শিশু মৃত্যুর জন্য দায়ী বায়ুদূষণ? কী বলছে তথ্য

জেনেভা: দিনের পর দিন বাড়ছে দূষণের মাত্রা৷ বিষয়টি নিয়ে কোন সন্দেহ নেই৷ কিন্তু, এই দূষণই প্রতি বছর কেড়ে নিচ্ছে কয়েক লক্ষ প্রাণ৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য জানাচ্ছে, বায়ু মধ্যস্থ ক্ষতিকারক উপাদানগুলির কারণে প্রত্যেক বছর মারা যায় প্রায় ৬০০,০০০ জন৷ যাদের বয়স ১৫ বছরের কম৷ শুধু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই নয়, বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছে অন্যান্য সংস্থাগুলিও৷

অন্য একটি গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, প্রত্যেকদিন ৯৩ শতাংশ শিশুর (১৫ অনুর্দ্ধ) শরীরে শ্বাসপ্রশ্বাসের মধ্যে দিয়ে ভয়ঙ্করভাবে দূষিত বায়ু ঢোকে৷ WHO রির্পোট জানাচ্ছে, ২০১৬ সালে প্রায় ৬০০,০০০ জন শিশু দূষিত বায়ুতে শ্বাস নেওয়ার ফলে মারা গিয়েছে৷ এটি ক্ষমার অযোগ্য৷ প্রত্যেক শিশুরই বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ার অধিকার রয়েছে৷ তথ্য আরও জানাচ্ছে, প্রত্যেক ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই দূষিত বাতাসের মধ্যে বেঁচে রয়েছে৷ যার ফলে প্রত্যেক বছর প্রায় ৭ মিলিয়ন মানুষ অকাল মৃত্যুতে মারা যান৷

– Advertisement –

আরও পড়ুন: বাংলা’র বাঘ মেরে যৌনক্ষমতা বাড়িয়েছে চিন!

তথ্য অনুসারে, অনুন্নত দেশের শিশুরা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে৷ বাড়ির ভিতরে রান্নার সময়ও তৈরি হতে পারে বিভিন্ন ক্ষতিকারক উপাদান৷ যা বায়ুকে দূষিত করে৷ অন্যদিকে, প্রেগনেন্ট মহিলারা এই দূষিত বায়ুতে শ্বাস গ্রহণের ফলে স্বাভাবিকের থেকে কম ওজনের শিশুর জন্ম দিয়ে থাকে৷ শিশুদের বেড়ে ওঠাতেও বাধার সৃ্ষ্টি করে থাকে এই এয়ার পলিউশন৷ এছাড়া, কম বয়সে বায়ুদূষণের কারণেই শিশুরা অ্যাস্থমা, ক্যান্সারের মত মারণ ব্যাধির শিকার হয়ে থাকে৷

বায়ুদূষণ শুধুমাত্র প্রত্যক্ষভাবেই নয়, পরোক্ষভাবেও শিশুদের ক্ষতি করে থাকে৷ যার ফলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন অসুখে ভোগার সম্ভাবনাও থাকে৷ WHO এর এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, শিশুদের মস্তিষ্কেও দারুণভাবে ক্ষতি করতে পারে বাতাসের এই ক্ষতিকারক উপাদানগুলি৷

Advertisement — — —–

সদ্যোজাতদের ফেলে দেওয়া আটকাতে অভিনব উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাশাসনের

স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: সদ্যোজাত সন্তানকে ডাস্টবিন বা নর্দমায় ফেলে দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়৷ এছাড়াও কিছুদিন আগে কলকাতার হরিদেবপুরে ব্যাগ ভরতি সদ্যোজাত শিশু ও ভ্রূণ উদ্ধারের ঘটনা ঘটার ঘন্টা খানেক পরই আগের বিবৃতি তুলে নেয় কলকাতা পুলিশ৷ পরে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যাগগুলিতে ভ্রূণ বা শিশুর মৃতদেহ নয়, তাতে ছিল মেডিকেল বর্জ্য ও ড্রাই আইস৷ এই ঘটনার পর বলা যেতে পারে পূর্ব বর্ধমান জেলায় শিশু সুরক্ষা দফতর যত্রতত্র সদ্যোজাত ফেলে দেওয়া আটকাতে পদক্ষেপ নেয়৷

