টি-১০ মাতালেন বিধ্বংসী বেয়ারস্টো

শারজা: চোট সারিয়ে ফিরে এসে কলম্বোর বাইশ গজে দুরন্ত শতরান এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে। যা শ্রীলঙ্কার মাটিতে প্রথমবার তাদের হোয়াইটওয়াশ করতে সাহায্য করে ইংরেজদের। আর এবার শারজার মাটিতে ঝলসে উঠল ইংরেজ ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টোর ব্যাট। টি-১০ লিগে কেরালা নাইটসের হয়ে ২৪ বলে ৮৪ রানের ইনিংসে রেকর্ড গড়লেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। বেয়ারস্টোর এই বিধ্বংসী ইনিংস আপাতত টি-১০ লিগে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস হয়ে রইল।

শুক্রবার শারজায় অনুষ্ঠিত টি-১০ লিগের দ্বিতীয় সংস্করণে কেরালা নাইটস মুখোমুখি হয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্সের। ইংরেজ ব্যাটসম্যানের ধুন্ধুমার ব্যাটিং তান্ডবে সাত উইকেটে জয় পেল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ১২৪ রান তাড়া করতে নেমে আট বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় কেরালা নাইটস। ২৪ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে বেয়ারস্টো এদিন টপকে যান আফগান উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মহম্মদ শেহজাদকে।

গত মরশুমে টি-১০ লিগে শেহজাদের অপরাজিত ৭৪ রানই এযাবৎ টুর্নামেন্টের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ছিল। যা এদিন ছাপিয়ে গেলেন বেয়ারস্টো। এদিন তাঁর বিধ্বংসী ৮৪ রানের ইনিংসে ছিল আটটি ছয় ও ছ’টি চার। গতবারের চ্যাম্পিয়ন কেরালা নাইটসে বেয়ারস্টোর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর দেশোয়ালি তথা জাতীয় দলের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান। এদিনের ম্যাচে মরগ্যান যদিও ফিরেছেন শূন্য রানেই।

হাঁটুর চোটের কারণে উপমহাদেশের মাটিতে সদ্যসমাপ্ত শ্রীলঙ্কা সিরিজের প্রথম দুটি টেস্টে দলে ছিলেন না জনি। পরিবর্তে উইকেটের পিছনে ইংল্যান্ড দলের দায়িত্ব সামলাতে দেখা যায় বেন ফোকসকে। কলম্বোয় তৃতীয় টেস্টে ফোকসকে সরিয়ে একাদশে অন্তর্ভুক্তি ঘটে বেয়ারস্টোর। সেখানে দুরন্ত শতরান তৃতীয় টেস্ট জিততে সাহায্য করে ইংল্যান্ডকে।

সাবধান! ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ভূমিকম্প

বেঙ্গালুরু: ধেয়ে আসতে চলেছে ভয়াবহ ভূমিকম্প। যার কবলে পড়তে হবে বহু ভারতীয়কে। কিঞ্চিৎ প্রভাব পড়বে পড়শি দেশেও। এমনই ভয়ানক ভবিষ্যতবাণী শোনাল গবেষকরা।

বেঙ্গালুরুর জহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চ নামক একটি সংস্থা এই বিশয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালিয়েছে। সম্প্রতি সেই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট প্রকাশির হয়েছে জিওলজিক্যাল জার্নাল নামক একটি বিজ্ঞান সংক্রান্ত পত্রিকায়।

সেই রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই রিপোর্ট অনুসারে হিমালয়ের পার্বত্য এলাকার মাটি কেঁপে উঠবে অদূর ভবিষ্যতে। আর রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের তীব্রতা হবে ৮.৫। হিমালয়ের একদম মধ্যবর্তী এলাকায় এই ভূমিকম্প ঘটবে বলে জানিয়েছেন বেঙ্গালুরুর উল্লিখিত সংস্থার গবেষক সিপি রাজেন্দ্রন।

