারায় পরিতৃপ্ত করে৷ তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি আজও বাঙালির কাছে যেন রক্তমাংসের মানুষ৷ ইন্দ্রনাথ-শ্রীকান্তের সখ্যতা বাঙালির চিরকালীন বন্ধুত্বের প্রতীক৷ দেবদাস-পার্বতীর মত আজও বহু বাঙালির পরিণতি না পাওয়া প্রেম ছিঁড়ে খায় হৃদমাঝার৷ এমন কালজয়ী সাহিত্যস্রষ্টাকে অবহেলায় এক কোনে ফেলে রাখাটা কার্যত আমাদেরই লজ্জা৷ বাঙালির লজ্জা৷

আরও পড়ুন: ঘরছাড়া বাঙালিরা! রাষ্ট্রসংঘে দরদ উথলে উঠল পাকিস্তানের

[embedded content]

Advertisement

হিলিতে পাথর রফতানি বন্ধ!

স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: সপ্তাহ খানেক ধরে ভারত থেকে পাথর রপ্তানি বন্ধ থাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দরে বনধের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশের আমদানীকারকরা। আগামী সোমবার থেকে তাঁরা হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কোনও পণ্যই আমদানি করবেন না বলে এপার হিলির রপ্তানিকারক সংগঠনকে রীতিমতো লিখিত ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে গুলির আওয়াজ আর শোনা যাবে না: শুভেন্দু

এই ব্যাপারে হিলি এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশনের তরফে অভিযোগ করে জানানো হয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বর হিলি ট্রাক টার্মিনাসে গিয়ে জনৈক এক রপ্তানিকারক সেখানকার এক কর্মীকে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে হিলিরই বাসিন্দা উত্তম জৈন নামের এক রপ্তানিকারকের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। সেই ঘটনা প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে সংগঠন। যদিও এটা ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন উত্তম জৈন। 

– Advertisement –

হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর থেকে পাথর রপ্তানিকারকদের একাংশ বাণিজ্য বন্ধ রেখেছেন। ফলে সমস্যায় পড়েছেন ওপাড়ের আমদানীকারকরা। এপার থেকে পাথর না যাওয়ায় বাংলাদেশে পদ্মা নদীর উপরে সেতু তৈরি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মত মেগা প্রজেক্টের কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে বাংলাদেশের তরফে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাথর বোঝাই গাড়ি বাংলাদেশে ঢোকা শুরু না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কোনও পণ্যই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন ওপারের আমদানীকারকরা।

হিলি এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশনের সম্পাদক সুব্রত সাহা রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন, উত্তম জৈনের নেতৃত্বে রপ্তানিকারকের একাংশের দাদাগিরির কারণে পাথর রপ্তানি বন্ধ রাখতে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন। ট্রাক টার্মিনাসে পণ্য বোঝাই গাড়ি ঢুকতে না দেওয়ায় পার্কিং ফি বাবদ প্রতিদিন এক লক্ষেরও বেশি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত সকলের কাছে লিখিত অভিযোগও জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এই ব্যাপারে উত্তম জৈন গোষ্ঠীর তরফেও রবিবার বিকেলে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে উত্তম জৈন জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই মিথ্যে। ২২ সেপ্টেম্বর হুমকি বা ট্রাক টার্মিনাসের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার কোনও ঘটনাই ঘটেনি। রপ্তানি বাণিজ্যের স্বার্থে অবিলম্বে বিষয়টিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপেরও দাবি তিনি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

[embedded content]