আর তা আটকাতে রাজ্যের মধ্যে প্রথম পূর্ব বর্ধমান জেলা শিশু সুরক্ষা দফতর নতুন উদ্যোগ নেয় গোটা জেলা জুড়ে। চালু হতে চলেছে ‘ক্রেডল বেবি ইউনিট’ বা ‘বাচ্চা শিশুর অভ্যর্থনা কেন্দ্র’। সরকারি জেলা হাসপাতাল সহ বেসরকারি হাসপাতাল এবং ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে নিয়ে এক যোগে এই নয়া অভিযানে নামতে চলেছে এই দফতর।

– Advertisement –

বেশ কিছুদিন ধরেই এই বিষয়ে পরিকল্পনা করা হলেও সম্প্রতি কাটোয়ায় মাত্র ছ’দিনের প্রতিবন্ধী শিশুকন্যাকে তার মা গঙ্গায় ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে৷ তা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। একদিকে যেমন এই ধরনের ঘটনা আটকাতে মনস্তত্ত্ববিদদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে৷ তেমনি যে সমস্ত মায়েরা তাঁদের সদ্যোজাত সন্তানদের গ্রহণ করতে চাইছেন না সেই সমস্ত শিশুদের যাতে ঝোপ, জঙ্গল, নালা-নর্দমায় ফেলে দেওয়া না হয় তা দেখা হবে৷ সেজন্য ইতিমধ্যেই ‘সা’ উদ্যোগ নিলেও এবার সমস্ত সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও একই পদ্ধতি নিতে চলেছে জেলা শিশু সুরক্ষা দফতর।

উল্লেখ্য, প্রতিবন্ধী শিশু জন্মানোয় কাটোয়ায় ছ’দিনের শিশুকন্যাকে ভাগীরথীর জলে ফেলে দেয় কাটোয়া ১ ব্লকের মোস্তাফাপুর গ্রামের বাসিন্দা সদ্যোজাত সন্তানের মা-বাবা সহ পরিবারের লোকজন৷ গত শনিবার এই ঘটনা ঘটায় ব্যাপক উত্তেজনা চড়ায় গোটা এলাকায়৷ পরে ভাগীরথীর জল থেকে রতন শেখ নামে এক মাঝি ওই সদ্যোজাত সন্তানকে উদ্ধার করে৷ পরে পুলিশ শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা শিশুটির মা-বাবা পরিবারের লোকজনদের ধরে এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আটকে রাখেন। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ ওই শিশুর মা-বাবা সহ পরিবারের মোট পাঁচজন সদস্যকে গ্রেফতারও করেছে। তাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলা শিশু সুরক্ষা প্রকল্পের আধিকারিক সুদেষ্ণা মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘অনেক দিন ধরেই ‘স্পেশালাইজেশন এডপশন এজেন্সি’ বা ‘সা’ এই ধরনের বাচ্চা শিশুর অভ্যর্থনা কেন্দ্র বা ইউনিট চালু করেছে। এবার সেই একই ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করে পূর্ব বর্ধমান জেলা সমাজকল্যাণ দফতর তথা শিশু সুরক্ষা প্রকল্প দফতর চালু করতে চাইছেন এই ধরনের ইউনিট।’’

তিনি আরও বলেছেন, ‘‘ইতিমধ্যেই জেলার সমস্ত হাসপাতালের তালিকা তারা সংগ্রহ করছেন। এরপর আগামী ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিকে তারা হাসপাতালের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করবেন।’’ উল্লেখ্য, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়ে বছরে ১০ থেকে ১২ টি করে সদ্যোজাত শিশুকে হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যান মায়েরা। ফলে সমস্যায় পড়েন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরেও বেশ কয়েকটি শিশু প্রতিপালিত হচ্ছে বর্ধমান হাসপাতালে।

এরই পাশাপাশি গোটা জেলা জুড়ে প্রায়শই ঝোপ-জঙ্গল, নালা-নর্দমার ধার থেকে সদ্যোজাতদের কখনও জীবন্ত কখনও মৃত অবস্থায় উদ্ধারের খবর মেলে। এই ধরনের ঘটনায় সমাজ জীবনে একটা বিরূপ ছাপ পড়ছে। আর এগুলিকে আটকাতেই এই নতুন অভিযান শুরু হচ্ছে। এই অভিযানের অঙ্গ হিসাবে যে সমস্ত মায়েরা তাঁদের সন্তানদের নিতে চান না, তারা সরকারি নিয়ম মেনে হাসপাতালে সন্তানদের দিতে পারবেন। এই ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তোলা হবে।

