Breaking- বছরের শুরুতেই বোমাতঙ্ক, খালি করা হল এয়ারপোর্ট

আমস্টারডাম: একদিকে যেখানে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সকলেই ব্যস্ত৷ পার্টিমুডে আট থেকে আশি৷ অনেকেই আবার প্রিয়জনের সঙ্গে পাড়ি দিয়েছেন নিরিবিলিতে ক্যোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করার জন্য৷ সেখানেই বোমাতঙ্কে ছড়াল চাঞ্চল্য৷

জানা গিয়েছে, আমস্টারডাম এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তির কাছে বোমা রয়েছে৷ এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই খালি করে দেওয়া হয়েছে এয়ারপোর্ট৷ তল্লাশিও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে৷

Advertisement

তবে কার হাত রয়েছে এর পিছনে৷ কোনও বড় নাশকতার ছক রয়েছে কিনা৷ এসব কিছু খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে৷ বিমানবন্দরে অপেক্ষারত যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর৷

বিস্তারিত আসছে…

কলকাতা ২৪x৭-এর সকল বন্ধুদের Happy New year

কলকাতা: বছর শেষ করে একটা নতুন বছরের শুরু৷ আর সেই শুরু থেকে শুভর সূচণা হোক৷ বছর শেষ আর শুরুর সন্ধিক্ষণ জমজমাট হয়ে উঠল বিভিন্ন অনুষ্ঠানে৷ আট থেকে আশি যে যার মতো করে সেলিব্রেট করলেন৷

যদিও বছর শেষে অনেকে গণ্য়মান্য ব্যক্তির আকস্মিক প্রয়াণে উৎসবের আমেজের ছন্দপতন হয়৷ তাঁদের স্মৃতিকে সঙ্গে করেই আবার শুরু আগামীর দিকে এগিয়ে চলা৷

Advertisement

সেই আগামীকে বরণ করে নিতেই মফঃস্বল থেকে তিলোত্তমা সেজে উঠেছে নিজের মতো করে৷

কলকাতা ২৪x৭-এর সকল বন্ধুদের Happy New year. ভালো থাকুন, ভালো রাখুন আর দেখতে থাকুন কলকাতা ২৪x৭, আপনার সঙ্গে সব সময়৷

বর্ষবরণের রাতে ‘কাপল’দের স্বর্গরাজ্য় পার্কস্ট্রীট

শেখর দুবে, কলকাতা: এমনিতেই রাতে দেরি করে ঘুমোয় শহর কলকাতা৷ আর আজ তো বর্ষ শেষের কিংবা নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর রাত৷ পার্কস্ট্রিট-লেকটাউনে সারারাত ধরে আড্ডা জমায় জেন ওয়াই থেকে মাঝ বয়সীরা৷ ছোটে রঙিন জলের ফোয়ারা৷ পার্কস্ট্রিটের বার কাম রেস্টুরেন্টগুলোতে জায়গা পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়৷ বাদ যায় না তন্ত্রা, Myx এর মতো ডিস্কোগুলো৷

মফস্বল এবং অন্য রাজ্য থেকে কলকাতায় পড়তে আসা ছেলে মেয়েদের কাছে আজকের রাত অনেকটায় স্বর্গীয়৷ পেইন গেস্ট, মেস কিংবা ফ্ল্যাট ভাড়া করে কলকাতায় পড়াশোনা করতে আসা ছেলেমেয়েদের একটা বড় অংশের দেখা মেলে ৩১ ডিসেম্বর রাতের পার্কস্ট্রিটে৷ শেষ রাতের আর একটি বিশেষত্ত্ব হল ‘কাপল’রা৷ বছরের শেষ রাতটা নিজের প্রিয় মানুষের সঙ্গে কাটাতে অনেকেই পৌঁছে যান পার্কস্ট্রিট কিংবা লেকটাউনের বড় ঘড়িটার নীচে৷ তবে শুধু কাপলরা-ই নয় দল বেঁধে আসে বন্ধুদের সঙ্গে৷