ওই গবেষণা চালানো হয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে প্রকাশিত নানাবিধ ছবি এবং গুগল কর্তৃক প্রকাশিত নানাবিধ ছবির উপরে ভিত্তি করে। একই সঙ্গে মহাকাশে ইসুরোর পাঠানো উপগ্রহের চিত্রগুলিও সহায়ক ছিল ভূমিকম্প সম্পর্কিত গবেষণা চালানোর জন্য।

গবেষণায় উঠে এসেছে যে হিমালয়ের যে এলাকায় ভূমিকম্প হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে সেগুলী ভারত এবং নেপালের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। যদিও অধিকাংশ এলাকা ভারতের মধ্যেই অবস্থিত। ভারতের চোরগালিয়া এবং পশ্চিম নেপালের মোহনা খোলা এলাকা এই ভূমিকম্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

কলকাতা ম্যারাথনের স্টার্ট লাইনে এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

কলকাতা: ২০১৭ সকলকে অবাক করে দিয়ে রেকর্ড সময়ে টাটা স্টিল কলকাতা ২৫কে ম্যারাথন জিতে নিয়েছিলেন ইথিওপিয়ার দেগিতু আজিমেরাও। পরম্পরা বজায় রেখে চলতি বছরেও টাটা স্টিল কলকাতা ২৫কে ম্যারাথনের স্টার্ট লাইনে দেখা যাবে ইথিওপিয়ার এই মহিলা দৌড়বিদকে। অর্থাৎ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই আগামী ১৬ ডিসেম্বর ফের কলকাতা ২৫কে ম্যারাথনে অংশ নিতে চলেছেন আজিমেরাও।

আরও পড়ুন: ইন্টারনেটে ভাইরাল সাইনার বিয়ের কার্ড

তবে আসন্ন কলকাতা ২৫কে ম্যারাথনে এবারের চ্যালেঞ্জটা খুব একটা সহজ হবে না ইথিওপিয়ার আজিমেরাওয়ের কাছে। কারণ তাঁকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ২০১৮ টাটা স্টিল কলকাতা ২৫কে ম্যারাথনের স্টার্ট লাইনে থাকতে চলেছেন দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কেনিয়ার ফ্লোরেন্স কিপলাগাত। অর্থাৎ কলকাতা ম্যারাথনের এলিট ফিল্ডে এবারের লড়াইটা যে দারুণ জমবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ায় বিরাট ধাক্কা, ছিটকে গেলেন তারকা ক্রিকেটার

দেগিতু আজিমেরাও

উল্লেখ্য, গতবারেও আজিমেরাও-কিপলাগাত দ্বৈরথ দেখার অপেক্ষায় ছিল তিলোত্তমা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে চোটের কারণে মিট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন কেনিয়ার এই দৌড়বিদ। সুতরাং কলকাতা ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করার অপূর্ণ ইচ্ছা অবশেষে পূরণ হতে চলেছে দুবারের দিল্লি ম্যারাথন চ্যাম্পিয়নের। দিল্লি ম্যারাথন চ্যাম্পিয়ন ছাড়াও কিপলাগাতের কেরিয়ার রেকর্ড বেশ ঈর্ষনীয়। ২০০৯ আইএএএফ ওয়ার্ল্ড ক্রস কান্ট্রি চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০১০ আইএএএফ ওয়ার্ল্ড হাফ ম্যারাথনে সেরার শিরোপা রয়েছে তাঁর মুকুটে। তাই ডিফেন্ডিং চ্যানপিয়ন আজিমেরাওয়ের পাশাপাশি কিপলাগাতের অংশগ্রহণ টাটা স্টিল কলকাতা ২৫কে ম্যারাথনের জৌলুষ যে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন: জয়ের সেঞ্চুরিই ক্রিসমাসের উপহার রোনাল্ডোর

বিরহানু লেগেসে

মহিলা এলিট ফিল্ডে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করলেও পুরুষ এলিট ফিল্ডে স্টার্ট লাইনে দেখা যাবে না গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইথিওপিয়ার কিংবদন্তী দৌড়বিদ কেনেনসিয়া বেকেলে। বেকেলের অনুপস্থিতিতে পুরুষদের ব্যাটন থাকবে দু’বারের দিল্লি ম্যারাথন চ্যাম্পিয়ন ইথিওপিয়ারই বিরহানু লেগেসের কাছে। সবমিলিয়ে মুম্বই, বেঙ্গালুরু, দিল্লির পর বিশ্বমঞ্চে এবার করে দেখানোর পালা কলকাতার। ম্যারাথন নিয়ে আশাবাদী উদ্যোক্তা প্রোক্যাম ইন্টারন্যাশনালও।