সুদেষ্ণা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অনেক সময়ই মায়েরা লোকলজ্জা এবং সম্মানের ভয়ে শিশুদের বিপদের মুখে ফেলে চলে যান। তাই সরকারি হাসপাতাল, ব্লক স্বাস্থ্য ও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং হাসপাতালগুলিতে একটি করে বিশেষ শিশু বেড সহ একটি করে এই ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ইউনিটে কেউ শিশুদের রেখে যাওয়ার নির্দিষ্ট কয়েক মিনিট পর তা জানতে পারবেন কর্তৃপক্ষরা। দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা থাকছে সেখানে। বিশেষ ভাবে সদ্যোজাত শিশুদের উপযোগী করে তৈরি করা হবে এই বেড। যাতে সদ্যোজাতের শারীরিক কোনও সমস্যা না হয়।

Advertisement — — —–

ভারতে সফরে’র কোনও আমন্ত্রণ পত্র পাননি ট্রাম্প

নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারত সফর নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছে৷ সরকারি সূত্রে জানান হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারত সফরের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, তবে তাঁর কাছে কোনও আনুষ্ঠানিক বা লিখিত আমন্ত্রণ পাঠানো হয়নি।

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন প্রধান অতিথি হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এদেশে আসার কথা জানা হওয়ার দুদিন পরেই হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জানান ট্রাম্প মোদীর এই আমন্ত্রণে সম্মানিত৷ কিন্তু তিনি তাঁর কিছু পূর্ব নির্ধারিত অনুষ্ঠানের কারণে আসতে পারবেন না৷

– Advertisement –

আরও পড়ুন: OnePlus 6T কিনছেন? দেখে নিন একনজর

এক সূত্র মারফত জানানো হয়, “হোয়াইট হাউসের তরফে US প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভারতে যাওয়া নিয়ে বিবৃতি মিলেছে৷ এটি মনে করা যেতে পারে ২০১৭ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সফরকালে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে তিনি ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন৷ প্রধানমন্ত্রী মোদী রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে তাঁর সুবিধা অনুযায়ী যেতে বলেন৷ “

সূত্রটি এও জানায়, “কোনও আনুষ্ঠানিক বা লিখিত আমন্ত্রণ জানানো হয়নি৷ কারণ এটি কোনও আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের আগে দুই দেশের সৌজন্যমূলক বার্তালাপ৷”

আরও পড়ুন: আত্মীয়ের আশায় খ্যাতনামা কবি থেকে খেলোয়াড়ের ‘অতৃপ্ত’ আত্মা

সূত্র জানায় উচ্চ-স্তরের আদানপ্রদানে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গুলি হল ভারত-মার্কিন দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব৷ এবং দুতরফই একে অপরের সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধা অনুযায়ী ও তারিখ অনুযায়ী সফরের উপলক্ষের জন্য একে অপরের সঙ্গে জড়িত থাকে৷

মোদী গত বছরে ওয়াশিংটনে গিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কথার ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় সফরের কথা বলেন৷ তাঁদের দুজনের ৩০শে নভেম্বর ও ১লা ডিসেম্বর আর্জেন্টিনায় জি-২০ সামিটে অংশ নেওয়ার কথা৷ সেখানেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে দুই প্রধানের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ প্রতি বছরই ভারত প্রজাতন্ত্র দিবস পালনে অংশ নিতে বিশ্বের প্রধানদের আমনন্ত্রণ জানায়৷

আরও পড়ুন: চাকরি খুঁজছেন? এই ব্যাংক নিয়ে এল প্রচুর সুযোগ

২০০৫ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রধান অতিথি হিসেবে ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস অনুষ্ঠান পালনে অংশ নিতে আসেন৷ চলতি বছর ১০ টি ASEAN দেশের প্রধানরা প্রজাতন্ত্র দিবস অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসেন৷