Advertisement

পার্কস্ট্রিট এসে এরকমই এক কাপলকে পাওয়া গেল কথা বলার জন্য৷ অরুণিমা এবং তীর্থ ভট্টাচার্য অবশ্য কলকাতা নন দিল্লির বাসিন্দা৷ অরুণিমা মেডিক্যালের ছাত্রী৷ কেমন কাটচ্ছে বছরের শেষ রাতের শুরুটা?
-দারুণ, যাস্ট অসম, পার্কস্ট্রিটের এই আলো ক্রাউড৷ সারাবছর আমরা ভালো খারাপ মিশিয়ে কাটাই৷ কখনও শহরের এখানে ওখানে ব্রীজ ভেঙে পড়ে৷ কিন্তু বছরের শেষ দিনে সবাইকে একসঙ্গে উপভোগ করতে দেখে খুব ভালো লাগে৷
-তোমরা কাপল তো? নতুন বছরে কী উইশ করছো?
– অফকোর্ষ কাপল( লজ্জা মেশানো হাসিতে উত্তর দেয় অরুণিমা)৷ নতুন বছরে উইশ বলতে দুজনএ একসঙ্গে থাকা আর হ্যাঁ প্রোবাবলি নেক্স ইয়ার ইউ আর গোয়িং টু এনগেজ লিগ্যালি৷

তবে শুধু যে নতুন প্রেমিকরা এখানে আসে এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়৷ বিবাহিত জুটি কিংবা বন্ধুদের গ্রুপের সংখ্যাটা কিন্তু নেহাতই কম নয়৷ কারও মাথায় লাল রঙ্গের সিং তো কারও চুলে আটকানো রঙ-বেরঙ্গের তিয়ারা৷ আলো, রোশনায় , গান , বেলুনে ঠিক এভাবেই বছরের শেষ রাতকে বিদায় জানায় কলকাতাবাসী৷

মেরে ফেলবে বাবা বনি, আতঙ্কে শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী

মুম্বই: শিরোনাম পরে ভাবছেন তো কী এমন করল অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর, যার জন্য তাঁর বাবা বনি কাপুর জাহ্নবীর প্রাণ নিয়ে নেবে৷ বিষয়টা এতটাও সিরিয়াস নয়৷ চুল কেটে ফেলেছেন নায়িকা৷ তাও আবার ঘাড় অবধি৷ যা দেখলে বনি কাপুর সাংঘাতিক রাগ করবেন৷

Advertisement

এমনটা তিনিই নিজেই একটি ভিডিওতে বলেছেন৷ তবে কেন কাটলেন চুল৷ না! কোনও আপকামিং ফিল্মের চরিত্রের জন্য নয়৷ বরং একটি ফোটোশ্যুটের জন্য চুল কেটে একেবারে বব কাট ছেটে ফেলেছেন অভিনেত্রী৷

আর এমন হেয়ারকাট নাকি বনি কাপুরের মোটেই পছন্দের নয়৷ এই গোটা ব্যাপারটাই প্রথমদিকে বেশ মজার লাগলেও পরের দিকে ট্রোলিংয়ে বদলে গেল৷ অসংখ্য নেটিজেনের কথায় জাহ্নবী উইগ পরেছেন৷

সাইবারবাসীরা লিখেছেন, “এটা তো পরচুল৷ যে কেউ দেখলেই ধরে ফেলতে পারবে৷ ফোটোশ্যুট করছো করো, তার জন্য এমন মিথ্যে কথা বলার দরকার নেই যা নিমেষের মধ্যে ধরে ফেলা যায়৷ পাব্লিসিটির জন্য মানুষ কী না করে৷”

জাহ্নবীকে রীতিমত ট্রোলিং এবং শেমিংয়ের মুখে পরতে হয়েছে৷ জাহ্নবী আদেও চুল কেটেছেন কী কাটেননি সেটা এখনও সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে না৷ তার উপর চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সাইবারবাসীরা বলছেন তিনি চুল কাটেননি৷

এর মাঝে জাহ্নবীর ভক্তরা তাঁকে ব্যাক আপ দেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছেন৷ জাহ্নবীর ভক্তদের মতে, তিনি চুল কাটুক বা না কাটুক সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার৷ প্রচার বা পাব্লিসিটির জন্য আর কেউ এমন কিছু করলেও জাহ্নবী এরম কোনও কাজ করবে না বলেই দাবি করছে তারা৷

জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ, জমির মিউটেশন মামলার নিষ্পত্তি