‘ঋণখেলাপিরা কংগ্রেসের দুর্নীতির অঙ্গ’

জয়পুর: বিজয় মালিয়া তেকে শুরু করে নীরব মোদী। দেশে ঋণখেলাপিদের তালিকা ক্রমশ দীর্ঘ হয়েছে। অভিযুক্ত সকলেই পালিয়েছে দেশ ছেড়ে। এর দেশ ছাড়ার ঘটনার সবই ঘটেছে ২০১৪ সালের পরে অর্থাৎ মোদী জামানায়।

যদিও এই ঋণখেলাপি এবং তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার দায় মোদী সরকারের নয় বলে দাবি অমিত শাহের। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি এই ঋণখেলাপির যাবতীয় দায় চাপিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসের উপরে। ব্যাংক ঋণ সম্পর্কিত যাবতীয় ঘটনা কংগ্রেসের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলেও দাবি করেছেন মোদীর প্রধান সেনাপতি।

বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়ছে রাজস্থানে। আগামী সপ্তাহেই ওই রাজ্যে হবে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সেই নির্বাচনের প্রচারে গিয়েই কড়া ভাষায় কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, “যারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পালিয়েছে তারা সকলেই কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতির অংশ। পলাতক কাউকে মোদী সরকারের আমলে ঋণ দেওয়া হয়নি। এগুলো সব কংগ্রেসের অপকর্মের ফল।”

দেশের বড় বড় ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কংগ্রেসের শীর্ষ স্তরের নেতাদের যোগসাজশ রয়েছে বলে দাবি করেছেন অমিত শাহ। ব্যাংক সংক্রান্ত এই দুর্নীতির টাকা থেকে নেহরু এবং গান্ধী পরিবারের সদস্যরা কমিশন নিয়েছে বলেও দাবি করেছেন বিজেপি সভাপতি।

নিজের এই বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ করতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “কোনও সংস্থা হাজার হাজার কোটি টাকার ঋন নিলে কয়েক মাসের মধ্যে সেই টাকার একটা অংশ কমিশন নিতো গান্ধী পরিবারের জামাই। সেই টাকা দিয়েই বিকানিরে ১৫০ হেক্টর জমি কেনা হয়েছিল।” সেই সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতির উদ্দেশ্যে অমিত শা বলেছেন, “রাহুল গান্ধী কী এই সব প্রশ্নের জবাব দেবেন?”

‘মার্কিনিদের লক্ষ্য হল- মুসলমানদের হত্যা করা’

কাবুলঃ  আফগানিস্তানের দক্ষিণে হেলমান্দ প্রদেশে মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশির ভাগই মহিলা ও শিশু। আজ শুক্রবার আফগানিস্তানে অবস্থিত জাতিসংঘের মিশনের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে হতাহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই মহিলা ও শিশু। তালেবান জঙ্গিদের সঙ্গে আফগান সেনাবাহিনীর এক সংঘর্ষের সময় মার্কিন বাহিনী ওই হামলা চালায়। হামলার পর মার্কিন বাহিনী দাবি করেছিল, তারা তালেবানের অবস্থানের ওপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তারা ওই এলাকার সাধারণ মানুষের ওপর নির্মমভাবে বোমাবর্ষণ করেছে।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো বলেছে, আফগান সেনা ও তালেবানের মধ্যে সংঘর্ষের সময় আফগান সেনাবাহিনী সাহায্য চাইলে বিমানের সাহায্যে এই হামলা চালানো হয়। তালেবানদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলেও সেখানে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি সম্পর্কে তাদের জানা ছিল না। এই বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ন্যাটো। স্থানীয়রা বলছেন, মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা অন্তত ৩০ জন। মার্কিন বাহিনী এর আগেও বিমান হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। মার্কিনিদের লক্ষ্য হল- মুসলমানদের হত্যা করা। সেটা সামরিক হোক আর সাধারণ মানুষই হোক।