২০১৬ এ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কোইস হোল্যান্ডে প্যারেডের চিফ গেস্ট ছিলেন এবং ২০১৪এ জাপানের প্রেসিডেন্ট সিনজো অ্যাবে ছিলেন প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি৷ দেশের প্রজাতন্ত্র দিবসে এর আগে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছেন নিকোলাস কেজ, ভ্লাদিমির পুতিন, নেলসন ম্যান্ডেলা, জন মেজর, মহম্মদ খাতামি ও জ্যাকোয়েস চিরাক৷

Advertisement — — —–

উত্তেজক ম্যাচে ২ রানে জয় পাকিস্তানের

আবু ধাবি: শেষ বলে ছক্কা মারলে ম্যাচ টাই হত৷ রস টেলর শাহীন আফ্রিদির বল বাউন্ডারি পাঠালেও জয় থেকে তিন রান দূরে দাঁড়িয়ে যেতে হয় নিউজিল্যান্ডকে৷ দীর্ঘ ২১১ দিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে কেন উইলিয়ামসনদের ২ রানের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে হার মানতে হয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে৷

টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ করান তোলে৷ অল্পের জন্য হাফসেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন মহম্মদ হাফিজ৷ জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৪৬ রানে আটকে যায়৷ ব্যর্থ হয় মুনরো-টেলরের লড়াই৷

– Advertisement –

বিস্তারিত আসছে…

Advertisement — — —–

ডিসেম্বরে জলপাইগুড়ি হাসপাতাল পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় দল, সংস্কারের উদ্যোগ রাজ্যের

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: জাতীয় মান উন্নয়ন কর্মসূচির একটি প্রতিনিধি দল ডিসেম্বরে জলপাইগুড়ি হাসপাতাল পরিদর্শন করতে আসবে৷ তার আগে বুধবার ওই হাসপাতাল পরিদর্শন করে দেখলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পর্যবেক্ষণ বিভাগের আট সদস্যের দল৷ হাসপাতালের কোথাও কোনও খামতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেকেন তারা৷ সমস্যা থাকলে তা ডিসেম্বরের আগেই সমাধান করার নির্দেশ দেন তারা৷ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ডেপুটি সহকারী নির্দেশক ডাঃ সন্দীপ স্যানাল৷

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে দিল্লি থেকে জাতীয় মান উন্নয়ন কর্মসূচির একটি প্রতিনিধি দল আসবেন৷ তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন। জলপাইগুড়ি হাসপাতালের মান দেখে সন্তুষ্ট হলে জাতীয় মান উন্নয়ন দফতরের সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে কেন্দ্রের কাছ থেকে৷ মিলবে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তাও৷ বর্তমানে হাসপাতালে মোট শয্যা রয়েছে বারশোটি। ‘মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব’-এ শয্যা সংখ্যা সাড়ে তিনশ৷

– Advertisement –

আরও পড়ুন: এক সঙ্গে তিন সন্তানের জনণী লুৎফা বিবি

প্রতি শয্যা পিছু বছরে প্রায় ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানা যায়৷ আর সেই টাকা হাসপাতাল উন্নয়নের কাজে লাগনো হবে৷ ইতিমধ্যে শিলিগুড়ি ও কোচবিহার হাসপাতাল এই সার্টিফিকেট পেয়ে গিয়েছে। এদিন হাসপাতালের ১৮ টি বিভাগ পরিদর্শন করেন রাজ্য স্বাস্থ্যব দফতরের প্রতিনিধিরা৷

জেলার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মান উন্নয়নের চেষ্টা চলছে প্রায় তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে৷ বুধবার সকালে দলটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে ‘মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব’-এ কর্মী ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা৷ লেবার ওয়ার্ডের পরিকাঠামো ছাড়াও বিভিন্ন বিষয় তাঁরা খতিয়ে দেখেন৷ হাসপাতালের খামতিগুলি পূরণের জন্য সঠিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷

আরও পড়ুন: দুরন্ত গতি’র জেরে প্রাণ হারালো চার বছরে’র ডলফিন

জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে সুপার ডাঃ গয়ারাম নস্কর বলেন, ‘‘কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল জলপাইগুড়ি হাসপাতালে আসবে৷ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ তাঁরা পরিদর্শন করবেন৷ পরিদর্শনের পর যদি কোনও খামতি থাকে তা পূরণ করা হবে।’’