Advertisement

দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে বোমাবাজি বীরভূমে

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: ফের অনুব্রত মণ্ডলের জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠল। গোষ্ঠীসংঘর্ষের জেরে এদিন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বীরভূমের সদাইপুর থানার তৌরুগরীহাট গ্রাম। ভিন্ন দুই জায়গার স্থানীয় তৃণমূল নেতার অনুগামী শেখ গরীব ও শেখ ইমলাক৷ দুজনেই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ এলাকায় চলে ব্যাপক বোমাবাজি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে তৃণমূলের দুবরাজপুর ব্লক সভাপতি ভোলানাথ মিত্রের নির্দেশে তার অনুগামীরা নিজেদের সমর্থক প্রমাণ করার জন্য বাড়ি বাড়ি সই করতে বেরিয়েছিল শেখ গরীব। হঠাৎই সেই সময় সিউড়ি ১ নং ব্লক সভাপতি স্বর্ণময় সিংহের অনুগামী শেখ ইমলাক দলবল নিয়ে তাদের উপর হামলা করে৷ ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় শেখ গরীবের লোকজনকে লক্ষ্য করে। বোমাবাজি করা হয় শেখ গরীবের বাড়িতেও। এই ঘটনায় আহত হয়েছে দুই তৃণমূল কর্মী।

– Advertisement –

শেখ গরিবের কথায় আমরাই আদি তৃণমূল৷ কিন্তু বর্তমানে এখন আমাদেরকে ভুলে যাচ্ছে স্বর্ণময় সিংহ। আমাদের কথা শোনে না তিনি। নতুন গোষ্ঠী বানিয়েছে স্বর্ণময়৷ সে কারণেই আমরা এখন ভোলানাথের অনুগামী হয়েছি। তার নির্দেশ মেনে সমস্ত কাজ করছি। তার নির্দেশেই গিয়ে ছিলাম সই করাতে৷ কিন্তু আমাদের উপর ব্যাপক বোমাবাজি করা হয়৷ প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয় আমাদের।

অন্যদিকে সেখ ইমলাকের কথায় আমরাই তৃণমূল। শেখ গরীব বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী। জোর করে বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল সই করাতে। সাধারণ মানুষ সই না করায় বোম মেরে ভয় দেখিয়ে সই করাতে গিয়েছিল তারা। আমরা এই ঘটনার সঙ্গে কোনভাবেই যুক্ত নয়। যদিও তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে গুলির আওয়াজ আর শোনা যাবে না: শুভেন্দু

[embedded content]

Advertisement

জেলে দেবজিৎ সরকার, ক্ষোভ বাড়ছে সমর্থকদের মধ্যে

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দাড়িভিটে ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বনধে অংশগ্রহণ করে ইসলামপুর কলেজমোড় থেকে গ্রেফতার হন বিজেপির রাজ্য যুব সভাপতি দেবজিৎ সরকার৷ পরের দিন সকালে কলকাতা২৪x৭ সহ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমকে দেবজিৎ জানান রাতে তাকে মারধোর করেছে পুলিশ৷

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়াতে বিজেপি এবং দেবজিতের সমর্থকরা ফুটতে শুরু করেন৷ এরপর ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সেরকম কেউই ইসলামপুরে পা রাখেননি বলে কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ৷ দেবজিৎ গ্রেফতার হওয়ার পর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাজের কড়া সমালোচনা করেছেন অনেক সমর্থক৷

– Advertisement –

বাংলা শিক্ষক চেয়ে আন্দোলনরত ছাত্র রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মণের মৃত্যু নিয়ে সরগরম রয়েছে বাংলার রাজনীতি৷ যার প্রভাব পড়েছে ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়াতেও৷ দাড়িভিটের ঘটনার প্রতিবাদ করে লেখালেখি তো চলছিলই, বিজেপির রাজ্য যুব সভাপতির গ্রেফতার হওয়ার পর তাকে নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে ফেসবুকে৷ এমি ভট্টাচার্য নামে একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে লেখা হয়, ‘‘দেবজিৎ সরকারকে গ্রেফতার করে অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে৷ বিজেপি চুপ থাকলে ঝরে যেতে পারে তাজা প্রাণ৷’’

মিঠু চক্রবর্তী নামে আর এক সমর্থক লেখেন, ‘‘স্রোতের বাইরে গিয়ে শিরদাঁড়াটা সোজা রেখে লড়াইটা একমাত্র ইনিই করছেন৷ এসি রুমে বসে, এসি গাড়িতে ঘুরে, গরম গরম বাজারি বক্তৃতা দেওয়া ‘নেতার’ কাজ নয়৷ নিজের কাজ দিয়ে বরাবর এটাই দেখিয়েছেন তিনি(দেবজিৎ সরকার)৷ কিন্তু আজ তার জন্য প্রতিবাদ কোথায়? কোথায় গেলেন বড়বড় নেতারা?’’