আন্তর্জাতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছিলেন বাঙালি বিজ্ঞানী

সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: ভারতে প্রথম এক্সরে মেশিন নিজ হাতেই তৈরি করেছিলেন তিনি। রেডিওর আবিষ্কর্তা তিনিই। তিনিই প্রথম বলেছিলেন উদ্ভিদের প্রাণ রয়েছে। সবার আগে বারবার বিজ্ঞানের বড় আবিস্কার এবং তত্বগুলি আনলেন ভারত তথা বিশ্ববাসীর সামনে। কিন্তু কেবল মাত্র ভারতীয় বলেই হয়তো যোগ্য সম্মানটি পাননি জগদীশ চন্দ্র বসু। আন্তর্জাতিক রাজনীতির শিকার বাঙালি বিজ্ঞানী বারবার তার দুঃখের কথা প্রকাশ করেছেন তাঁর বিভিন্ন লেখায়।

প্রথমে এক্সরে’র কথাতেই আশা যাক। ১৮৯৫ সালে এক্সরে বা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার হয় । ভারতে তা এসে পৌঁছতে আরও কিছু বছর সময় লাগে। কিন্তু তার আগেই স্যর জগদীশ চন্দ্র বসু প্রেসিডেন্সি কলেজের ল্যাবরেটরিতে এ নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে থাকেন । তার উল্লেখ পাই তাঁরই লেখা এক চিঠির মাধ্যমে।

১৮৯৯ খৃষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে জগদীশচন্দ্র রবীন্দ্রনাথকে এক চিঠিতে লিখেছেন, “যদি পারেন তাহা হইলে সকাল আটটার সময়ে প্রেসিডেন্সী কলেজ হইয়া আসিবেন । রঞ্জন কলে একজন রোগী দেখিতে হইবে , তাহার পৃষ্ঠভঙ্গ হইয়াছে । ডাক্তার নীলরতন সরকারের কথা এড়াইতে পারিলাম না।” ১৯শতকের শেষের দিকের ভারত তখন ভরা পরাধীনতার জ্বালায়। কেউ জানতই না প্রেসিডেন্সির ল্যাবটরিতে বসে মানুষটি কি কাণ্ডটাই না ঘটাচ্ছিলেন।

আশা যাক রেডিওর কথায়। আন্তর্জাতিক চক্রান্ত ছাড়া একে আর কিই বা বলা যেতে পারে। অনেকটা সত্যজিত রায়ের চিত্রনাট্যের হুবহু নকল করে বানানো স্পিলবার্গের ছবি ইটি’র মতো। লিখলেন সত্যজিত, বলা হয় চুরি করে নাম কিনলেন স্পিলবার্গ। ছোট থেকে আমাদের বিজ্ঞান বইতে বড় বড় করে লেখা থাকে রেডিও আবিষ্কারক হিসাবে মার্কনি। কিন্তু এই যন্ত্রের প্রকৃত উদ্ভাবক ছিলেন আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু। চক্রান্তের শিকার হয়েছিলেন তিনি।

আচার্য বসু নিজের সৃষ্ট অণুতরঙ্গ ভিত্তিক বেতার সংকেত প্রেরক ও গ্রাহক যন্ত্রের নাম দিয়েছিলেন মার্কারি কোহেরার। যন্ত্রটি কলকাতাতে বসেই তিনি নির্মাণ করেন। যন্ত্রটিতে যে প্রযুক্তিবিদ্যা ব্যবহার করেছিলেন তার নাম সলিড স্টেট ডায়োড। ১৮৯৯ সালের বিভিন্ন সময়ে এই কোহেরার যন্ত্রটি প্রদর্শিত হয়েছিল। জগদীশচন্দ্র কর্তৃক উদ্ভাবিত এই প্রযুক্তি ১৮৯৯-১৯০১ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর অন্য কোথাও ছিল না । সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা যায় যে সলিড স্টেট ডায়োড ডিটেক্টর এবং মাইক্রোওয়েভ প্রজাত অদৃশ্য আলোর জনক হলেন স্যর জগদীশচন্দ্র বসু।