ডেপুটি সহকারী নির্দেশক ডাঃ সন্দীপ স্যানাল বলেন, ‘‘আমরা হাসপাতাল পরিদর্শন করলাম৷ হাসপাতালে গুণগত মান কিভাবে বাড়ানো যায় সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে। যাতে কেন্দ্রের দলটি এসে এই হাসপাতালকে সার্টিফিকেট দিয়ে যায় এখন সেদিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’’

Advertisement — — —–

এক সঙ্গে তিন সন্তানের জনণী লুৎফা বিবি

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: পরপর তিন সন্তান জন্ম দিলেন এক মহিলা৷ তবে তা একেবারেই কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে৷ বীরভূম জেলার মহম্মদ বাজার এলাকার ঘটনা৷

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লুৎফা বিবি পরপর চারবার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়৷ বারবার সন্তান সম্ভবা হয়েও মা হতে পারছিলেন না তিনি৷ আর এই ঘটনাই লুৎফা বিবিকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল৷ অবশেষে তিনি সিউড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন৷ ওই চিকিৎসকের নাম দেবাশীষ দেবাংশী৷ তাঁর সঙ্গে লুৎফা বিবি কথা বলেন৷ চিকিৎসক তখন তাকে কৃত্রিম পদ্ধতিতে সন্তান ধারণের পরামর্শ দেন৷

– Advertisement –

আর সেই পরামর্শ মেনে ফের সন্তান সম্ভবা হয়ে পড়েন লুৎফা বিবি৷ বুধবার সিউড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিন সন্তানের জন্ম দেন লুৎফা বিবি৷ দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তান হয় তাঁর৷ চিকিৎসক দেবাশীষ দেবাংশী বলেন, ‘‘মা ও সন্তান সকলেই সুস্থ আছে৷ বছর খানেক আগে এই দম্পতি আমাদের কাছে আসেন৷ আমরা কৃত্রিম প্রজননের পদ্ধতির সাহায্য নিই৷ কৃত্রিম পদ্ধতিতে আমরা দেখি ওই মহিলার গর্ভে তিনটি সন্তান এসেছে৷ প্রথমে দুটি সন্তান নষ্ট করার কথা ভেবেছিলাম কিন্তু মা তা চাননি৷ তিনি তিনটি সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন৷’’

এরপরেই লুৎফা বিবি তিনটি সন্তানের জন্ম দেন৷ এই প্রসঙ্গে লুৎফা বিবি বলেন, ‘‘আমি এতদিনে সন্তানের সাধ পেলাম৷ তাই আজ আমি খুব খুশি৷ এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়৷’’

Advertisement — — —–

বিজেপি জেলা সভাপতিকে উড়ো ফোনে খুনের হুমকি, এফআইআর দায়ের

স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: বারবার একই নম্বর থেকে ফোন! তবে ফোন উড়ো হলেও বার্তা কিন্তু বেশ জোরালো৷ হাওড়া জেলা সদর বিজেপি সভাপতি সুরজিৎ সাহার স্ত্রী’র ফোনে তার স্বামীর নাম করে হুমকি আসতে থাকে অনবরত৷ তবে তৃতীয়বার ফোনটি পাওয়া মাত্রই আর লঘু করে দেখেননি বিজেপি সভাপতি৷

– Advertisement –

বুধবার রাতেই সরাসরি হাওড়া থানায় এফআইআর করেন তিনি৷ সুরজিৎবাবু হাওড়া থানায় প্রথমে মেল মারফত পরে থানায় এসে তিনি এফআইআর করেন৷ তিনি বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী-র মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ফোন এসেছিল৷ সেখানে আমার নাম করে রীতিমতো খুনের হুমকি দেওয়া হয়৷ সোমবার প্রথম ফোন আসে৷ এরপর ফের ওই নম্বর থেকে বুধবার রাতে আবার ফোন এসেছিল৷ এরপর বিষয়টি আমরা হালকা ভাবে না দেখে থানায় এফআইআর করেছি। পুলিশ যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে।’’