স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: জমির মিউটেশন সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন৷ সোমবার এই বিষয়ে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেন জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব৷ এই বৈঠকে তিনি ছাড়াও হাজির ছিলেন জেলা ভূমি দফতরের অতিরিক্ত জেলাশাসক শশীকুমার চৌধুরী।

জানা গিয়েছে, আগামী ২ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিটি ব্লক ভুমি দফতরে এই বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে৷ এদিন জেলাশাসক জানিয়েছেন ২০১৮ সাল পর্যন্ত গোটা জেলায় এই সংক্রান্ত ৮০ হাজার ৪৭০ টি কেস অমীমাংসিত হয়ে রয়েছে। এই বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে এই কেসগুলির নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন যারা আবেদন করবে এই সময়কালের মধ্যে তাদেরও কেস মেটানোর চেষ্টা করা হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন : ‘বিজেপি জেলা সভাপতির বাড়ি ভাঙচুরে জড়িত পুলিশ’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্য সরকার কৃষিজমির মিউটেশন এবং সেস মুকুব করেছেন। এই পক্ষকালব্যাপী বিশেষ শিবিরে কৃষিজমির মিউটেশন সংক্রান্ত নতুন আবেদনেরও মীমাংসা করা হবে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, ২০১৭-২০১৮ সালে মোট ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৬৭১ মিউটেশন কেস জমা পড়ে। তারমধ্যে নিষ্পত্তি করা হয় ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৩৯। ২০১৮-২০১৯ সালে মিউটেশন বাবদ কেস জমা পড়ে ১ লক্ষ ২১ হাজার ৯৪৫টি। মেটানো হয় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ১২০ টি কেস।

তিনি জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে ভূমি দফতরে সম্পূর্ণভাবে কমপিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করার পর ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫১টি আবেদন জমা পড়ে। এরমধ্যে গত ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয় ৭ লক্ষ ৮৪ হাজার ৭৮১টি কেস। জেলাশাসক জানিয়েছেন, এই বিপুল সংখ্যক কেস নিষ্পত্তি না হওয়ার কারণ কোনো ক্ষেত্রে উভয় পক্ষ হাজির না হওয়া যেমন রয়েছে, তেমনি অনেক সময় ঠিকানার গড়মিল থাকায় নোটিশ পাঠানো হলেও তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে সময়মতো না পৌঁছানোর মত ঘটনাও রয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, ২ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি গোটা জেলার পঞ্চায়েত ভিত্তিক নির্দিষ্ট দিনে এই মিউটিশেন সংক্রান্ত কাজ করা হবে।

জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী, প্রস্তুতি ঘুরে দেখলেন অনুব্রত

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: তিন দিনের জেলা সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে নতুন বছরের শুরুতেই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বীরভূম জেলা সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

Advertisement

জেলা সফর ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে৷ প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে ২রা জানুয়ারি বোলপুর গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেই দিন রাঙা বিতান গেস্ট হাউসে রাত্রি বাস করে, ৩রা জানুয়ারি ইলামবাজার কামারপাড়া ময়দানে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর৷ ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের জন্য বানানো হয়েছে তিনটি হেলিপ্যাড৷

একটি বানানো হয়েছে বিশ্বভারতীর কাছে, অন্য দুটি হেলিপ্যাড বানানো হয়েছে গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহের পিছনের মাঠে৷ এখন থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তা মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা বোলপুর শহরকে৷ জনসভা থেকেই বাউল ও লোক উৎসবের সূচনা, জঙ্গলমহল কাপ এবং রাঙামাটি স্পোর্টস উৎসবের পুরস্কার বিতরন করবেন মুখ্যমন্ত্রী বলে জানা গিয়েছে৷

প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছেন, সভা মঞ্চ থেকেই একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন, ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ বিগত কয়েক বছর ধরেই জয়দেব মেলার আগে এবং পরে জেলা সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার ময়দানটি সোমবার পরিদর্শনে যান জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা বসু৷ কি কাজ বাকি রয়েছে, কোথায় খামতি রয়েছে, তা এদিন খতিয়ে দেখেন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল৷ প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন তিনি৷

বর্ষশেষের রাতে দুর্ঘটনা রুখতে উদ্যোগ পুলিশের

হাওড়া: নতুন বছর এবং তার আগে বর্ষবরণের রাতে সাধারণ মানুষ খুশিতে উৎসবের মেজাজে মেতে ওঠেন৷ সেসময় সাধারণ মানুষ যাতে ট্রাফিক সচেতন হয়ে পথে নামেন সেই উদ্দেশ্যে হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক এর তরফ থেকে সোমবার সকালে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