১৯০১ সালে মার্কনি যে ডায়োড ডিটেক্টর যন্ত্র দিয়ে আটলান্টিকের এপার থেকে ওপার,অর্থাৎ ইউরোপ থেকে আমেরিকাতে বেতার সংকেত পাঠিয়েছিলেন তা ১৮৯৭ সালে লন্ডন রয়্যাল সোসাইটিতে প্রদর্শিত জগদীশচন্দ্রের নির্মিত যন্ত্রের প্রযুক্তির হুবহু নকল।

কিন্তু কিভাবে এই ঐতিহাসিক চক্রান্তটি হল। আসলে মার্কনির ছেলেবেলার বন্ধু লুইগি সোলারি তখন ইতালির নৌবাহিনীতে কাজ করছিলেন। তিনিই এই মার্কারি কোহেরার যন্ত্র ও টেলিফোন গ্রাহক যন্ত্রের নির্মাণ ও ব্যবহার পদ্ধতি মার্কনির গোচরে আনেনl

শুধু তাই নয় তিনিই প্রকৃতপক্ষে জগদীশচন্দ্রের সমগ্র প্রযুক্তির হুবহু নকল করে একটি যন্ত্র নির্মাণ করে ইংল্যান্ডে্ এসে মার্কনিকে উপহার দেন। সেটাকেই মার্কনি নিজের নামে চালিয়ে দিলেন। বন্ধুর প্রতিও তিনি কৃতঘ্নের মতোই আচরন করেন।

১৯০১, ১২ ডিসেম্বর দুপুরে মার্কনি আকাশে ঘুড়ি উড়িয়ে একটা ধাতব তার ৪০০ ফুট ঊর্ধ আকাশে তুললেন এবং আয়রন মার্কারি আয়রন কোহেরার উইথ টেলিফোন গ্রাহক যন্ত্রের সাহায্যে স্পষ্ট শুনতে পেলেন ইংলন্ড থেকে আটলান্টিক অতিক্রম করে ভেসে আসা পুনঃপুনঃ বেতার তরঙ্গ সংকেত টক্ টক্ টক্ টক্ শব্দ। তখন বেলা সাড়ে বারোটা,টেলিফোনটা দিলেন তাঁর সঙ্গী জর্জ স্টিফেনকে। তিনিও স্পষ্ট শুনলেন সেই শব্দ।

খবরের কাগজ ও টেলিগ্রাফের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল মার্কনির বিজয় গৌরব। ১৯০৯ সালে মার্কনিকে নোবেল পুরষ্কার দেওয়া হল। আর বাঙালি বিজ্ঞানী বেতার তরঙ্গের সৃষ্টির আবিষ্কারক হিসাবে অজ্ঞাত থেকে গেলেন।

তাঁর লেখা ‘অব্যক্ত ‘গ্রন্থে এই কষ্টের কথা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি লিখেছিলেন “যাঁহারা আমার বিরুদ্ধ পক্ষে ছিলেন তাঁহাদেরই মধ্যে একজন আমার আবিষ্কার নিজের বলিয়া প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে অধিক বলা নিষ্প্রয়োজন ফলে বহু বৎসর যাবৎ আমার সমুদয় কার্য পন্ডপ্রায় হইয়াছিল। এ সকল স্মৃতি অতিশয় ক্লেশকর।”

১০৯ বছর আগে পরাধীন দেশের অশ্বেতাঙ্গ বিজ্ঞানীর পক্ষে বেতার যন্ত্রের উদ্ভাবকের স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব হয়নি বটে তবে তিনি বিশ্বকে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে। তা নিয়েও প্রথমে কম কথা শুনতে হয়নি তাঁকে। অনেক লড়াইয়ের পর এই আবিষ্কারটা তাঁর থেকে আর কেউ ছিনিয়ে নিতে পারেনি।

তথ্য : ডঃ প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডাঃ স্বপন কুমার গোস্বামী

