এই কন্যার স্লোগান শুনলে আঁতকে উঠবেন মমতা

সৌমেন শীল, কলকাতা: এই ‘কন্যাশ্রীকে’ দেখলে হয়তো আঁতকে উঠতেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সিঙ্গুর-কিষাণ পদযাত্রার অন্যতম মুখ হয়ে উঠলেন বেলদার বছর কুড়ি-একুশের রিয়া মাইতি। শহরের রাজপথে হাঁটতে হাঁটতে রিয়ার মুখের স্লোগান আগুন সঞ্চার করলো পথচলতি বামপন্থীদের।

সন্ধ্যের পরও কমরেড রিয়ার স্লোগান গুলি যেন কানে বাজছে হাজার কৃষক- শ্রমিকের।

“সিঙ্গুর থেকে শালবনী, ক্ষেত মজুরের কান্না শুনি, এই তৃণমূল আর না আর না ….।” “আরে এই বিজেপির অনেক গুণ, ধর্মের নামে মানুষ খুন, এই বিজেপি আর না আর না …।

ঝাঁঝালো গলা নয় রিয়ার। তবে তাঁর গলার উচ্চগ্রামে শাসক বিরোধী স্লোগান শুনে শুনে গলা মেলাচ্ছিলেন সঙ্গীরা ( ভিডিওটি দেখুন) ।

তারস্বরে স্লোগান দিচ্ছিলেন রিয়া , “চোর গুন্ডা দেশ চালায়, পুলিশ লুকায় টেবিলের তলায় … এই তৃণমূল আর না আর না ….তোলা বাজি চালিয়ে যাও, ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালাও, এই তৃণমূল আর না …।”

রিয়ার মুখের স্লোগান গুলিই সারা সন্ধ্যায় ফেসবুক, হোয়াটস আপে ছড়িয়েছে। দোকানদার থেকে সরকারি কর্মী, সকলেই চোখ কপালে তুলে তাকিয়েছে। মমতার জমানায় সাহস দেখাচ্ছে একটা এইটুকু মেয়ে?

রাতে Kolkata24x7 এর সঙ্গে কথা বললেন রিয়া। স্লোগান গুলো লিখলো কে? আপনি? ” না না হলদিয়ার এক কমরেড, ” অকপট রিয়া। মিথ্যা কথা বলে তারিফ হজম করার মেয়ে যে সে নয়, এক কথাতেই স্পষ্ট করেছে রিয়া।

২০১৭ সাল থেকে রাজনীতি করছে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রিয়া, কিন্তু সে বামপন্থী পরিবারের মেয়েই নয়, এই প্রশ্নকর্তাকে অবাক করে জবাব দিলেন রিয়া। ডিওয়াইএফএই এর বেলদা আঞ্চলিক কমিটির সদস্যা রাজনীতিকেই ভবিষ্যৎ বানাতে চায়। তবে রাজনীতিতে নিজেকে কোথায় দেখতে চায় তা একটু ভেবেই জবাব দেবে , জানালো রিয়া।

তবে রিয়ার স্লোগান গুলি শুনলে শাসক বা বিজেপি অস্বস্তি বাড়বে।

স্লোগানে, আর কি বলেছেন রিয়া ? “শিক্ষা মন্ত্রী টুকে পাস শিল্প মন্ত্রী টাইম পাশ, এই তৃণমূল আর না। আরে , অর্থ মন্ত্রী দিচ্ছে বাঁশ, কৃষি মন্ত্রী কারাবাস, এই তৃণমূল আর না আর না …।” শীঘ্রই বামপন্থীদের ছাত্রছাত্রীদের মুখে এই স্লোগানগুলি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে চলেছে।