Advertisement

এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে এদিন পথনাটিকা, ম্যাজিক শো থেকে শুরু করে গাড়ি চালকদের শপথ পাঠ প্রমুখ বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়। এই সময় যাতে প্রত্যেকে ট্রাফিক আইন মেনে চলেন এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন হন, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ পুলিশের৷

সাধারণ মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্য নিয়েই এদিন এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। হাওড়া সিটি পুলিশের এসিপি ট্রাফিক(২) অশোকনাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, সাধারণ মানুষকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের সম্পর্কে সচেতন করার জন্যই এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

#MeToo নিয়ে রানির বিস্ফোরক মন্তব্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন দীপিকা

মুম্বই : অনেকে হয় তো জানেন বলিউডে বছর শেষে অভিনেতা অভিনেত্রীদের রাউন্ড টেবিল হয়, যেখানে সেই বছরের মোস্ট সাকসেসফুল তারকারা তাঁদের সেই বছরের ফিল্ম জার্নি শেয়ার করেন৷ এ বছরের রাউন্ডটেবিলে ছিলেন দীপিকা পাডুকোন, রানি মুখোপাধ্যায়, অনুষ্কা শর্মা, তাপসী পান্নু, টাবু, আলিয়া ভাট৷

তাঁদের পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে বলতে #MeToo মুভমেন্টের সম্বন্ধেও কথাবার্তা শুরু হয়৷ সেখানে দীপিকা, অনুষ্কা, আলিয়া মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতেই রানি তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলেন৷ রানির দাবি মহিলাদের বেশি সতর্ক থাকা উচিত৷

Advertisement

এমনকি নিজের বেশ কয়েকটি মন্তব্যের দ্বারা তিনি মেয়েদের দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করছিলেন৷ তবে সেই একই টেবিলে বসে থাকা দীপিকা তাঁর কথার বিরুদ্ধে নরম সুরে অনেক কিছুই বলেছেন৷ যেমন রানি #MeToo থেকে বিষয়টি ঘুরিয়ে আত্মরক্ষার দিকে নিয়ে চলে যাচ্ছিলেন৷

সেই সময় দীপিকা সরাসরি রানির দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন, “আত্মরক্ষার কথা এখানে হচ্ছে না৷ বিষয়টা যৌন হেনস্থা নিয়ে৷ প্রশ্নটা এটাই যে মহিলাদের সঙ্গে এই আচরণটা করার কথা কোনও পরুষ ভাববেই কেন৷ সুস্থ মানুষ তো এমন ভাবতে পারে না৷”

তিনি আরও বলেছেন যে এই ধরণের পরিবেশে মহিলাদের পড়তে হয় কারণ সেটা সেই মানুষগুলির দোষ যারা মহিলাটিকে এমন পরিবেশে থাকতে বাধ্য করছে৷ দীপিকার পাশাপাশি অনুষ্কা এবং আলিয়াও সমর্থন করেন৷ নেটিজেনরা রানির এই মন্তব্যের পর রীতিমত তাঁর নিন্দা করেছে৷

তাঁরাও রানির বিরুদ্ধে বলতে শুরু করেন, কাজের জায়গাটি সবথেকে সুরক্ষিত হওয়া উচিত৷ এতজন মহিলা এসে যখন বলছে তখন নিশ্চই এর মধ্যে সত্যতা রয়েছে৷ অন্যদিকে রানি কিন্তু থেমে থাকেননি৷

তিনি বলেছেন, মায়েদেরই ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা দেওয়া উচিত৷ কারণ মায়েদের শিক্ষার জন্যই প্রত্যেক সন্তানরা বড়ো হয়ে ওঠে৷ পরে বিষয়টি ঘুরিয়ে দিয়ে তিনি বলতে থাকেন সব স্কুলে মার্শাল আর্টস শেখানো উচিত শিক্ষার্থীদের৷

‘বিজেপি জেলা সভাপতির বাড়ি ভাঙচুরে জড়িত পুলিশ’