‘সরকারে নয়, দরকারে আছি’…নতুন স্লোগান প্রদেশ কংগ্রেসের

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ক্ষমতার আশপাশে নেই৷ ক্ষমতা থেকে শতযোজন দূরেও নিজেদের চিহ্নিত করতে পারেন না প্রদেশ নেতৃত্ব৷ কিন্তু তাতে কী বা যায় আসে? কংগ্রেসের এখন লক্ষ্য মানুষের পাশে থাকা৷ তাই লোকসভা ভোটের আগে তাদের নতুন স্লোগান ‘সরকারে নয়, দরকারে আছি’৷

বাংলায় ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু হচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস৷ এই পরিস্থিতিতে লোকসভা ভোটে যে ভাল ফল করা সম্ভব নয় তা বুঝতে পারছেন সভাপতি সোমেন মিত্র ও তাঁর টিম৷ সূত্রের খবর, তাঁরা চাইছেন এবার সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছতে৷ মানুষের সমস্যা, দাবি-দাওয়া নিয়ে লড়াই করে তাদের আস্থা অর্জন করাই একমাত্র লক্ষ্য৷ দলের তরুণ-তুর্কিদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷

সোমেন মিত্র-আবদুল মান্নান-প্রদীপ ভট্টাচার্যের মতো সিনিয়র নেতারা প্রদেশ নেতৃত্বের হাল ধরতে নেমেছেন৷ কিন্তু, ‘রথের রশি’ টানতে প্রয়োজন তরুণ নেতৃত্ব৷ যেমন শুক্রবার দলীয় পতাকা ছাড়াই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের পুত্র তথা যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি রোহন মিত্র ও যুব কংগ্রেসের কর্মীরা গিয়েছিলেন রোজভ্যালির আমানতকারীদের কাছে৷ প্রায় ১৯ দিন ধরে এজেসি বোস রোডে আন্দোলন করছেন তাঁরা৷

রোহন জানিয়েছেন, শনিবার থেকে প্রতিদিন দুঘন্টা করে তাঁরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে থাকবেন৷ এমনকি আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তা দেওয়া থেকে বায়ো টয়লেটের ব্যবস্থা করা-সবকিছুর দায়িত্বই নিচ্ছেন তারা৷ রোহন বলেন, রাজনীতিতে সবাই মুখ দেখাতে যায়৷ যেমন বৃহস্পতিবার দিলীপ ঘোষ গিয়েছিলেন৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত অসহায় মানুষগুলো কাউকে পাশে পান না৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন সিগারেট খান কর আদায় বেশি হবে৷

আমাদের প্রশ্ন, যে পরিমাণ কর আদায় হল সেটা কী করলেন তিনি? যতদিন না এই মানুষগুলো নিজেদের টাকা ফেরৎ পাচ্ছেন ততদিন আমরা ওদের সঙ্গে আছি৷ উল্লেখ্য, গত বুধবারই যুব কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে অধীর চৌধুরীর সমর্থিত প্রার্থী সাদাব খানের কাছে রোহনের হার হয়েছে৷ কিন্তু দলের নয়া অ্যাজেন্ডা মেনেই ৭২ ঘন্টার মধ্যে ময়দানে নেমে গিয়েছেন তিনি৷

তৃণমূল-বিজেপির যৌথ থাবায় দলের কোমড় ভেঙেছে অনেক আগেই৷ সেই ভাড়া কোমড় নিয়েই এখন বাংলার মানুষের মন পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস৷ এর প্রতিদান তারা পাবে কিনা সেটা লোকসভা ভোটের ফলই বলবে৷

অক্টোবরেই ছাপিয়ে গোটা বছরের বাজেট ঘাটতি

নয়াদিল্লি: চলতি বছরে গোটা বাজেট ঘাটতি যেখানে ধরা হয়েছিল ৬.২৪ ট্রিলিয়ন টাকা সেখানে এপ্রিল থেকে অক্টোবরেই তা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৷ রাজস্ব আদায় কম হওয়ায় এমনটাই ঘটেছে বলে সরকারি তথ্য জানাচ্ছে৷