সমর্থকরা যাই বলুক, দেবজিৎ কিন্তু দলের নেতাদের প্রতি আস্থা রেখেছেন৷ ২৬ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হওয়ার সময় কলকাতা২৪x৭-কে তিনি জানিয়েছিলেন দিল্লি থেকে ফোন এসেছে৷ দলের অনেকেই ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন৷ গ্রেফতারের পরে রাজ্য বিজেপির নেতা সায়ন্তন বসুও দেবজিতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন বলে জানিয়েছিলেন৷

যদিও পরের দিন কোর্টে নিয়ে যাওয়ার পথে নিজেই সংবাদমাধ্যমকে পিঠের দাগ দেখিয়ে বিজেপির রাজ্য যুব সভাপতি বলেন, ‘‘কোন প্ররোচনা ছাড়াই আমাকে সারারাত মেরেছে পুলিশ৷’’ এরপর সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘ফ্রি দেবজিৎ’ পোস্ট শুরু হয়৷ পাশাপাশি শুরু হয় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সমালোচনা৷

রবিবার রাজভবনে(কলকাতা) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল সিনহা সহ একাধিক রাজ্য বিজেপি নেতা৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় দেবজিৎ সরকারের উপর পুলিশের নির্যাতনের ঘটনার কথা বলে ইসলামপুর পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও উত্থাপিত হয়৷

Advertisement

নন্দীগ্রামে গুলির আওয়াজ আর শোনা যাবে না: শুভেন্দু

হলদিয়া: তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে লক্ষ্য করে গুলি৷ নন্দীগ্রামের এই ঘটনার প্রতিবাদে সভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ রবিবার বিকেলে তেরপেখ্যা বাজারে সভা করেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, নন্দীগ্রামে যাতে আর গুলির আওয়াজ না শোনা যায় সে ব্যবস্থা তিনি করবেন৷ দুষ্কৃতীদের দাপট নিজে খর্ব করবেন তিনি৷

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

ঘটনা শনিবার সন্ধ্যার৷ বয়াল-১ অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি রুকুমুদ্দিনের উপর গুলি চালানো হয়৷ এই ঘটনাকে অরাজনৈতিক বলে দাবি করেছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব-সহ জেলা তৃণমূলের সভাপতি শিশির আধিকারীও। রবিবার সভা শেষে সেই একই কথা শোনা গেল মন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারীর মুখেও।

– Advertisement –

শুভেন্দু বলেন, ২০১৪ সালে উপপ্রধান সমর মাইতির খুনের ঘটনায় বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত এখনও অধরা। ওই দুষ্কৃতীরা রুকুসাহেবের উপরও গুলি চালিয়েছে বলে আমাদের অনুমান৷ পুলিশ যাতে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে ব্যবস্থা নেয় পুলিশের কাছে আমরা সেই দাবি জানিয়েছি৷

শুভেন্দু বলেন, বহু কষ্টে আমরা নন্দীগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি৷ বহুবার, বহুভাবে নন্দীগ্রামকে অশান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে সবাই৷ তারপরও কিছু বন্দুকবাজ রাতের অন্ধকারে রুকুসাহেবের মত মানুষকে খুনের চেষ্টা করেছে৷

এই বন্দুকবাজদের দিন দু’য়েকের মধ্যেই খুঁজে বার করা হবে বলে দাবি করেন শুভেন্দু৷ পাশাপাশি এই দুষ্কৃতীদের মাথাও খুব তাড়াতাড়ি সামনে আসবে বলে মনে করছেন তিনি৷ তবে এর জন্য স্থানীয় মানুষদেরও সতর্ক এবং ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পরামর্শ দেন মন্ত্রী। বলেন, নন্দীগ্রামে এই গুলি চালানো শেষ। এরপর আর যাতে বন্দুকবাজরা গুলি চালাতে না পারে তার ব্যবস্থা আমি নেব৷