‘শাহজাহান রিজেন্সি’ কেমন চলছে প্রি-ক্রিসমাস পার্টি

কলকাতা: ক্রিসমাসের আগেই ‘শাহজাহান রিজেন্সি’র পার্টি হয়ে গেল৷ উদ্দেশ্য ছবির প্রমোশন৷ হাজির ছিল ছবির পরিচালক সৃজিত সহ কাস্ট অ্যান্ড ক্রিউ৷ শহরের পাঁচতারা বেকারিতে চলল ফিল্মের প্রমোশন পর্ব৷

কেক মিক্সিং থেকে শুরু করে পর্ক, হ্যাম, টার্কি সমস্ত কিছুর স্বাদ নিয়েছেন তাঁরা৷ খাবার দাবারের বহু ছবিও পোস্ট করেছেন আবির এবং সৃদজিত৷ বাদ পড়ে গিয়েছিলেন কেবল পরমব্রত৷ লক্ষনৌতে রয়েছেন তিনি৷ তাই ছবির প্রচারে হাজির হতে পারেননি৷

কিন্তু তিনি যে সবাইকে কতটা মিস করছেন তা ট্যুইটারে ব্যাখা করেছেন৷ শংকরের ‘চৌরঙ্গী’ নিয়ে ময়দানে নেমে পড়লেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছিল ‘শাহজাহান রিজেন্সি’ ছবির ফার্স্ট লুক৷ তাতে হোটেল রুমের পাশে একটি স্ট্যান্ডিং লিফলেটে লেখা, ‘শাহজাহান রিজেন্সি, বিশ্বের সেরা হোটেল’৷

ছবির মুখ্য ভূমিকায় থাকছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, অঞ্জন দত্ত, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, এমনকি সৃজিতের প্রাক্তন প্রেমিকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়৷ প্রথমদিকে ছবির কাস্টে ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত, আবির চট্টোপাধ্যায়, মমতা শংকর ও জয়া এহসান৷ কিন্তু পরে শোনা যায়, বুম্বাদার বয়সের সঙ্গে সাটা বসুর চরিত্রটা মানাবে না!

তাই সরে গিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে অসুস্থ ছিলেন যিশু। তাই অনিন্দ্য পাকড়াশির চরিত্রটা এসেছে পরমব্রতের ঝুলিতে। করবীর চরিত্রটা করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এমনকি ‘চৌরঙ্গী’ নাম বদলে রাখা হয়েছে ‘শাহজাহন রিজেন্সি’।

কয়েক মাস আগেই হয়ে গিয়েছিল ‘শাহজাহন রিজেন্সি’ শুভ মহরত। হাজির ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরমব্রত চ্যাটার্জি, আবির চ্যাটার্জি, রুদ্রনীল ঘোষ, অঞ্জন দত্ত, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, সুজয় প্রাসাদ চ্যাটার্জি ও কাঞ্চন মল্লিক সহ ছবির অন্য কুশীলবরা।

পদ্মাপারে ভোট: হেভিওয়েট হিন্দু মন্ত্রীর জামাইকে গুলি করে খুনের চেষ্টা

ঢাকা: নির্বাচনের মাসে একটার পর একটা হামলা ও খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে বাংলাদেশে। এই পরিস্থিতিতে মৎস্য মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ্রের জামাইকে ঘরে ঢুকে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হল।

জানা গিয়েছে, জখম ব্যক্তির নাম প্রভাস কুমার দত্ত। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা।

রাতে তিনি খুলনার বকশীপাড়া বাইলেনের বাড়িতে আসার পর মুখোশধারী কয়েকজন ঢুকে পড়ে। খুব কাছ থেকে প্রভাসবাবুকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মন্ত্রীর জামাতাকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় খুলনা ডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

হেভিওয়েট সংখ্যালঘু হিন্দু মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ্র। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ। এবারেও নির্বাচনে লড়ছেন। ভোটের আবহেই মন্ত্রীর জামাতাকে গুলি করার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, প্রভাসবাবুর পিতা চিত্ত রঞ্জন দত্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের খুলনা শাখার ডিজিএম। আর প্রভাসবাবু নিজেও সেই ব্যাংকের এক কর্মকর্তা।