আরও পড়ুন: নেহেরু জ্যাকেট আবার কবে মোদী ভেস্ট হল! বিতর্ক তুঙ্গে

বিজেপির হাওড়া সদর সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, ‘‘গত ২৯ তারিখ বিকেল নাগাদ আমার স্ত্রী-র মোবাইলে একটি ফোন আসে৷ প্রথমে সেখান থেকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়৷ তবে তখন আমরা বিষয়টা কোনও রকম গুরুত্ব দিইনি। এরপর ওইদিন রাত ন’টা নাগাদ আবার ফোন আসে।

তাতে বলা হয়, ‘আপনার স্বামী বিজেপি করছে। মিডিয়ার সামনে আসছে। ওকে বলুন সাবধান হয়ে যেতে। না হলে কিন্তু খুন হয়ে যাবে।’ ফের এদিন সন্ধে সাতটা নাগাদ ওই নম্বর থেকে আবার একটি ফোন আসে। কিন্তু ফোনে কেউ কোনও কথা বলেনি। ব্যাপারটা আমরা আর হালকা ভাবে না নিয়ে হাওড়া থানায় এফআইআর করেছি। কে ফোন করেছে আমরা এখনো জানতে পারিনি। হুমকি এসেছে তাই আমরা থানাতে এফআইআর করেছি। তবে এই নিয়ে আমাদের আতঙ্কের কিছু নেই। বিরোধী দল হিসেবে এটা আমাদের প্রাপ্য।’’

Advertisement — — —–

অভিন্ন বেতন কাঠামো চালু’র দাবিতে আন্দোলনে শিক্ষক’রা

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: রোপা ২০০৯ সংশোধন করে ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে সমস্ত স্নাতক ক্যাটাগরি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিন্ন বেতন কাঠামো চালুর দাবি জানালেন শিক্ষকরা৷ বুধবার বৃহত্তর গ্রাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এই বিষয়ে বাঁকুড়া জেলা বিদ্যালয় শিক্ষা আধিকারিকদের দফতরে গণ-ডেপুটেশনে অংশ নিলেন জেলার দু’শোরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকা৷ বাঁকুড়া শহরে মিছিল করে তাঁরা জেলা বিদ্যালয় শিক্ষা আধিকারিকের দফতরে পৌঁছান৷

– Advertisement –

আন্দোলনরত বৃহত্তর গ্র্যাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের আরও দাবি, সর্বভারতীয় স্তরে প্রচলিত স্নাতক শিক্ষক বেতন কাঠামো অনুযায়ী গ্রেড পে ৪৬০০ টাকা ধার্য করে তা ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চালু করতে হবে৷ একই সঙ্গে সরকারি বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের মতো ক্যারিয়ার অ্যাডভান্সমেন্ট স্কিমের সুবিধা দিতে হবে৷এছাড়াও ‘কন্ট্রোল অফ এক্সপেণ্ডিচার অ্যাক্ট-২০০৫’ বাতিলেরও দাবি জানানো হয়৷

সংগঠনের পক্ষে অভিজিৎ দাস বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার এন.সি.টি.ই নিয়ম মেনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও, শিক্ষক বেতন ক্রমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার নির্ধারিত ও অন্যান্য রাজ্য সরকারের প্রদেয় ‘র‍্যাশনাল অ্যান্ড কমেনসুরেট পে স্ট্রাকচার’ মানছে না৷

এই বিষয়কে ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা সংগঠনগত ভাবে পূর্বতন সরকারের সময় থেকেই অমানবিক ভাবে টি.জি.টি. স্কেল থেকে বঞ্চিত৷’’ কোনও শিক্ষক সংগঠন সেরকম ভাবে সহানুভূতির সঙ্গে এই দাবি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপিত করেনি বলেও তার অভিযোগ। তাঁদের সংগঠন আশাবাদী যে বর্তমান রাজ্য সরকার বিষয়টিতে যথাযথ ভাবে নজর দেবেন৷ সঙ্গে স্নাতক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবির সমাধান করবেন বলেও তিনি জানান৷

ওই সংগঠনের নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, বাঁকুড়া জেলা শিক্ষা আধিকারিক তাঁদের বক্তব্য মন দিয়ে শুনেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের দাবির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা৷