আরও পড়ুন: ভেঙে পড়ল সবথেকে মার্কিন সেনার সবথেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান

রবিবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয় রুকুমুদ্দিনের৷ প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে এই অস্ত্রোপচার৷ হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর শরীর থেকে গুলি বের করা সম্ভব হয়েছে৷ বর্তমানে তিনি বিপদমুক্ত৷ তবে প্রাণ সংশয় যে ছিলই তা বলছেন দলের নেতৃত্ব৷

শনিবার সন্ধেয় নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের তেরপেখ্যায় বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার সময় বর্ষীয়াণ এই তৃণমূল নেতাকে পিছন থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি৷ স্থানীয়রাই তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাতে তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়৷

[embedded content]

Advertisement

এবার তামিলনাড়ুর কাছে হার বাংলার

চেন্নাই: চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতে বাংলার পারফরম্যান্সে চড়াই উতরাই চলছেই৷ শুধু একটা বিষয়েই বাংলা অত্যন্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে চলেছে৷ সেটা হল ব্যাটিং ব্যর্থতা৷

এ যাবৎ গোটা টুর্নামেন্টে বাংলার ব্যাটিং দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের৷ বোলারদের সৌজন্যে জম্মু-কাশ্মীর, ত্রিপুরা ও অসমের বিরুদ্ধে জয় এলেও ধারাবাহিক ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাশুল দিয়ে সার্ভিসেসের পর এবার তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে হারতে হল মনোজদের৷

চিপকে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলা ৪৯.৪ ওভারে ২৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায়৷ একা কুম্ভ হয়ে লড়াই চালান ওপেনার অভিমন্যু ঈশ্বরণ৷ মনোজ অল্পের জন্য হাফসেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন৷ বিজয় শঙ্কর ও এম মহম্মদের জোড়া ফলায় বিদ্ধ হয় বাংলার ব্যাটিং৷

– Advertisement –

পাল্টা ব্যাট করতে নেমে ৪২ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২৪০ রান তুলে নেয় তামিলনাড়ু৷ নিশ্চিত শতরান মাঠে ফেলে আসেন অভিনব মুকুন্দ৷ হাফসেঞ্চুরি করেন নারায়ন জগদীশান৷ দলের জয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন বাবা অপরাজিত৷ বাংলার হয়ে নবাগত প্রয়াস রায়বর্মণ উইকেট তোলার ধারা বজায় রাখেন৷

Advertisement

বিশ্বকাপে দেশকে পদক দিলেন দীপিকা

আনকারা: এশিয়ান গেমসে দেশকে পদক এনে দিতে পারেননি৷ কিন্তু মাসখানেকের মধ্যে বিশ্বমঞ্চের তেরঙ্গা তুলে ধরলেন দীপিকা কুমারী৷ রবিবার তুরস্কের স্যামসনে তিরন্দাজি বিশ্বকাপ ফাইনালসে ব্রোঞ্জ জিতলেন রাঁচির রাজকন্যা৷

প্লে-অফে লিসা উনরুহের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ব্রোঞ্জ জিতে নেন দীপিকা৷ পঞ্চম সেটের পর দু’জনের পয়েন্ট টাই (৫-৫) হয়৷ ফলে শুট-অফেও দু’জনের পয়েন্ট ৯ হয়৷ কিন্তু সেন্টারের কাছাকাছি তির থাকায় ব্রোঞ্জ জিতে নেন দীপিকা৷ এ নিয়ে পঞ্চমবার বিশ্বকাপ ফাইনালসে পোডিয়ামে উঠলেন ভারতের তারকা খেলোয়াড়৷ আগের চারবার দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন দীপিকা৷

– Advertisement –

তবে এবার দীপিকার লড়াইটা ছিল কোচকে ছাড়া৷ তবুও দারুণ পারফর্ম করে পদক জেতেন তিনি৷ ব্রোঞ্জ জয়ের পর দীপিকা বলেন, ‘প্রথমবার কোচ ছাড়া আমি কোনও বড় টুর্নামেন্টে খেললাম৷ নিজের পারফরম্যান্সে আমি খুশি৷ লড়াইটা কঠিন ছিল৷’ শুট-অফে কিছুটা নার্ভাস থাকলেও কোচ ছাড়া নিজেকে আরও মোটিভেট করতে পেয়েছিলেন বলেও জানান রাঁচির এই মেয়ে৷