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: বিজেপির বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি স্বপন ঘোষের বাড়িতে হামলা ও দলের দুই নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠলো শাসকদল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে ‘মহকুমা পুলিশে’ জড়িত থাকা’র অভিযোগ তোলা হয়েছে।

‘রাজ্যে কোন ধরণের রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে দেওয়া হচ্ছেনা’ এই অভিযোগ তুলে সোমবার বিষ্ণুপুরে আইন অমান্য কর্মসূচি নিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবিষয়ে কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারপরেও বিজেপি বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বের তরফে এদিন বিনা অনুমতিতেই ‘আইন অমান্য’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়।

Advertisement

এই কর্মসূচি শুরুর আগেই তৃণমূল আশ্রতি দুষ্কৃতীরা জেলা সভাপতি স্বপন ঘোষের বিষ্ণুপুর-সেনহাটির বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। স্বপন ঘোষের বাড়িতে সেই সময় তাঁর বৌমা ও ছোটো নাতনি ছিলেন। এই ঘটনায় তাঁরাও যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়ে বলে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

জেলা সভাপতির বাড়ি ভাঙচুরের খবর পেয়ে সেখানে মণ্ডল সভাপতি শঙ্খজিৎ রায় ও কাউন্সির দেবব্রত বিশ্বাস পৌঁছালে তাদেরও মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ। অন্য একটি সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, দলের মিছিলে তৃণমূল হামলা করতে পারে, এমন আশঙ্কা করেই রবিবার রাতে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও মহকুমাশাসক (বিষ্ণুপুর) কে ‘ইমেল’ মারফৎ জানিয়ে নিরাপত্তার দাবি জানানো হয়েছিল। সেই কারণে ‘কৌশল’ বদলে মিছিলে হামলা না করে জেলা সভাপতির বাড়িতে হামলা বলে বিজেপির একটি সূত্র দাবি করেছে।

স্বপন ঘোষের পুত্রবধূ স্বপ্না ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূলের ঝাণ্ডা হাতে প্রচুর লোক এসেছিল। বাইরে ভাঙচুর করলো। কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় তারা ভেতরে ঢুকতে পারেনি। জনা চল্লিশেক দুষ্কৃতী মোটর বাইকে এসে এই হামলা চালিয়েছে’৷

বিজেপির বিষ্ণুপুর জেলা সাংগঠনিক সভাপতি স্বপন ঘোষ সরাসরি এসডিপিও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, ‘ফোনে এসডিপিও তাঁকে বলেছিলেন কোন ধরণের কর্মসূচি করা যাবে না। এরপরেও করলে আপনার বাড়ি ভাঙচুর হবে। নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি করলে জেলাসভাপতির বাড়িতে আক্রমণ হবে এটা ভাবা যাচ্ছে না৷ ’

তাঁর দাবি ‘রাজ্যে গণতন্ত্র নেই, প্রশাসন পুরো দলদাস হয়ে গেছে, এই ঘটনা আরো একবার তা প্রমাণ করল’৷ এই ঘটনার পর তাদের দলীয় কর্মসূচি স্থগিত রাখার কথা রাজ্য নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

আক্রান্ত’ বিজেপি মণ্ডল সভাপতি শঙ্খজিৎ রায় বলেন, ‘জেলা সভাপতির বাড়ি ভাঙচুরের খবর পেয়ে আমি ও কাউন্সিলর সেখানে গেলে আমাদের ঘিরে ধরে আক্রমণ করা হয়। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের স্থানীয় কেউ যুক্ত নয়, শাসক দল বহিরাগত দুষ্কৃতিদের দিয়েই এই কাজ করিয়েছে’৷

এবিষয়ে বিষ্ণুপুরের এসডিপিও সুকোমলকান্তি দাস বলেন, ‘ওঁরা মহকুমাশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ৩১ ডিসেম্বরে শহরে প্রচুর পর্যটক থাকার কারণে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিচার করে মহকুমাশাসক ১৪৪ ধারা জারি করেছিলেন।’ যদিও এর বাইরে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে চাননি তিনি।

নতুন বছরকে স্বাগত বিরুষ্কার

সিডনি: অনুষ্কাকে বাহুডোরে নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানালেন বিরাট৷ সিডনির রাস্তায় পাল্টা বিরাটকে চুম্বন করে বছর শুরু অনুষ্কার৷

বিস্তারিত আসছে…