আর্থিক ঘাটতি মানে হল সরকারি আয় এবং ব্যয়ের মধ্যেকার ফারাকের অংক ৷ এপ্রিল থেকে অক্টোবরে যার পরিমাণ ৬.৪৮ ট্রিলিয়ন টাকা ফলে বাজেটের সময় ধরা হয়েছে অংকের ১০৩.৯ শতাংশ৷ ২০১৭-১৮ সালের অক্টোবরে এই ঘাটতি ছিল ওই বছরের বাজেটের সময় ধরা ঘাটতির ৯৬.১ শতাংশ৷ ২০১৮-১৯সালে বাজেটের সময় ঘাটতি কমিয়ে করা হয়েছিল জিডিপি-র ৩.৩ শতাংশ যেখানে তার আগের বছরে ছিল ৩.৫৩ শতাংশ৷

কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস-এর প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, সরকারের আয় হয়েছে ৭.৮৮ লক্ষ কোটি টাকা যা ২০১৮-১৯ সালের বাজেটে ধরা অংকের ৪৫.৭ শতাংশ এবং গত বছর তা ছিল ৪৮.১ শতাংশ বাজেটে ধরা অংকের সাপেক্ষে৷ সরকার চলতি আর্থিক বছরে মোট আয় ধরেছিল ১৭.২৫ লক্ষ কোটি টাকা৷

কর বাবদ আয় হয়েছে বাজেটে ধরা অংকের ৪৪.৭ শতাংশ যেখানে গত বছরে তা ছিল ৫১.৬ শতাংশ৷ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস-এর প্রকাশিত তথ্য অনুসারে অক্টোবরের শেষে সরকারের মোট খরচ হয়েছিল ১৪.৫৬ লক্ষ কোটি টাকা যা বাজেটে ধরা অংকের ৫৯.৬ শতাংশ৷ বাজেটে ধরা অংকের সাপেক্ষে খরচ সামান্যই বেশি গত বছরের থেকে৷

মোদীকে ‘দুর্যোধন’ ও শাহকে ‘দুঃশাসন’ বলে কটাক্ষ ইয়েচুরির

নয়াদিল্লি: আগামী লোকসভা নির্বাচন হল মহাভারতের যুদ্ধ৷ আর সেই যুদ্ধের কৌরবরা হল বিজেপি৷ বিরোধীরা হল পাণ্ডব৷ কৃষক সমাবেশের মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কৌরব ও বিরোধীদের পাণ্ডবের সঙ্গে তুলনা করলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি৷ জানান, আগামী লোকসভা নির্বাচনে কৌরবদের পরাজয় হবে৷ পাণ্ডবরা জয়ী হবে৷ এর পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে দুর্যোধন ও দুঃশাসন বলে কটাক্ষ করেন তিনি৷

শুক্রবার দিল্লির যন্তর মন্তরে কৃষক সমাবেশে যোগ দিতে আসেন ইয়েচুরি৷ সেই সমাবেশ থেকে বিজেপির প্রতি একাধিক তোপ দাগেন তিনি৷ বিজেপিকে কৌরবপক্ষের সঙ্গে তুলনা করার পর ইয়েচুরি জানান, কৌরবদের ১০০টা ভাই ছিল৷ কিন্তু তাদের মধ্যে দুর্যোধন ও দুঃশাসনের নামই বেশি পরিচিত৷

এরপরই মোদী ও শাহকে তাদের সঙ্গে তুলনা করেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক৷ বলেন, ‘‘বিজেপি অনেক বড় দল৷ অনেক নেতা কর্মী আছে৷ কিন্তু দলটা চালান নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ৷ এরাই হলেন দুর্যোধন ও দুঃশাসন৷’’ তাঁর সংযোজন, মহাভারতের যুদ্ধে পাণ্ডবদের হাতে পরাস্ত হয়েছিল কৌরবরা৷ আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের কাছে পরাজয় হবে নরেন্দ্র মোদীর৷

রাম মন্দির ইস্যু নিয়েও বিজেপি, আরএসএস ও নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করেন ইয়েচুরি৷ তোপ দেগে বলেন, ‘‘রামমন্দির হল বিজেপির নির্বাচনী অস্ত্র৷ নির্বাচন আসলেই বিজেপি নেতারা রাম নাম জপ করা শুরু করে দেয়৷’’