আরও পড়ুন: নির্বাচনে টুটুর ‘ট্রাম্প কার্ড’ সবুজ তোতা

শুট-অফ সম্পর্কে দীপিকা বলেন, ‘বেশিরভাগ সময় শুট-অফের শুরুতে আমি নার্ভাস হয়ে পড়তাম৷ কিন্তু এবার সেটা হয়নি৷ কারণ রেজাল্ট নিয়ে না-ভেবে নিজের সেরাটা দিয়েছি৷ আশা করি একদিন রুপো ও ব্রোঞ্জ পদককে সোনায় রূপান্তরিত করতে পারব৷’ গত মাসে এশিয়ান গেমসে তাঁর ব্যর্থতা নিয়ে দীপিকা বলেন, ‘এশিয়ান গেমসের আগে আমার ডেঙ্গু হয়েছিল৷ আমি দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম৷ এমনকি আমি তির ছুঁড়তে পারছিলাম না৷ এশিয়ান গেমসের পর প্রায় দু’ সপ্তাহ বিশ্রাম নিয়েছিলাম৷

পুরুষদের কম্পাউন্ড ইভেন্টে দেশকে পদকে এনে দিয়েছেন অভিষেক ভার্মা৷ শনিবার ব্রোঞ্জ জেতেন তিনি৷ এই টুর্নামেন্টের ঠিক আগে রিকার্ভ কোচ ধর্মেন্দ্র তিওয়ারি বরখাস্ত হন এবং কম্পাউন্ড কোচ জিওয়ানজিৎ সিং এবার দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য মনোনীতি না-হওয়ায় নির্বাসিত হন৷

আরও পড়ুন: রোনাল্ডোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

Advertisement

সাত পুরুষের পুজোর ঐতিহ্য বহন করে চলেছে ভট্টাচার্য পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: সাত পুরুষের ঐতিহ্য একই রকমভাবে এখনও ধরে রেখেছে উত্তর ২৪ পরগণার ইছাপুর নবাবগঞ্জের ভট্টাচার্য পরিবার৷ ছোট বড় দুর্গা পুজোর মতো এই বাড়িতেও নিয়ম নিষ্ঠার মেনে জোর কদমে চলছে পুজোর প্রস্তুতি৷ এই বছর ভট্টাচার্য বাড়ির পুজো ২৭০ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে৷

আরও পড়ুন: সোনিয়া নন, রাজীবের বউ হিসাবে রাজ কাপুরের মেয়েকে চেয়েছিলেন ইন্দিরা

কথিত আছে নবাবগঞ্জ অঞ্চলের বিশিষ্ট শিক্ষক রামভদ্র তর্কালঙ্কার দেবীকে কন্যা রূপে স্বপ্নাদেশ পেয়ে ছিলেন৷ তারপর তিনিই গঙ্গা তীরবর্তী নবাবগঞ্জের শিক্ষাঙ্গনে এই পুজোর প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন৷ একটা সময় এই মন্দির প্রাঙ্গণ ছিল হোগলা পাতার মন্দির৷ সেখানেই টোল ছিল রাম ভদ্র তর্কালঙ্কারের৷ সেই হোগলা পাতার মন্দিরই আজ ভট্টাচার্য বাড়িতে পরিণত হয়েছে৷ রামভদ্র তর্কালঙ্কারের সেই পুজোর দায়িত্ব পরবর্তী সময়ে চলে আসে ভট্টাচার্য বাড়িতে৷ সেই থেকেই চলে আসছে প্রাচীন বনেদী বাড়ির এই পুজো৷