Advertisement — — —–

দুরন্ত গতি’র জেরে প্রাণ হারালো চার বছরে’র ডলফিন

স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: প্রাণ হারলো চার বছরের গাঙ্গেয় ডলফিন৷ আভ্যন্তরীণ গতির জেরেই এই মৃত্যু বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ বুধবার সকালে কাটোয়ার কালীগঞ্জ ঘাটের কাছে ভাগীরথীতে আচমকাই ডলফিনটিকে ভাসতে দেখেন বাসিন্দারা৷ এরপরই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় ওই এলাকায়৷

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ডলফিনটিকে নদীতে ভাসতে দেখেই অবিলম্বে কাটোয়া বন দফতরের রেঞ্জ অফিসারকে খবর দেওয়া হয়৷ সেখান থেকে খবর দেওয়া হয় জেলা বনাধিকারিক দফতরে৷ এরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডলফিনটিকে উদ্ধার করে পাড়ে তোলা হয়৷ তবে ডলফিনটিকে পাড়ে এনে বুঝতে পারা যায়, অনেক আগেই ডলফিনটির মৃত্যু হয়েছে৷ ডলফিনটি লম্বায় প্রায় চার ফুট ও চওড়ায় দু’ফুট৷ ওজন প্রায় ১৭ কেজি।

– Advertisement –

আরও পড়ুন: স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, প্রেমিকের হাতে খুন যুবক

ডলফিনটি মারা যাওয়ায় কাটোয়া থেকে এদিনই তার ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে আসা হয় বর্ধমানের রমনাবাগান অভয়ারণ্যে। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের দুই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং বন দফতরের এক চিকিৎসক মিলে একটি দল ডলফিনটির ময়নাতদন্ত করেন৷

চিকিৎসক সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঙ্গেয় এই ডলফিনের মৃত্যুর কারণ আভ্যন্তরীণ আঘাত পাওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়৷ প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হয়েছে, দ্রুত গতিতে যাতায়াত করা এই প্রাণীটি কোথাও কোনও আঘাত পাওয়ার কারণেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার৷ যদিও শরীরের বাইরে তার কোনও আঘাত ছিল না৷

আরও পড়ুন: আমন ধান চাষে জল সমস্যা, এগিয়ে এল প্রশাসন

বনদফতরের প্রাথমিক অনুমান, দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় গঙ্গায় পাড়াপাড় করা কোনও নৌকার গায়ে আঘাত পেয়ে থাকতে পারে ওই ডলফিনটি। তার জেরেই ইন্টারনাল হ্যামারেজ ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে৷ আর এই ইন্টারনাল হ্যামারেজের কারণেই হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যায় ডলফিনটির৷ জেলা বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবারই ডলফিনের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট কলকাতার বিকাশ ভবনে ওয়ার্ল্ড লাইফে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে৷

তবে জীবিত ডলফিন না হলেও মৃত ডলফিন দেখতে এদিন নদীর পাড়ে ভিড় জমায় এলাকার মানুষজন৷ প্রথমে ডলফিনটি মৃত এটি বুঝতে পারেননি উদ্ধারকারীরা৷ তাকে বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায় স্থানীয়রা৷ কিন্তু পরে যখন বুঝতে পারে ডলফিনটির মৃত্যু হয়েছে তখনই খবর দেওয়া হয় রেঞ্জ অফিসারকে৷

Advertisement — — —–

পিছিয়ে পড়েও এটিকের থেকে জয় ছিনিয়ে নিল বেঙ্গালুরু

কলকাতা: ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ব্যর্থ এটিকে৷ চলতি আইএসএলের শেষ তিন ম্যাচে অপরাজিত থাকার পর ঘরের মাঠে বেঙ্গালুরু এফসি’র কাছে ১-২ গোলে হারতে হল কলকাতাকে৷

ম্যাচ শুরুর মিনিট পনোরোর মধ্যে কোমল থাতাল গোলে করে এগিয়ে দেন অ্যাটলেটিকোকে৷ প্রথমার্ধের একেবারের শেষ মুহূর্তে বেঙ্গালুরুকে সমতায় ফেরান মিকু৷ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বিএফসি’র হয়ে জয়সূচক গোল করেন পার্তালু৷

– Advertisement –

বিস্তারিত আসছে…

Advertisement — — —–