এদিন অল ইণ্ডিয়া কিষাণ সংঘর্ষ কোঅর্ডিনেশন কমিটি বা এআইকেএসসিসির নেতৃত্বে ২০৭টি কৃষক সংগঠন মিছিল করছে৷ যা নিয়ে নয়াদিল্লি সরগরম৷ প্রায় ১ লক্ষ কৃষক হাঁটছেন এই মিছিলে৷ শুক্রবার সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছেন তাঁরা৷৷

অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, গুজরাত, মধ্য প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর প্রদেশ থেকে দিল্লি পৌঁছেছেন এই সব কৃষকরা৷ মুখে শ্লোগান ‘অযোধ্যা নেহি, করজি মাফ চাহিয়ে’ (অযোধ্যা চাই না, ঋণ মকুব করুন)৷

অজিদের ডেরায় রোল বদল বিরাটের

সিডনি: রোল বদল৷ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ের পর এবার বল হাতে চমক বিরাটের৷ ডার্সি শর্টদের বিরুদ্ধে এদিন দু’ওভার হাত ঘুরিয়েছেন ভিকে৷ ভাগ্যদেবী সাথ দিলে বেসরকারী এই টেস্ট ম্যাচে নিজের বোলিং স্পেলের প্রথম বলেই উইকেট পেতে পারতেন বিরাট৷ মাত্র দু’ভারের স্পেলেই সিডনির গ্যালারি ভরানো দর্শকদের মন ভরিয়েছেন বিরাট৷

আরও পড়ুন: ককপিটে জর্জিনা, বিমানের বেডরুমে রোনাল্ডো

প্রস্তুতি ম্যাচ উমেশ-অশ্বিনকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম দিতে চেয়েই বোলিংয়ের দায়িত্ব তুলে নেন কোহলি৷ শামি থেকে জাদেজা, সব বোলারদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়ার পাশাপাশি নিজের বোলিংও ঝালিয়ে নিতে দেখা গেল বিরাটকে৷ সেখানেও চমক৷ বিরাটের কোনও ডেলিভারি আউট সুইং করে ব্যাটসম্যানকে চাপে ফেলছে, কোনটা আবার স্পিন করে ভিতরে ঢুকছে৷ দুভারের খরচ মাত্র ৬ রান৷

আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ায় বিরাট ধাক্কা, ছিকটে গেলেন তারকা ক্রিকেটার

অন্যদিকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে পাঁচ জন ব্যাটসম্যানের হাফসেঞ্চুরি যদি ইতিবাচক দিক হয়, তবে টিম ইন্ডিয়ার দুশ্চিন্তার বহরটাও নিতান্ত ছোট নয়৷ প্রথমত, অখ্যাত অজি ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে ভারতীয় বোলারদের আধিপত্য বিস্তারে ব্যর্থতা নিঃসন্দেহে টিম ইন্ডিয়ার প্রাথমিক মাথা ব্যথা৷ ভারতের ৩৫৮ রানের জবাবে অশ্বিন-উমেশদের সামলে অজি একাদশ ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৫৬ রান তুলেছে৷ তাই বোলারদের পারফরম্যন্স নিয়ে সংশয়ের অবকাশ থাকছে৷

আরও পড়ুন: শামির সাফল্য ফিকে হল পৃথ্বীর চোটে

সেই সঙ্গে এদিন পৃথ্বী শ’র চোট ভারতীয় শিবিরকে আরও বড়ো ধাক্কা দিল বলা চলে৷ ডিপ মিড উইকেট বাউন্ডারিতে ফিল্ডিং করার সময় অশ্বিনের বলে ম্যাক্স ব্রিয়ান্তের ক্যাচ ধরার চেষ্টায় চোট পেয়ে বসেন তরুণ ভারতীয় ওপেনার৷ স্ক্যান রিপোর্ট হাতে এলে দেখা যায় তাঁর ল্যাটারাল লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে৷ ফলে ৬ ডিসেম্বর থেকে অ্যাডিলেডে শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্টে মাঠে নামা সম্ভব নয় পৃথ্বীর৷