– Advertisement –

বেলুড় মঠের নিয়ম মেনেই মা দুর্গা এখানে কন্যা রূপে পূজিত হন৷ উত্তর ২৪ পরগণার অন্যতম প্রাচীন পুজো হল ইছাপুর নবাবগঞ্জের ভট্টাচার্য বাড়ির এই পুজো৷ সাবেকি এক চালার প্রতিমাতেই মা দুর্গা এখানে পূজিত হন৷ রথের দিন হয় কাঠামো পুজো৷ মহালয়ার দিন থেকে এখানে শুরু হয় চণ্ডীপাঠ৷ মহাষষ্ঠীর দিন থেকে প্রাচীন প্রথা মেনে নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো হয়ে আসছে ভট্টাচার্য বাড়িতে৷ এখনও নিয়ম মেনে পুজোর দিনগুলিতে পাঁঠা বলি ও ফল বলি হয়৷ সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমী তিনদিনই হয় পাঁঠাবলি৷

আরও পড়ুন: পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন যুবকের, দোকান থেকে কেনেন উর্দি! তারপর…

ইছাপুর নবাবগঞ্জের এই ভট্টাচার্য পরিবারের সদস্যরা সকলেই পুজোর কয়েকটা দিন মিলেমিশে এক সঙ্গে এই পুজো করেন৷ পরিবারের ৩০০ সদস্য এবং প্রতিবেশীরা অন্তত ২৫০ জন৷ মোট প্রায় ৫৫০ জন সদস্য পুজোর পাঁচ দিন এক সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন৷ দশমীতে প্রথা মেনে উত্তর ২৪ পরগণার ইছাপুরের প্রথম বিসর্জন হয় এই ভট্টাচার্য বাড়ির প্রতিমা৷ ভট্টাচার্য বাড়ির প্রতিমা বিসর্জনের পর তবেই ইছাপুরের অন্যান্য বাড়ির প্রতিমাগুলি এবং বারোয়ারি পুজোর প্রতিমা গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়৷

[embedded content]

Advertisement

ব্যাগ কাঁধে ওঠা যাবে না মেট্রোয়

সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: ব্যাগ কাঁধে আর ওঠা যাবে না মেট্রোতে। এমনটাই জানা যাচ্ছে কলকাতা মেট্রো রেল সূত্রে। তবে ব্যাগ সামনের দিকে নিয়ে ওঠার বিধান দিচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। যাত্রী সুরক্ষার জন্য সব সময়েই কাজ করে থাকে মেট্রো রেল। সেরকমই একটি ভাবনা এই কাঁধে ব্যাগ না নেওয়া।

ভিড় বাসে উঠেছেন। কাঁধে ব্যাগ। বাসে ওঠা মাত্রই বলতে শুরু করে দিল, ‘গেটের সামনে দাঁড়াবেন না। ভিতরে চলে যান, অনেক ফাঁকা।’ কন্ডাক্টরের নাগাড়ে কচকচানিতে আপনি মানব স্রোত পেরিয়ে ভিতর দিকে যাবার চেষ্টা করলেন। সমস্যার শুরু ঠিক এখান থেকেই।

ফাইল ছবি

এবারের মন্তব্য দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের। ‘এত বড় ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ওঠেন কেন?’ কিংবা ‘ব্যাাগটা সামনে নিন’। এরকম হাজারও মন্তব্য পেরিয়ে যদিওবা এক চিলতে জায়গায় দাঁড়ানো গেল, আবারও প্রশ্ন। এবারের প্রশ্নকর্তা একজনই। যিনি আপনার ঠিক পিঠোপিঠি দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ‘দাদা , দিদি বা ভাই ব্যাগ সামনে নিন। দাঁড়ানো যাচ্ছে না’।

– Advertisement –

ঠিক একই সমস্যা হয় মেট্রোতেও। অফিস টাইমে ভিড় বেশী মেট্রোয়। মেট্রো ছাড়া যাবে না। গাদাগাদি করে উঠতেই ঠিক বাসের মতোই মন্তব্য উড়ে আসবে। তফাৎ, এ যাত্রায় আপনার কান পচাবে না কনডাক্টর। ভিড় থেকে ব্যাগ নিয়ে মন্তব্যের পাহাড় পেরিয়ে ভিতরে দিকে যেতে গেলেও রাশি রাশি অভিযোগ ব্যাগ নিয়ে।

এদিকে দুই কামড়ার মাঝেও ফাঁকা। নিষেধ থাকলেও বহু মেট্রো যাত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেখানেও জায়গা নেই। অতঃপর গালমন্দ সহ্য করতে করতেই অফিস যাতায়াত। এই সমস্যা প্রতিদিনের।

অনেকে ব্যাগ কাঁধে ফেলে রাখেন ব্যাগ। এতে সমস্যা হয় না। অনেকে যিনি আসনে বসে আছেন তার হাতে ব্যাগ ঝোলা ধরিয়ে দেন। অনেকে মেট্রোর বিধান অনুযায়ী ব্যাগ সামনে নেন। কিন্তু সেই সংখ্যা নেহাত বেশী নয়।

কলকাতা মেট্রোর জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ব্যাগ কতটা ভারী বা কতটা বড় সেটা সহযাত্রীদের সমস্যা নয়। সমস্যা হল ব্যাগ পিঠে থাকা। কারন ভিড় মেট্রোতে ব্যাগ সারাক্ষন পিছনের যাত্রীর পিঠে ঘষা খায়, যা যথেষ্ট অস্বস্তির কারন। এমন বহু অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। সহযাত্রীদের সঙ্গে ক্ক-অপারেট করা উচিৎ বলে আমাদের মনে হয়েছে। সেই জন্যই আমাদের এই প্রচার।”

একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় নয়। মেট্রোর টিভিতে অডিও ভিস্যুয়াল মাধ্যমে প্রচার করছি। স্টেশনে ব্যানার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আনাউন্সমেন্টও করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধা অসুবিধা দেখা আমাদের কর্তব্য। কাউকে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে মেট্রোতে চড়তে বারন করা তো যায় না। মেট্রোতে উঠে তিনি যেন তার ব্যাগ সামনে নিয়ে নেন এবং তার সহযাত্রীর যাত্রাও সুখকর করেন সেটার জন্যই আমাদের এই পরিকল্পনা এবং প্রচার।”

Advertisement

লন্ডনে পাক বিরোধী বিক্ষোভ বালোচ-সিন্ধিদের

লন্ডন: ইন্দাস নদীর উপর গঠিত বাঁধ তৈরিকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে নামলেন সিন্ধি এবং বালোচের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। এদিন লন্ডনে পাকিস্তান হাইকমিশনের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তারা।

এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয় বিশ্ব সিন্ধি কংগ্রেস। তারা মনে করেন,ইন্দাস নদীর উপর গঠিত ডিয়ামের-ভাসা বাঁধ একটি রাজনৈতিক ইস্যু নয়। এটা সিন্ধির মানুষের জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

বালোচের প্রতিনিধিরাও এই আন্দোলনে অংশ নেন এবং ইসলামাবাদের এই কাজের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন। বিক্ষোভকারীরা জানান, চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে ইকনোমিক করিডর খুলে দেওয়ার জন্য প্রকৃতি ও সিন্ধির মানুষের কথা বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে সেখানকার প্রশাসন।

– Advertisement –

সিন্ধি কংগ্রেস প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছে,শুধুমাত্র ইন্দাসের জলের উপর নির্ভর না করে সোলার,নিউক্লিয়ার ও অন্যান্য পদ্ধতির উপর নির্ভর করে বিদ্যুত উৎপাদন করতে।

সুত্রের খবর,ডিয়ামের-ভাসা বাঁধের ক্ষমতা ৬ মিলিয়ন একর ফুট। এর মুল্য প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার। যে টাকা শোধ করতে সময় লাগবে প্রায় ৩০ বছর।

এর আগে The World Environment and Resources Council আর্জি জানিয়েছিল United Nation Human Right Council এর কাছে এই বিষয়টির ওপর নজর দিতে। কারণ এই বাঁধ নির্মাণের ফলে সিন্ধির মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

ইন্দাস নদীর উপর কালাবাগ বাঁধ নির্মাণেরও তীব্র প্রতিবাদ জানান তারা। সিন্ধির মানুষের কথা না ভেবে পাকিস্তানের এই কাজকে অনৈতিক এবং অযৌক্তিক বলে ব্যাখ্যা করেন তারা।

Advertisement